০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

হাওরের বাঁধে অনিয়ম রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী

সুনামগঞ্জ: হাওরের ফসল রক্ষায় থাকা বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে — এমন কথা বলেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, এই প্রকল্প সরাসরি পানি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে এবং বাঁধ নির্মাণ সম্পূর্ণভাবে স্বচ্ছ, দুর্নীতি-মুক্ত রাখতে সরকার কড়াকড়ি নজরদারি করবে।

মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, অতীতে হাওরের বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যতে এমন অবস্থা যাতে না ঘটে সেজন্য বিষয়টিকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে নেওয়া হচ্ছে। খাল ও নদী খনন ও বাঁধ নির্মাণকে তিনি অত্যন্ত দায়িত্বশীল কাজ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, এসব প্রকল্পে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনৈতিকতা বরদাশত করা হবে না এবং সরকারের পক্ষ থেকে কাজগুলো কঠোরভাবে মনিটর করা হবে।

এই মন্তব্যগুলো তিনি শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় চন্দ্র সোনার তাল হাওর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি হাওরের বাঁধ পরিদর্শনে এসেছেন এবং সরকার সার্বক্ষণিকভাবে এ অঞ্চলের কৃষক ও স্থানীয় মানুষের কল্যাণ ও নিরাপত্তার খোঁজ রাখছে।

পরিদর্শনকালে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ কামরুজ্জামান কামরুল, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ কয়ছর আহমদ, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ কলিম উদ্দিন মিলনসহ সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার ও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রীর এই ঘোষণায় স্থানীয় কৃষক ও প্রশাসনের কাছে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও দ্রুত গতির সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা জাগিয়েছে। সরকার বলছে, হাওরের সংস্কার ও বাঁধ নির্মাণকে যদি নির্ভরযোগ্যভাবে সম্পন্ন করা যায় তবে এলাকার কৃষিজীবী ও বাসিন্দারা দীর্ঘ মেয়াদে বড় সুবিধা পাবেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

হাওরের বাঁধে অনিয়ম রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ১১:৩৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুনামগঞ্জ: হাওরের ফসল রক্ষায় থাকা বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে — এমন কথা বলেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, এই প্রকল্প সরাসরি পানি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে এবং বাঁধ নির্মাণ সম্পূর্ণভাবে স্বচ্ছ, দুর্নীতি-মুক্ত রাখতে সরকার কড়াকড়ি নজরদারি করবে।

মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, অতীতে হাওরের বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যতে এমন অবস্থা যাতে না ঘটে সেজন্য বিষয়টিকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে নেওয়া হচ্ছে। খাল ও নদী খনন ও বাঁধ নির্মাণকে তিনি অত্যন্ত দায়িত্বশীল কাজ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, এসব প্রকল্পে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনৈতিকতা বরদাশত করা হবে না এবং সরকারের পক্ষ থেকে কাজগুলো কঠোরভাবে মনিটর করা হবে।

এই মন্তব্যগুলো তিনি শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় চন্দ্র সোনার তাল হাওর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি হাওরের বাঁধ পরিদর্শনে এসেছেন এবং সরকার সার্বক্ষণিকভাবে এ অঞ্চলের কৃষক ও স্থানীয় মানুষের কল্যাণ ও নিরাপত্তার খোঁজ রাখছে।

পরিদর্শনকালে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ কামরুজ্জামান কামরুল, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ কয়ছর আহমদ, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ কলিম উদ্দিন মিলনসহ সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার ও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রীর এই ঘোষণায় স্থানীয় কৃষক ও প্রশাসনের কাছে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও দ্রুত গতির সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা জাগিয়েছে। সরকার বলছে, হাওরের সংস্কার ও বাঁধ নির্মাণকে যদি নির্ভরযোগ্যভাবে সম্পন্ন করা যায় তবে এলাকার কৃষিজীবী ও বাসিন্দারা দীর্ঘ মেয়াদে বড় সুবিধা পাবেন।