০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

বিএটিবিসির বার্ষিক মুনাফা প্রায় তিনগুণ কমে গেছে

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটিবিসি) কোম্পানি লিমিটেডের ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত হিসাব বছরে বার্ষিক মুনাফা প্রায় তিনগুণ কমে গেছে। ব্যবসায় মন্দার মধ্যেই কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা সম্প্রতি প্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য থেকে জানা গেছে।

শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি গ্রহণের জন্য কোম্পানি আগামী ৩০ এপ্রিল বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে এবং এজিএমের রেকর্ড ডেট ১ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সভায় ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।

আর্থিক প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সর্বশেষ বছরে বিএটিবিসির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১০ টাকা ৮১ পয়সা পর্যন্ত নেমে এসেছে, যা আগের বছরের ৩২ টাকা ৪২ পয়সার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০২ টাকা ৫০ পয়সায়। ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কোম্পানিটির ১৫ বছরের ইতিহাস বিবেচনায় এ বছরই সর্বনিম্ন লভ্যাংশ ঘোষণা করা হলো।

তুলনামূলকভাবে দেখতে গেলে, ২০২৪ সালে বিএটিবিসি মোট ৩০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল—১৫০ শতাংশ অন্তর্বর্তী ও ১৫০ শতাংশ চূড়ান্ত—যখন তাদের শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৩২ টাকা ৪২ পয়সা। এর আগের দুই বছর (২০২৩ ও ২০২২) কোম্পানিটি প্রতিবারই ১০০ শতাংশ হারে চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ প্রদান করেছিল।

ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল) বিএটিবিসিকে দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’ রেটিং দিয়েছে। কোম্পানিটির বর্তমানে পরিশোধিত মূলধন ৫৪০ কোটি টাকা এবং মোট শেয়ারের মধ্যে ৭২.৯১ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশ রয়েছে ৮.৭৯ শতাংশ, বাকি শেয়ারগুলো সরকার, প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিভক্ত।

এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারারা এজিএমে ঘোষিত লভ্যাংশ ও আর্থিক প্রতিবেদনের ব্যাখ্যা প্রত্যাশা করবেন, যা ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ও আর্থিক প্রত্যাশা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

বিএটিবিসির বার্ষিক মুনাফা প্রায় তিনগুণ কমে গেছে

প্রকাশিতঃ ১১:৩৮:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটিবিসি) কোম্পানি লিমিটেডের ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত হিসাব বছরে বার্ষিক মুনাফা প্রায় তিনগুণ কমে গেছে। ব্যবসায় মন্দার মধ্যেই কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা সম্প্রতি প্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য থেকে জানা গেছে।

শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি গ্রহণের জন্য কোম্পানি আগামী ৩০ এপ্রিল বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে এবং এজিএমের রেকর্ড ডেট ১ এপ্রিল নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সভায় ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।

আর্থিক প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সর্বশেষ বছরে বিএটিবিসির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ১০ টাকা ৮১ পয়সা পর্যন্ত নেমে এসেছে, যা আগের বছরের ৩২ টাকা ৪২ পয়সার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১০২ টাকা ৫০ পয়সায়। ২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কোম্পানিটির ১৫ বছরের ইতিহাস বিবেচনায় এ বছরই সর্বনিম্ন লভ্যাংশ ঘোষণা করা হলো।

তুলনামূলকভাবে দেখতে গেলে, ২০২৪ সালে বিএটিবিসি মোট ৩০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল—১৫০ শতাংশ অন্তর্বর্তী ও ১৫০ শতাংশ চূড়ান্ত—যখন তাদের শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৩২ টাকা ৪২ পয়সা। এর আগের দুই বছর (২০২৩ ও ২০২২) কোম্পানিটি প্রতিবারই ১০০ শতাংশ হারে চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ প্রদান করেছিল।

ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল) বিএটিবিসিকে দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-ওয়ান’ রেটিং দিয়েছে। কোম্পানিটির বর্তমানে পরিশোধিত মূলধন ৫৪০ কোটি টাকা এবং মোট শেয়ারের মধ্যে ৭২.৯১ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশ রয়েছে ৮.৭৯ শতাংশ, বাকি শেয়ারগুলো সরকার, প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিভক্ত।

এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারারা এজিএমে ঘোষিত লভ্যাংশ ও আর্থিক প্রতিবেদনের ব্যাখ্যা প্রত্যাশা করবেন, যা ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ও আর্থিক প্রত্যাশা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।