১০:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পুলিশ হত্যাকাণ্ডে তদন্ত সম্পন্ন, প্রয়োজনে পুনরায় হবে — স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকার জোর দিচ্ছে: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছেন: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা বাংলাদেশের নিন্দা ইসরায়েলের ভূমি দখলে উদ্যোগের পুলিশের মহাপরিদর্শক কঠোর বার্তা দিলেন মব কালচার দমন নিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি প্রার্থী ড. খলিলুর রহমান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বাংলাদেশ সফরের ইচ্ছা প্রকাশ শাহবাজ শরিফ ঢাকায় সফর করতে চান মব কালচারে কঠোর ব্যবস্থা: আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রী তার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসবাদী স্পনসর আফগানিস্তান: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

আফগানিস্তানকে বিশ্বের সকল সন্ত্রাসবাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে অভিহিত করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি বলেন, এই দেশটি প্রক্সি গ্রুপের মাধ্যমে বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনকে সহায়তা দেয় এবং আন্তর্জাতিক শান্তির জন্য বড় আশঙ্কা তৈরি করছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের নিরাপত্তা ও সামরিক বাহিনী সীমান্তে তালেবান সরকারের দ্বারা পরিচালিত নানা প্রক্সি গ্রুপের তৎপরতা ও তাদের অনুপ্রেরণায় হামলার ঘটনা বেড়ে গেছে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এক টুইটার পোস্টে খাজা আসিফ এ বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন, তালেবান সরকার পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিতে জড়িত এবং ভারতের বিভিন্ন প্রক্সি গ্রুপকে সমর্থন দিয়ে নাশকতা ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিচ্ছে।

গত রোববার পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী নানগারহার ও পাকতিকা প্রদেশে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসলামাবাদ দাবি করেছে, এই অভিযানে কমপক্ষে ৮০ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, কাবুলের বরাতে বলা হয়েছে, নিহতের সংখ্যা ১৮। এই হামলার পরে আফগান সেনারা পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় পাল্টা আক্রমণ চালায়। আফগান পক্ষের দাবি, এই সংঘর্ষে তাদের দখলে চলে গেছে পাকিস্তানের ৫৫ জন সেনা। তবে পাকিস্তানের সরকার 공식ভাবে একজনও সেনা মৃত্যুর খবর দেয়নি।

খাজা আসিফ এক কথায় বলেছেন, “তালেবান সরকার পৃথিবীর সব ধরনের সন্ত্রাসবাদে সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা করে নতুন করে শান্তি বিনষ্ট করছে। তারা ভারতের প্রভাবশালী প্রক্সি গ্রুপগুলোর যোগসাজশে পাকিস্তানে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।” তিনি মনে করেন, এই পরিস্থিতি এখন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্ত নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থির হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে গেছে, যা অঞ্চলের শান্তি ও স্থায়িত্বের জন্য খুবই উদ্বেগজনক।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সরকার জোর দিচ্ছে: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসবাদী স্পনসর আফগানিস্তান: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ০৪:৫৭:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আফগানিস্তানকে বিশ্বের সকল সন্ত্রাসবাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে অভিহিত করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ। তিনি বলেন, এই দেশটি প্রক্সি গ্রুপের মাধ্যমে বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনকে সহায়তা দেয় এবং আন্তর্জাতিক শান্তির জন্য বড় আশঙ্কা তৈরি করছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের নিরাপত্তা ও সামরিক বাহিনী সীমান্তে তালেবান সরকারের দ্বারা পরিচালিত নানা প্রক্সি গ্রুপের তৎপরতা ও তাদের অনুপ্রেরণায় হামলার ঘটনা বেড়ে গেছে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এক টুইটার পোস্টে খাজা আসিফ এ বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন, তালেবান সরকার পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিতে জড়িত এবং ভারতের বিভিন্ন প্রক্সি গ্রুপকে সমর্থন দিয়ে নাশকতা ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিচ্ছে।

গত রোববার পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী নানগারহার ও পাকতিকা প্রদেশে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসলামাবাদ দাবি করেছে, এই অভিযানে কমপক্ষে ৮০ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, কাবুলের বরাতে বলা হয়েছে, নিহতের সংখ্যা ১৮। এই হামলার পরে আফগান সেনারা পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় পাল্টা আক্রমণ চালায়। আফগান পক্ষের দাবি, এই সংঘর্ষে তাদের দখলে চলে গেছে পাকিস্তানের ৫৫ জন সেনা। তবে পাকিস্তানের সরকার 공식ভাবে একজনও সেনা মৃত্যুর খবর দেয়নি।

খাজা আসিফ এক কথায় বলেছেন, “তালেবান সরকার পৃথিবীর সব ধরনের সন্ত্রাসবাদে সমর্থন ও পৃষ্ঠপোষকতা করে নতুন করে শান্তি বিনষ্ট করছে। তারা ভারতের প্রভাবশালী প্রক্সি গ্রুপগুলোর যোগসাজশে পাকিস্তানে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।” তিনি মনে করেন, এই পরিস্থিতি এখন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সরাসরি যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্ত নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও অস্থির হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে গেছে, যা অঞ্চলের শান্তি ও স্থায়িত্বের জন্য খুবই উদ্বেগজনক।