০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

হাওরের বাঁধে অনিয়ম রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী

সুনামগঞ্জ: হাওরের ফসল রক্ষায় থাকা বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে — এমন কথা বলেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, এই প্রকল্প সরাসরি পানি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে এবং বাঁধ নির্মাণ সম্পূর্ণভাবে স্বচ্ছ, দুর্নীতি-মুক্ত রাখতে সরকার কড়াকড়ি নজরদারি করবে।

মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, অতীতে হাওরের বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যতে এমন অবস্থা যাতে না ঘটে সেজন্য বিষয়টিকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে নেওয়া হচ্ছে। খাল ও নদী খনন ও বাঁধ নির্মাণকে তিনি অত্যন্ত দায়িত্বশীল কাজ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, এসব প্রকল্পে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনৈতিকতা বরদাশত করা হবে না এবং সরকারের পক্ষ থেকে কাজগুলো কঠোরভাবে মনিটর করা হবে।

এই মন্তব্যগুলো তিনি শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় চন্দ্র সোনার তাল হাওর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি হাওরের বাঁধ পরিদর্শনে এসেছেন এবং সরকার সার্বক্ষণিকভাবে এ অঞ্চলের কৃষক ও স্থানীয় মানুষের কল্যাণ ও নিরাপত্তার খোঁজ রাখছে।

পরিদর্শনকালে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ কামরুজ্জামান কামরুল, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ কয়ছর আহমদ, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ কলিম উদ্দিন মিলনসহ সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার ও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রীর এই ঘোষণায় স্থানীয় কৃষক ও প্রশাসনের কাছে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও দ্রুত গতির সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা জাগিয়েছে। সরকার বলছে, হাওরের সংস্কার ও বাঁধ নির্মাণকে যদি নির্ভরযোগ্যভাবে সম্পন্ন করা যায় তবে এলাকার কৃষিজীবী ও বাসিন্দারা দীর্ঘ মেয়াদে বড় সুবিধা পাবেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

হাওরের বাঁধে অনিয়ম রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ১১:৩৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সুনামগঞ্জ: হাওরের ফসল রক্ষায় থাকা বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে — এমন কথা বলেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেছেন, এই প্রকল্প সরাসরি পানি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে এবং বাঁধ নির্মাণ সম্পূর্ণভাবে স্বচ্ছ, দুর্নীতি-মুক্ত রাখতে সরকার কড়াকড়ি নজরদারি করবে।

মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, অতীতে হাওরের বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যতে এমন অবস্থা যাতে না ঘটে সেজন্য বিষয়টিকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে নেওয়া হচ্ছে। খাল ও নদী খনন ও বাঁধ নির্মাণকে তিনি অত্যন্ত দায়িত্বশীল কাজ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, এসব প্রকল্পে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনৈতিকতা বরদাশত করা হবে না এবং সরকারের পক্ষ থেকে কাজগুলো কঠোরভাবে মনিটর করা হবে।

এই মন্তব্যগুলো তিনি শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় চন্দ্র সোনার তাল হাওর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি হাওরের বাঁধ পরিদর্শনে এসেছেন এবং সরকার সার্বক্ষণিকভাবে এ অঞ্চলের কৃষক ও স্থানীয় মানুষের কল্যাণ ও নিরাপত্তার খোঁজ রাখছে।

পরিদর্শনকালে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ কামরুজ্জামান কামরুল, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ কয়ছর আহমদ, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুল, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ কলিম উদ্দিন মিলনসহ সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার ও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রীর এই ঘোষণায় স্থানীয় কৃষক ও প্রশাসনের কাছে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও দ্রুত গতির সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা জাগিয়েছে। সরকার বলছে, হাওরের সংস্কার ও বাঁধ নির্মাণকে যদি নির্ভরযোগ্যভাবে সম্পন্ন করা যায় তবে এলাকার কৃষিজীবী ও বাসিন্দারা দীর্ঘ মেয়াদে বড় সুবিধা পাবেন।