০৬:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসবাদী স্পনসর আফগানিস্তান: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

আফগানিস্তানকে বিশ্বের সকল সন্ত্রাসবাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে অভিহিত করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি বলেন, এই দেশটি প্রক্সি গ্রুপের মাধ্যমে বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনকে সহায়তা দেয় এবং আন্তর্জাতিক শান্তির জন্য বড় আশঙ্কা তৈরি করছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের নিরাপত্তা ও সামরিক বাহিনী সীমান্তে তালেবান সরকারের দ্বারা পরিচালিত নানা প্রক্সি গ্রুপের তৎপরতা ও তাদের অনুপ্রেরণায় হামলার ঘটনা বেড়ে গেছে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এক টুইটার পোস্টে খাজা আসিফ এ বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন, তালেবান সরকার পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিতে জড়িত এবং ভারতের বিভিন্ন প্রক্সি গ্রুপকে সমর্থন দিয়ে নাশকতা ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিচ্ছে।

গত রোববার পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী নানগারহার ও পাকতিকা প্রদেশে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসলামাবাদ দাবি করেছে, এই অভিযানে কমপক্ষে ৮০ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, কাবুলের বরাতে বলা হয়েছে, নিহতের সংখ্যা ১৮। এই হামলার পরে আফগান সেনারা পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় পাল্টা আক্রমণ চালায়। আফগান পক্ষের দাবি, এই সংঘর্ষে তাদের দখলে চলে গেছে পাকিস্তানের ৫৫ জন সেনা। তবে পাকিস্তানের সরকার 공식ভাবে একজনও সেনা মৃত্যুর খবর দেয়নি।

খাজা আসিফ এক কথায় বলেছেন, “তালেবান সরকার পৃথিবীর সব ধরনের সন্ত্রাসবাদে সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা করে নতুন করে শান্তি বিনষ্ট করছে। তারা ভারতের প্রভাবশালী প্রক্সি গ্রুপগুলোর যোগসাজশে পাকিস্তানে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।” তিনি মনে করেন, এই পরিস্থিতি এখন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্ত নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থির হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে গেছে, যা অঞ্চলের শান্তি ও স্থায়িত্বের জন্য খুবই উদ্বেগজনক।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসবাদী স্পনসর আফগানিস্তান: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ০৪:৫৭:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আফগানিস্তানকে বিশ্বের সকল সন্ত্রাসবাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে অভিহিত করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি বলেন, এই দেশটি প্রক্সি গ্রুপের মাধ্যমে বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনকে সহায়তা দেয় এবং আন্তর্জাতিক শান্তির জন্য বড় আশঙ্কা তৈরি করছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের নিরাপত্তা ও সামরিক বাহিনী সীমান্তে তালেবান সরকারের দ্বারা পরিচালিত নানা প্রক্সি গ্রুপের তৎপরতা ও তাদের অনুপ্রেরণায় হামলার ঘটনা বেড়ে গেছে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এক টুইটার পোস্টে খাজা আসিফ এ বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন, তালেবান সরকার পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিতে জড়িত এবং ভারতের বিভিন্ন প্রক্সি গ্রুপকে সমর্থন দিয়ে নাশকতা ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিচ্ছে।

গত রোববার পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী নানগারহার ও পাকতিকা প্রদেশে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসলামাবাদ দাবি করেছে, এই অভিযানে কমপক্ষে ৮০ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, কাবুলের বরাতে বলা হয়েছে, নিহতের সংখ্যা ১৮। এই হামলার পরে আফগান সেনারা পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় পাল্টা আক্রমণ চালায়। আফগান পক্ষের দাবি, এই সংঘর্ষে তাদের দখলে চলে গেছে পাকিস্তানের ৫৫ জন সেনা। তবে পাকিস্তানের সরকার 공식ভাবে একজনও সেনা মৃত্যুর খবর দেয়নি।

খাজা আসিফ এক কথায় বলেছেন, “তালেবান সরকার পৃথিবীর সব ধরনের সন্ত্রাসবাদে সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা করে নতুন করে শান্তি বিনষ্ট করছে। তারা ভারতের প্রভাবশালী প্রক্সি গ্রুপগুলোর যোগসাজশে পাকিস্তানে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।” তিনি মনে করেন, এই পরিস্থিতি এখন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্ত নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থির হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে গেছে, যা অঞ্চলের শান্তি ও স্থায়িত্বের জন্য খুবই উদ্বেগজনক।