১০:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিপিডি: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিদায়ী চুক্তি দেশের স্বার্থের পরিপন্থি হতে পারে ঈদযাত্রায় ভাড়া বাড়ালে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা: নৌপরিবহন মন্ত্রী ছুটির দিনেও অফিসে সময় কাটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়

২০২৬ বিশ্বকামে রেকর্ড প্রাইজমানি সত্ত্বেও ইউরোপীয় দলগুলোর অর্থনৈতিক ক্ষতির শঙ্কা

আসন্ন ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য বিশ্ব ফুটবল সংস্থা ফিফা ডিসেম্বর মাসে ঘোষণা করেছে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ পুরস্কার। এই আসরে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনের মাধ্যমে মোট ৭২৭ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে, যা ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। কিন্তু এ ব্যাপক অর্থ বরাদ্দের পরও ইউরোপীয় দেশগুলো এই আসরে অংশ নেওয়ার ফলে বিশাল আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকির মুখোমুখি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক মিডিয়া দ্য গার্ডিয়ান ও পিএমিডিয়া এক যৌথ অনুসন্ধানে জানা গেছে, আসরে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রত্যেক দেশের জন্য অর্থের পরিমাণ অনেকটাই বাড়েনি। বরং, বহুগুণে বেড়েছে আনুষঙ্গিক খরচ, যার জন্য অন্তত ১০টি ইউরোপীয় দেশ এই বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষতি এড়ানোর জন্য ফিফার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে আহ্বান জানিয়েছে।

প্রতিটি দল আগামী বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ৯ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ প্রস্তুতি খরচ হিসেবে ১.৫ মিলিয়ন ডলার পাবেন। অর্থাৎ, কোনও ম্যাচ না জিতলেও অন্তত ১০.৫ মিলিয়ন ডলার আয় হবে। এর আগে কাতার বিশ্বকাপে এই আয়ে ছিল একই রকম। তবে, এই বার ফিফা দলগুলোর জন্য দৈনিক ভাতার পরিমাণ থেকে ৮৫০ ডলার থেকে কমিয়ে ৬০০ ডলার নির্ধারণ করেছে। এর ফলে, সেমিফাইনালে খেললেও গত আসরের তুলনায় দলগুলো প্রায় পাঁচ লাখ ডলার আয় কম পাবে।

অতিরিক্তভাবে, মুদ্রার বিনিময় হারের তারতম্য ও বিভিন্ন দেশে বিশাল ভৌগোলিক বিস্তারজনিত কারণে, ডলারের বিপরীতে প্রকৃত পাওয়া অর্থও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই সঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে উচ্চ করের হার তাঁরা মানুষের খরচ বাড়িয়ে দিয়ে, দলগুলোর জন্য যাতায়াত ও আবাসনের খরচ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

ইউরোপের কিছু দেশের ফুটবল সংস্থাগুলি পূর্বাভাস করেছেন যে, এই ক্রমবর্ধমান খরচের চাপের কারণে টুর্নামেন্টে পাওয়া লাভের পরিমাণ কমে যাবে। এমনকি, গ্রুপপর্ব থেকে বাদ পড়া দেশগুলোকেও এই আসর শেষে বড় আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হতে হতে পারে। এটি পুরোপুরি একটি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই মনোযোগী।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন

২০২৬ বিশ্বকামে রেকর্ড প্রাইজমানি সত্ত্বেও ইউরোপীয় দলগুলোর অর্থনৈতিক ক্ষতির শঙ্কা

প্রকাশিতঃ ১১:৫৩:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য বিশ্ব ফুটবল সংস্থা ফিফা ডিসেম্বর মাসে ঘোষণা করেছে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ পুরস্কার। এই আসরে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনের মাধ্যমে মোট ৭২৭ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে, যা ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। কিন্তু এ ব্যাপক অর্থ বরাদ্দের পরও ইউরোপীয় দেশগুলো এই আসরে অংশ নেওয়ার ফলে বিশাল আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকির মুখোমুখি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক মিডিয়া দ্য গার্ডিয়ান ও পিএমিডিয়া এক যৌথ অনুসন্ধানে জানা গেছে, আসরে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রত্যেক দেশের জন্য অর্থের পরিমাণ অনেকটাই বাড়েনি। বরং, বহুগুণে বেড়েছে আনুষঙ্গিক খরচ, যার জন্য অন্তত ১০টি ইউরোপীয় দেশ এই বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষতি এড়ানোর জন্য ফিফার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে আহ্বান জানিয়েছে।

প্রতিটি দল আগামী বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ৯ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ প্রস্তুতি খরচ হিসেবে ১.৫ মিলিয়ন ডলার পাবেন। অর্থাৎ, কোনও ম্যাচ না জিতলেও অন্তত ১০.৫ মিলিয়ন ডলার আয় হবে। এর আগে কাতার বিশ্বকাপে এই আয়ে ছিল একই রকম। তবে, এই বার ফিফা দলগুলোর জন্য দৈনিক ভাতার পরিমাণ থেকে ৮৫০ ডলার থেকে কমিয়ে ৬০০ ডলার নির্ধারণ করেছে। এর ফলে, সেমিফাইনালে খেললেও গত আসরের তুলনায় দলগুলো প্রায় পাঁচ লাখ ডলার আয় কম পাবে।

অতিরিক্তভাবে, মুদ্রার বিনিময় হারের তারতম্য ও বিভিন্ন দেশে বিশাল ভৌগোলিক বিস্তারজনিত কারণে, ডলারের বিপরীতে প্রকৃত পাওয়া অর্থও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই সঙ্গে, যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে উচ্চ করের হার তাঁরা মানুষের খরচ বাড়িয়ে দিয়ে, দলগুলোর জন্য যাতায়াত ও আবাসনের খরচ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

ইউরোপের কিছু দেশের ফুটবল সংস্থাগুলি পূর্বাভাস করেছেন যে, এই ক্রমবর্ধমান খরচের চাপের কারণে টুর্নামেন্টে পাওয়া লাভের পরিমাণ কমে যাবে। এমনকি, গ্রুপপর্ব থেকে বাদ পড়া দেশগুলোকেও এই আসর শেষে বড় আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হতে হতে পারে। এটি পুরোপুরি একটি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই মনোযোগী।