০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

কুমিল্লায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ১২ সদস্য গ্রেপ্তার, লুটকরা স্বর্ণ-নগদ উদ্ধার

কুমিল্লার তিতাস ও দাউদকান্দি এলাকায় পৃথক দুটি ডাকাতির ঘটনায় জড়িত আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে লুট করা স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, দেশীয় অস্ত্র ও বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শামসুল আলম শাহ।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের যৌথ বিশেষ অভিযানে এসব অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তিতাস ও দাউদকান্দির বিভিন্ন এলাকায় র‍্যাব-ধাঁচের অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

তিতাস উপজেলার উজিরাকান্দি এলাকায় মোছা. নাছরিন আক্তারের বাড়িতে ডাকাত দল গেটের তালা ভাঙে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে মারধর করে নগদ ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর তিতাস থানায় দণ্ডবিধির ৩৯৫/৩৯৭ ধারায় মামলা (নং-১৪) করা হয়। একই কায়দায় কাকিয়াখালী এলাকায় মঞ্জুরা বেগমের বাড়িতেও ডাকাতির ঘটনা ঘটে এবং তিতাস থানায় আরও একটি মামলা (নং-১৫) দায়ের করা হয়।

মামলা দুটির অনুসন্ধানে ডিবি ও দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গোয়েন্দা দল। তৎপর তদন্ত ও অভিযানেই তিতাস ও দাউদকান্দির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন — জীবন মিয়া, দেলোয়ার হোসেন, আনোয়ার হোসেন, নাসির, আবু তাহের, জামাল কুদ্দুস, ওবাইদুল, হানিফ, সৌরভ হোসেন, জহির, মকবুল হোসেন ও কামাল। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, ফেনী, ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন থ‌ানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশিতে লুটকরা মালামালের মধ্যে একটি স্বর্ণের চেইন, তিনটি স্বর্ণের কানের দুল, রূপার নূপুর ও চেইন, সিটিগোল্ডের গহনা, ৩৭,২৪৭ টাকা নগদ, ১৩টি মোবাইল ফোন, দুটি সিএনজি চালিত যানবাহন, দেশীয় অস্ত্র (ছুরি, কাটার, শাবল, লোহার রড), বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দুধের প্যাকেট ও কৌটা, ডিজিটাল ক্যামেরা, রাউটার, টর্চলাইট, ব্লেন্ডার মেশিন, মুখোশ ও ট্রাভেল ব্যাগসহ নানা আলামত উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারদেরকে পরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ বলেছে, মামলার কড়া অনুসন্ধান ও গ্রেপ্তার অভিযান চলমান থাকবে এবং চক্রের সাথে জড়িত অন্য সদস্যদেরও ধরতে তৎপরতা অব্যাহত রাখা হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

কুমিল্লায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ১২ সদস্য গ্রেপ্তার, লুটকরা স্বর্ণ-নগদ উদ্ধার

প্রকাশিতঃ ০৮:২২:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লার তিতাস ও দাউদকান্দি এলাকায় পৃথক দুটি ডাকাতির ঘটনায় জড়িত আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে লুট করা স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, দেশীয় অস্ত্র ও বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শামসুল আলম শাহ।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের যৌথ বিশেষ অভিযানে এসব অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তিতাস ও দাউদকান্দির বিভিন্ন এলাকায় র‍্যাব-ধাঁচের অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

তিতাস উপজেলার উজিরাকান্দি এলাকায় মোছা. নাছরিন আক্তারের বাড়িতে ডাকাত দল গেটের তালা ভাঙে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে মারধর করে নগদ ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর তিতাস থানায় দণ্ডবিধির ৩৯৫/৩৯৭ ধারায় মামলা (নং-১৪) করা হয়। একই কায়দায় কাকিয়াখালী এলাকায় মঞ্জুরা বেগমের বাড়িতেও ডাকাতির ঘটনা ঘটে এবং তিতাস থানায় আরও একটি মামলা (নং-১৫) দায়ের করা হয়।

মামলা দুটির অনুসন্ধানে ডিবি ও দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গোয়েন্দা দল। তৎপর তদন্ত ও অভিযানেই তিতাস ও দাউদকান্দির বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন — জীবন মিয়া, দেলোয়ার হোসেন, আনোয়ার হোসেন, নাসির, আবু তাহের, জামাল কুদ্দুস, ওবাইদুল, হানিফ, সৌরভ হোসেন, জহির, মকবুল হোসেন ও কামাল। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, ফেনী, ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন থ‌ানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশিতে লুটকরা মালামালের মধ্যে একটি স্বর্ণের চেইন, তিনটি স্বর্ণের কানের দুল, রূপার নূপুর ও চেইন, সিটিগোল্ডের গহনা, ৩৭,২৪৭ টাকা নগদ, ১৩টি মোবাইল ফোন, দুটি সিএনজি চালিত যানবাহন, দেশীয় অস্ত্র (ছুরি, কাটার, শাবল, লোহার রড), বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দুধের প্যাকেট ও কৌটা, ডিজিটাল ক্যামেরা, রাউটার, টর্চলাইট, ব্লেন্ডার মেশিন, মুখোশ ও ট্রাভেল ব্যাগসহ নানা আলামত উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারদেরকে পরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ বলেছে, মামলার কড়া অনুসন্ধান ও গ্রেপ্তার অভিযান চলমান থাকবে এবং চক্রের সাথে জড়িত অন্য সদস্যদেরও ধরতে তৎপরতা অব্যাহত রাখা হবে।