১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জাতীয় সংসদের গ্যালারি সাত বীরশ্রেষ্ঠের নামে নামকরণ সংসদে প্রধানমন্ত্রী: মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থে আমরা এক গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া ফরিদা খানম ঢাকার নতুন ডিসি মালয়েশিয়ার গভীর জঙ্গল থেকে ২৭ বছর পর দেশে ফিরলেন শরীয়তপুরের আমির হোসেন ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

জ্বালানি দামের অপরিবর্তিত সিদ্ধান্তে আস্থা ফিরল; বড় পতনের পর শেয়ারবাজার চাঙ্গা

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উত্তেজনার ঢেউয়ে রবিবার বড় ধরনের পতনের পর মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দেশের শেয়ারবাজার শক্তভাবে ফিরে এসেছে। সোমবার লেনদেন শুরু হতেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) চোখে পড়ার মতো উত্থান দেখা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক অস্থিরতার মধ্যেও সরকার ফেব্রুয়ারি-মার্চ সময়ে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়ার ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে পুনরায় আস্থা ফিরে এসেছে, যা বাজারকে বড় পতন থেকে দ্রুত সামলে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে। একই সঙ্গে নতুন সরকার ও নীতি প্রণেতাদের পক্ষ থেকে আসা ইতিবাচক বার্তাও স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রেখেছে।

লেনদেনের প্রথম এক ঘন্টায় ডিএসইতে অংশগ্রহণকারী ৩৮৬টি সিকিউরিটিজের মধ্যে রেকর্ড ৩৪৫টির শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে; মাত্র ১৯টির দাম কমেছে এবং ২২টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। এই প্রগতিশীল ঝোঁকের ফলেই ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৭৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৫,৫৩৭ পয়েন্টে অবস্থান নেয়। একই সাথে ডিএসই শরিয়াহ ও ডিএসই-৩০ সূচক যথাক্রমে ১২ ও ২৩ পয়েন্ট বেড়েছে।

তবে উত্থানের মাঝেও লেনদেনের গতিতে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম এক ঘণ্টায় ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে প্রায় ২১৫ কোটি টাকা, যেখানে আগের দিন একই সময়ে লেনদেন ছিল প্রায় ৩৫১ কোটি টাকা। বিশ্লেষকরা বলছেন, দামের ঊর্ধ্বগতি থাকলেও অনেক বিনিয়োগকারী এখনও বাজার পর্যবেক্ষণে থাকায় লেনদেনের পরিমাণ কম রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকরা মনে করেন, শেয়ারবাজার অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় বিশ্বের যেকোনো কোণে উত্তেজনা শুরু হলে তার প্রভাব দ্রুত here পড়ে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে দেখা অস্থিরতার মতো বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের সংকটও প্রাথমিকভাবে বাজারকে ঝড়ঝাপটায় ফেলেছিল। কিন্তু সরকারের জ্বালানি নীতি ও প্রশাসনিক অবস্থান বিনিয়োগকারীদের মনোবল ফিরিয়ে এনে বিপুল পতনের আশঙ্কা থেকে বাজারকে কয়েকধাপ উপরে নিয়ে এসেছে।

বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা, যদি এই ইতিবাচক প্রবণতা বজায় থাকে এবং বাজারে আস্থা ধীরে ধীরে দৃঢ় হয়, তাহলে বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী গত দিনের বড় লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবেন। সংক্ষেপে, নীতিগত স্থিরতা বাজারকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংসদে প্রধানমন্ত্রী: মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থে আমরা এক

জ্বালানি দামের অপরিবর্তিত সিদ্ধান্তে আস্থা ফিরল; বড় পতনের পর শেয়ারবাজার চাঙ্গা

প্রকাশিতঃ ০৮:২৪:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উত্তেজনার ঢেউয়ে রবিবার বড় ধরনের পতনের পর মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দেশের শেয়ারবাজার শক্তভাবে ফিরে এসেছে। সোমবার লেনদেন শুরু হতেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) চোখে পড়ার মতো উত্থান দেখা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক অস্থিরতার মধ্যেও সরকার ফেব্রুয়ারি-মার্চ সময়ে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়ার ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে পুনরায় আস্থা ফিরে এসেছে, যা বাজারকে বড় পতন থেকে দ্রুত সামলে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে। একই সঙ্গে নতুন সরকার ও নীতি প্রণেতাদের পক্ষ থেকে আসা ইতিবাচক বার্তাও স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রেখেছে।

লেনদেনের প্রথম এক ঘন্টায় ডিএসইতে অংশগ্রহণকারী ৩৮৬টি সিকিউরিটিজের মধ্যে রেকর্ড ৩৪৫টির শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে; মাত্র ১৯টির দাম কমেছে এবং ২২টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। এই প্রগতিশীল ঝোঁকের ফলেই ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৭৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৫,৫৩৭ পয়েন্টে অবস্থান নেয়। একই সাথে ডিএসই শরিয়াহ ও ডিএসই-৩০ সূচক যথাক্রমে ১২ ও ২৩ পয়েন্ট বেড়েছে।

তবে উত্থানের মাঝেও লেনদেনের গতিতে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। প্রথম এক ঘণ্টায় ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে প্রায় ২১৫ কোটি টাকা, যেখানে আগের দিন একই সময়ে লেনদেন ছিল প্রায় ৩৫১ কোটি টাকা। বিশ্লেষকরা বলছেন, দামের ঊর্ধ্বগতি থাকলেও অনেক বিনিয়োগকারী এখনও বাজার পর্যবেক্ষণে থাকায় লেনদেনের পরিমাণ কম রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকরা মনে করেন, শেয়ারবাজার অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় বিশ্বের যেকোনো কোণে উত্তেজনা শুরু হলে তার প্রভাব দ্রুত here পড়ে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে দেখা অস্থিরতার মতো বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের সংকটও প্রাথমিকভাবে বাজারকে ঝড়ঝাপটায় ফেলেছিল। কিন্তু সরকারের জ্বালানি নীতি ও প্রশাসনিক অবস্থান বিনিয়োগকারীদের মনোবল ফিরিয়ে এনে বিপুল পতনের আশঙ্কা থেকে বাজারকে কয়েকধাপ উপরে নিয়ে এসেছে।

বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা, যদি এই ইতিবাচক প্রবণতা বজায় থাকে এবং বাজারে আস্থা ধীরে ধীরে দৃঢ় হয়, তাহলে বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী গত দিনের বড় লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবেন। সংক্ষেপে, নীতিগত স্থিরতা বাজারকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।