০১:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসবাদী স্পনসর আফগানিস্তান: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

আফগানিস্তানকে বিশ্বের সকল সন্ত্রাসবাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে অভিহিত করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি বলেন, এই দেশটি প্রক্সি গ্রুপের মাধ্যমে বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনকে সহায়তা দেয় এবং আন্তর্জাতিক শান্তির জন্য বড় আশঙ্কা তৈরি করছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের নিরাপত্তা ও সামরিক বাহিনী সীমান্তে তালেবান সরকারের দ্বারা পরিচালিত নানা প্রক্সি গ্রুপের তৎপরতা ও তাদের অনুপ্রেরণায় হামলার ঘটনা বেড়ে গেছে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এক টুইটার পোস্টে খাজা আসিফ এ বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন, তালেবান সরকার পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিতে জড়িত এবং ভারতের বিভিন্ন প্রক্সি গ্রুপকে সমর্থন দিয়ে নাশকতা ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিচ্ছে।

গত রোববার পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী নানগারহার ও পাকতিকা প্রদেশে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসলামাবাদ দাবি করেছে, এই অভিযানে কমপক্ষে ৮০ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, কাবুলের বরাতে বলা হয়েছে, নিহতের সংখ্যা ১৮। এই হামলার পরে আফগান সেনারা পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় পাল্টা আক্রমণ চালায়। আফগান পক্ষের দাবি, এই সংঘর্ষে তাদের দখলে চলে গেছে পাকিস্তানের ৫৫ জন সেনা। তবে পাকিস্তানের সরকার 공식ভাবে একজনও সেনা মৃত্যুর খবর দেয়নি।

খাজা আসিফ এক কথায় বলেছেন, “তালেবান সরকার পৃথিবীর সব ধরনের সন্ত্রাসবাদে সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা করে নতুন করে শান্তি বিনষ্ট করছে। তারা ভারতের প্রভাবশালী প্রক্সি গ্রুপগুলোর যোগসাজশে পাকিস্তানে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।” তিনি মনে করেন, এই পরিস্থিতি এখন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্ত নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থির হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে গেছে, যা অঞ্চলের শান্তি ও স্থায়িত্বের জন্য খুবই উদ্বেগজনক।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসবাদী স্পনসর আফগানিস্তান: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ০৪:৫৭:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আফগানিস্তানকে বিশ্বের সকল সন্ত্রাসবাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে অভিহিত করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি বলেন, এই দেশটি প্রক্সি গ্রুপের মাধ্যমে বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনকে সহায়তা দেয় এবং আন্তর্জাতিক শান্তির জন্য বড় আশঙ্কা তৈরি করছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের নিরাপত্তা ও সামরিক বাহিনী সীমান্তে তালেবান সরকারের দ্বারা পরিচালিত নানা প্রক্সি গ্রুপের তৎপরতা ও তাদের অনুপ্রেরণায় হামলার ঘটনা বেড়ে গেছে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এক টুইটার পোস্টে খাজা আসিফ এ বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন, তালেবান সরকার পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিতে জড়িত এবং ভারতের বিভিন্ন প্রক্সি গ্রুপকে সমর্থন দিয়ে নাশকতা ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিচ্ছে।

গত রোববার পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী নানগারহার ও পাকতিকা প্রদেশে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসলামাবাদ দাবি করেছে, এই অভিযানে কমপক্ষে ৮০ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, কাবুলের বরাতে বলা হয়েছে, নিহতের সংখ্যা ১৮। এই হামলার পরে আফগান সেনারা পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় পাল্টা আক্রমণ চালায়। আফগান পক্ষের দাবি, এই সংঘর্ষে তাদের দখলে চলে গেছে পাকিস্তানের ৫৫ জন সেনা। তবে পাকিস্তানের সরকার 공식ভাবে একজনও সেনা মৃত্যুর খবর দেয়নি।

খাজা আসিফ এক কথায় বলেছেন, “তালেবান সরকার পৃথিবীর সব ধরনের সন্ত্রাসবাদে সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা করে নতুন করে শান্তি বিনষ্ট করছে। তারা ভারতের প্রভাবশালী প্রক্সি গ্রুপগুলোর যোগসাজশে পাকিস্তানে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।” তিনি মনে করেন, এই পরিস্থিতি এখন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্ত নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থির হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে গেছে, যা অঞ্চলের শান্তি ও স্থায়িত্বের জন্য খুবই উদ্বেগজনক।