০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী ছুটির দিনেও অফিসে সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মচারী এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এই جلسه অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল ব্যক্তি, যেমন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান এবং মাহদী আমিন। সভার শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। এরপর কার্যালয়ের গঠন ও কার্যক্রমের বিস্তারিত পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে তিনি বলেন, বাংলাদেশি জনগণের প্রত্যাশা অনেক উচ্চ, সেই প্রত্যাশা পূরণে আমাদের আপোষহীন কাজ করতে হবে। তিনি 강조 করে বলেন, দেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও স্বার্থসংরক্ষণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গুরুত্ব বহন করে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বাংলাদেশকে আমি প্রথম ও শেষ ঠিকানা হিসেবে মনে করি এবং দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।” তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মাথায় থাকে একটি মেনিফেস্টো। তাঁর কথায়, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মেনিফেস্টো বাস্তবায়নে জনগণ রায় দিয়েছেন। তাই এই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।” প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারী শিক্ষার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ক্রীড়া বিষয়ক সরকারের ঘোষিত অন্যান্য এজেন্ডা বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের সহযোগিতা চান। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দেশের মানুষ যেন নিরাপদে থাকেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সবাই একসঙ্গে কাজ করলে আমরা লক্ষ্য অর্জনে সফল হব।” তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রশাসনের পূর্ণ সমর্থন প্রত্যাশা করেন এবং দেশের স্বার্থে গোপনীয়তা রক্ষা ও সরকারি নিয়মনীতি কঠোরভাবে অনুসরণের গুরুত্বপূর্ণ উপর জোর দেন। দেশের মানুষকে সুশৃঙ্খল পথে পরিচালিত করতে সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে সবাই মিলে একসাথে কাজ করলে দেশের উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন

প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মচারী এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এই جلسه অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল ব্যক্তি, যেমন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান এবং মাহদী আমিন। সভার শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। এরপর কার্যালয়ের গঠন ও কার্যক্রমের বিস্তারিত পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে তিনি বলেন, বাংলাদেশি জনগণের প্রত্যাশা অনেক উচ্চ, সেই প্রত্যাশা পূরণে আমাদের আপোষহীন কাজ করতে হবে। তিনি 강조 করে বলেন, দেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও স্বার্থসংরক্ষণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গুরুত্ব বহন করে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বাংলাদেশকে আমি প্রথম ও শেষ ঠিকানা হিসেবে মনে করি এবং দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।” তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মাথায় থাকে একটি মেনিফেস্টো। তাঁর কথায়, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মেনিফেস্টো বাস্তবায়নে জনগণ রায় দিয়েছেন। তাই এই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।” প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারী শিক্ষার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ক্রীড়া বিষয়ক সরকারের ঘোষিত অন্যান্য এজেন্ডা বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের সহযোগিতা চান। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দেশের মানুষ যেন নিরাপদে থাকেন, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সবাই একসঙ্গে কাজ করলে আমরা লক্ষ্য অর্জনে সফল হব।” তিনি দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রশাসনের পূর্ণ সমর্থন প্রত্যাশা করেন এবং দেশের স্বার্থে গোপনীয়তা রক্ষা ও সরকারি নিয়মনীতি কঠোরভাবে অনুসরণের গুরুত্বপূর্ণ উপর জোর দেন। দেশের মানুষকে সুশৃঙ্খল পথে পরিচালিত করতে সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে সবাই মিলে একসাথে কাজ করলে দেশের উন্নয়ন আরও গতিশীল হবে।