১১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারীদের তালিকা করে শিগগিরই সারাদেশে অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের উদ্বেগ বাড়ছে: সংঘাত, ভিসা ও ফ্লাইট সমস্যায় রেমিট্যান্স শঙ্কা চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন জ্বালানি সংকটে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা চেয়েছে সরকার: জ্বালানি মন্ত্রী চাঁদাবাজ ও অস্ত্রধারীর তালিকা করে শিগগিরই সারাদেশে অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২ ডিআইজি ও ১ অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ৩ কর্মকর্তার বদলি যুক্তরাজ্য নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী: ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ও দুই কমিশনার পদত্যাগ প্রধানমন্ত্রী সরানোর নির্দেশ দিলেন অভিনন্দনবাণী সহ বিলবোর্ড ও ব্যানার দ্রুত অপসারণের অভিনন্দনবাহী বিলবোর্ড দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৩-০ জিতলেও কোপার বাইরে বার্সা, ফাইনালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ

কোপা দেল রে শিরোপা ধরে রাখার ইচ্ছা নিয়ে নিউ ক্যাম্পে মরণপণ লড়েছিল বার্সেলোনা, কিন্তু সেই সংগ্রাম কেবল জয় এনে দিল মাত্র কাগজে — সামগ্রিক ফলাফলে তারা টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল। মঙ্গলবার রাতে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ৩-০ গোলে হারিয়েও প্রথম লেগের ৪-০ ব্যবধান কাটাতে পারেনি কাতালানরা; দুই লেগ মিলিয়ে যোগ্যতা নিশ্চিত করল অ্যাটলেটিকো (৪-৩)।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণভাগে এগিয়ে থেকে সমতা ফেরানোর চেষ্টা করেছিল বার্সা। কিন্তু কেবল তর্কবিতর্ক নয়, ঘটল আঘাতও — ১৩ মিনিটে ডিফেন্ডার জুলেস কুন্দে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লে স্বাগতিকদের বড় ধাক্কা লাগে। তবু তারা হাল ছাড়েনি। ২৯ মিনিটে লামিন ইয়ামালের ক্রস থেকে এগিয়ে নিয়ে যান মার্ক বার্নাল। প্রথমার্ধের যোগের সময় পেদ্রির ওপর ফাউল হলে বার্সেলোনা পায় পেনাল্টি; রাফিনহা সেই সুযোগ জিতে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।

বিরতির পরও আক্রমণের ধার বজায় রাখে বার্সা। ৭২ মিনিটে জোয়াও কানসেলোর পাস থেকে দুর্দান্ত ভলিতে বার্নাল নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে স্কোর ৩-০ করেন। এই গোলে দুই লেগ মিলিয়ে সমতায় ফেরার স্বপ্ন নতুন প্রাণ পেয়েছিল, কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে আর কোনো গোল না হওয়ায় আক্ষেপ থেকেই যায় কাতালানদের।

ম্যাচ শেষে রাফিনহা দলের লড়াই ও মনোবলের প্রশংসা করে বলেন, দল সব চেষ্টা করেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফাইনালে পৌঁছানোর সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেছে। অন্যদিকে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের গোলরক্ষক জুয়ান মুসো স্বীকার করেছেন যে এটি তাদের সেরা পারফরম্যান্স ছিল না, তবু মূল লক্ষ্য—ফাইনালে ওঠা—পূরণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, মোটামুটি পুরো ম্যাচে বার্সা কতগুলো পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ের অভাব এবং অ্যাটলেটিকো’র গঠনগত রক্ষণাত্মক কৌশল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাতালানদের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। অ্যাটলেটিকো এখন ১৮ এপ্রিল সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ রিয়াল সোসিয়েদাদ বা অ্যাথলেটিক বিলবাওকে নিয়ে কোপা দেল রে’র ফাইনালে নামবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের উদ্বেগ বাড়ছে: সংঘাত, ভিসা ও ফ্লাইট সমস্যায় রেমিট্যান্স শঙ্কা

৩-০ জিতলেও কোপার বাইরে বার্সা, ফাইনালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ

প্রকাশিতঃ ১১:৩৭:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

কোপা দেল রে শিরোপা ধরে রাখার ইচ্ছা নিয়ে নিউ ক্যাম্পে মরণপণ লড়েছিল বার্সেলোনা, কিন্তু সেই সংগ্রাম কেবল জয় এনে দিল মাত্র কাগজে — সামগ্রিক ফলাফলে তারা টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল। মঙ্গলবার রাতে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ৩-০ গোলে হারিয়েও প্রথম লেগের ৪-০ ব্যবধান কাটাতে পারেনি কাতালানরা; দুই লেগ মিলিয়ে যোগ্যতা নিশ্চিত করল অ্যাটলেটিকো (৪-৩)।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণভাগে এগিয়ে থেকে সমতা ফেরানোর চেষ্টা করেছিল বার্সা। কিন্তু কেবল তর্কবিতর্ক নয়, ঘটল আঘাতও — ১৩ মিনিটে ডিফেন্ডার জুলেস কুন্দে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লে স্বাগতিকদের বড় ধাক্কা লাগে। তবু তারা হাল ছাড়েনি। ২৯ মিনিটে লামিন ইয়ামালের ক্রস থেকে এগিয়ে নিয়ে যান মার্ক বার্নাল। প্রথমার্ধের যোগের সময় পেদ্রির ওপর ফাউল হলে বার্সেলোনা পায় পেনাল্টি; রাফিনহা সেই সুযোগ জিতে দলের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।

বিরতির পরও আক্রমণের ধার বজায় রাখে বার্সা। ৭২ মিনিটে জোয়াও কানসেলোর পাস থেকে দুর্দান্ত ভলিতে বার্নাল নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে স্কোর ৩-০ করেন। এই গোলে দুই লেগ মিলিয়ে সমতায় ফেরার স্বপ্ন নতুন প্রাণ পেয়েছিল, কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে আর কোনো গোল না হওয়ায় আক্ষেপ থেকেই যায় কাতালানদের।

ম্যাচ শেষে রাফিনহা দলের লড়াই ও মনোবলের প্রশংসা করে বলেন, দল সব চেষ্টা করেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফাইনালে পৌঁছানোর সুযোগ হাতছাড়া হয়ে গেছে। অন্যদিকে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের গোলরক্ষক জুয়ান মুসো স্বীকার করেছেন যে এটি তাদের সেরা পারফরম্যান্স ছিল না, তবু মূল লক্ষ্য—ফাইনালে ওঠা—পূরণ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, মোটামুটি পুরো ম্যাচে বার্সা কতগুলো পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ের অভাব এবং অ্যাটলেটিকো’র গঠনগত রক্ষণাত্মক কৌশল শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাতালানদের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। অ্যাটলেটিকো এখন ১৮ এপ্রিল সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ রিয়াল সোসিয়েদাদ বা অ্যাথলেটিক বিলবাওকে নিয়ে কোপা দেল রে’র ফাইনালে নামবে।