০২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ৪ প্রবাসী নিহত: প্রতিমন্ত্রী নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করছে বিএনপি: মির্জা ফখরুল ঈদের আগেই পাইলট শুরু: ইমাম-পুরোহিতরা পাচ্ছেন মাসিক সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা বাজারে ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট: ভোক্তারা দিচ্ছেন বেশি দাম তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত এখনও করা হয়নি: জ্বালানিমন্ত্রী ঢাকা ওয়াসার এমডি আব্দুস সালাম ব্যাপারী অপসারণ, এক ঘণ্টার মধ্যে সিআইডি’র অর্থপাচার তদন্ত শুরু সোমবার ফ্যামিলি কার্ডের সংবাদ সম্মেলন, মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৬ মার্চ দেশের খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন ঈদের ছুটির মাঝে ১৮ মার্চেও সরকারি ছুটি ঘোষণা হাইকোর্টে চার মামলায় জামিন পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক

বান্দরবানে ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ উদ্বোধন — প্রথম ধাপে ১,১৩৬ পরিবার সুবিধাভোগী

সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বান্দরবানের লামা উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু হতে যাচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প। আগামী ১০ মার্চ ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ পাইলট প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় কর্মসূচি সম্পর্কে নিশ্চিত করে বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ওই এলাকায় ১,২৭৪টি পরিবারের জরিপ করা হয়েছিল। জরিপের পর চূড়ান্ত যাচাই-বাছাইতে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) না থাকায় ১৩৮টি পরিবারকে বাদ দেওয়া হয় এবং ফলস্বরূপ ১,১৩৬টি পরিবারকে যোগ্য বলে গণ্য করে কেন্দ্রীয় কমিটিকে তালিকা পাঠানো হয়েছে। উদ্বোধনের দিনই প্রতিটি পরিবারের হাতে এই বিশেষ কার্ড তুলে দেওয়া হবে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দেশে ১০টি জেলায় শুরু হওয়া এই পাইলট প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন। কার্ডধারী পরিবারগুলো প্রতিমাসে দুই হাজার পাঁচশত টাকা (২৫০০ টাকা) সরাসরি নগদ হিসেবে অথবা সমমূল্যের টিসিবি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাবেন। সহায়তা সরাসরি পরিবারের নারী প্রধানের মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পে বিশেষভাবে ভূমিহীন, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও প্রান্তিক কৃষকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়। লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মঈন উদ্দিন জানিয়েছেন, তালিকা প্রস্তুতির সময় স্থানীয়দের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, পরিবারিক রেকর্ড ও অন্যান্য মানদণ্ড বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী বলেছেন, পার্বত্য জেলার ১২টি জাতিগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, ‘জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে স্বচ্ছতা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে তালিকা করা হয়েছে। এ উদ্যোগ দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দরিদ্র পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার খরচে সহায়তা করবে।’

জেলা প্রশাসন আরও জানিয়েছে, ১০ মার্চের উদ্বোধনের পর সফলভাবে চালু হলে ধাপে ধাপে জেলার অন্যান্য এলাকায় এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। সব মিলিয়ে ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে বান্দরবানের দূর্গম জনপদের বহু পরিবারের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় облегчত এবং নিরাপত্তার অনুভূতিতে উন্নতি আসার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করছে বিএনপি: মির্জা ফখরুল

বান্দরবানে ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ উদ্বোধন — প্রথম ধাপে ১,১৩৬ পরিবার সুবিধাভোগী

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে বান্দরবানের লামা উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু হতে যাচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প। আগামী ১০ মার্চ ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ পাইলট প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় কর্মসূচি সম্পর্কে নিশ্চিত করে বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ওই এলাকায় ১,২৭৪টি পরিবারের জরিপ করা হয়েছিল। জরিপের পর চূড়ান্ত যাচাই-বাছাইতে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) না থাকায় ১৩৮টি পরিবারকে বাদ দেওয়া হয় এবং ফলস্বরূপ ১,১৩৬টি পরিবারকে যোগ্য বলে গণ্য করে কেন্দ্রীয় কমিটিকে তালিকা পাঠানো হয়েছে। উদ্বোধনের দিনই প্রতিটি পরিবারের হাতে এই বিশেষ কার্ড তুলে দেওয়া হবে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দেশে ১০টি জেলায় শুরু হওয়া এই পাইলট প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন। কার্ডধারী পরিবারগুলো প্রতিমাসে দুই হাজার পাঁচশত টাকা (২৫০০ টাকা) সরাসরি নগদ হিসেবে অথবা সমমূল্যের টিসিবি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাবেন। সহায়তা সরাসরি পরিবারের নারী প্রধানের মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করারও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পে বিশেষভাবে ভূমিহীন, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও প্রান্তিক কৃষকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়। লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মঈন উদ্দিন জানিয়েছেন, তালিকা প্রস্তুতির সময় স্থানীয়দের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, পরিবারিক রেকর্ড ও অন্যান্য মানদণ্ড বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী বলেছেন, পার্বত্য জেলার ১২টি জাতিগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, ‘জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে স্বচ্ছতা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে তালিকা করা হয়েছে। এ উদ্যোগ দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় দরিদ্র পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার খরচে সহায়তা করবে।’

জেলা প্রশাসন আরও জানিয়েছে, ১০ মার্চের উদ্বোধনের পর সফলভাবে চালু হলে ধাপে ধাপে জেলার অন্যান্য এলাকায় এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। সব মিলিয়ে ফ্যামিলি কার্ড চালু হলে বান্দরবানের দূর্গম জনপদের বহু পরিবারের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় облегчত এবং নিরাপত্তার অনুভূতিতে উন্নতি আসার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।