০৮:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

বাংলাদেশ ব্যাংক বন্ধ কারখানা চালু করতে সহায়তা দেবে: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংক এগিয়ে চলেছে দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পথে। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বর্তমানে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প কারখানা পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার, নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর এ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সব ধরনের সমর্থন দেবে।

সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি অফিসের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন ডেপুটি গভর্নর ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর সংক্ষিপ্তভাবে বললেন, ‘আগে কাজ, পরে কথা’। এরপর তিনি ডেপুটি গভর্নর ও নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং পরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দপ্তরে যান।

বৈঠক শেষে মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, অর্থনীতিকে নতুন দিশা দিতে নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বেশি হয়। সুদহার নিয়ন্ত্রণের উপরে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে ব্যবসায়ের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বেশ কিছু সময় আগে থেকে চলমান স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য বেশ কিছু প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। নতুন গভর্নর উল্লেখ করেন, গত দেড় বছরে বন্ধ হওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করতে নীতি, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং খাতের সমন্বয় জোরদার করা হবে। এর ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কর্মসংস্থান আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

আরিফ হোসেন খান আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য পণ্য মূল্য স্থিতিশীল রাখা অন্যতম অগ্রাধিকার। এ ছাড়াও, উচ্চ সুদের হার পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গভর্নর আরও বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ নিয়মবদ্ধ ও বৈষম্যহীন করার প্রয়োজন রয়েছে। কাজের গতি বাড়াতে ‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’ বা ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিজেদের দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আরও উন্নত করবেন। এই সমস্ত উদ্যোগ দেশের অর্থনীতিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

বাংলাদেশ ব্যাংক বন্ধ কারখানা চালু করতে সহায়তা দেবে: গভর্নর

প্রকাশিতঃ ০৩:৪৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক এগিয়ে চলেছে দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখে প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পথে। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বর্তমানে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প কারখানা পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার, নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর এ তথ্য তুলে ধরেন। তিনি সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সব ধরনের সমর্থন দেবে।

সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি অফিসের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন ডেপুটি গভর্নর ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর সংক্ষিপ্তভাবে বললেন, ‘আগে কাজ, পরে কথা’। এরপর তিনি ডেপুটি গভর্নর ও নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং পরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দপ্তরে যান।

বৈঠক শেষে মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, অর্থনীতিকে নতুন দিশা দিতে নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে, যাতে প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বেশি হয়। সুদহার নিয়ন্ত্রণের উপরে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে ব্যবসায়ের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বেশ কিছু সময় আগে থেকে চলমান স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য বেশ কিছু প্রচেষ্টা গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। নতুন গভর্নর উল্লেখ করেন, গত দেড় বছরে বন্ধ হওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করতে নীতি, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং খাতের সমন্বয় জোরদার করা হবে। এর ফলে উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কর্মসংস্থান আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

আরিফ হোসেন খান আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য পণ্য মূল্য স্থিতিশীল রাখা অন্যতম অগ্রাধিকার। এ ছাড়াও, উচ্চ সুদের হার পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গভর্নর আরও বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ নিয়মবদ্ধ ও বৈষম্যহীন করার প্রয়োজন রয়েছে। কাজের গতি বাড়াতে ‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’ বা ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ চালু করা হবে, যার মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিজেদের দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আরও উন্নত করবেন। এই সমস্ত উদ্যোগ দেশের অর্থনীতিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।