০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মচারী এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এই جلسه অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল ব্যক্তি, যেমন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান এবং মাহদী আমিন। সভার শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। এরপর কার্যালয়ের গঠন ও কার্যক্রমের বিস্তারিত পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে তিনি বলেন, বাংলাদেশি জনগণের প্রত্যাশা অনেক উচ্চ, সেই প্রত্যাশা পূরণে আমাদের আপোষহীন কাজ করতে হবে। তিনি 강조 করে বলেন, দেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও স্বার্থসংরক্ষণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গুরুত্ব বহন করে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বাংলাদেশকে আমি প্রথম ও শেষ ঠিকানা হিসেবে মনে করি এবং দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।” তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মাথায় থাকে একটি মেনিফেস্টো। তাঁর কথায়, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মেনিফেস্টো বাস্তবায়নে জনগণ রায় দিয়েছেন। তাই এই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।” প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারী শিক্ষার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ক্রীড়া বিষয়ক সরকারের ঘোষিত অন্যান্য এজেন্ডা বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের সহযোগিতা চান। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দেশের মানুষ যেন নিরাপদে থাকেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সবাই একসঙ্গে কাজ করলে আমরা লক্ষ্য অর্জনে সফল হব।” তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রশাসনের পূর্ণ সমর্থন প্রত্যাশা করেন এবং দেশের স্বার্থে গোপনীয়তা রক্ষা ও সরকারি নিয়মনীতি কঠোরভাবে অনুসরণের গুরুত্বপূর্ণ উপর জোর দেন। দেশের মানুষকে সুশৃঙ্খল পথে পরিচালিত করতে সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে সবাই মিলে একসাথে কাজ করলে দেশের উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মচারী এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এই جلسه অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল ব্যক্তি, যেমন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান এবং মাহদী আমিন। সভার শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। এরপর কার্যালয়ের গঠন ও কার্যক্রমের বিস্তারিত পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে তিনি বলেন, বাংলাদেশি জনগণের প্রত্যাশা অনেক উচ্চ, সেই প্রত্যাশা পূরণে আমাদের আপোষহীন কাজ করতে হবে। তিনি 강조 করে বলেন, দেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও স্বার্থসংরক্ষণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গুরুত্ব বহন করে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বাংলাদেশকে আমি প্রথম ও শেষ ঠিকানা হিসেবে মনে করি এবং দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।” তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মাথায় থাকে একটি মেনিফেস্টো। তাঁর কথায়, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মেনিফেস্টো বাস্তবায়নে জনগণ রায় দিয়েছেন। তাই এই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।” প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারী শিক্ষার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ক্রীড়া বিষয়ক সরকারের ঘোষিত অন্যান্য এজেন্ডা বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের সহযোগিতা চান। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দেশের মানুষ যেন নিরাপদে থাকেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সবাই একসঙ্গে কাজ করলে আমরা লক্ষ্য অর্জনে সফল হব।” তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রশাসনের পূর্ণ সমর্থন প্রত্যাশা করেন এবং দেশের স্বার্থে গোপনীয়তা রক্ষা ও সরকারি নিয়মনীতি কঠোরভাবে অনুসরণের গুরুত্বপূর্ণ উপর জোর দেন। দেশের মানুষকে সুশৃঙ্খল পথে পরিচালিত করতে সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে সবাই মিলে একসাথে কাজ করলে দেশের উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে।