০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
যমুনা নয়, গুলশান অ্যাভিনিউর নিজ বাড়িতেই থাকছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‍্যাবের তৎপরতা বাড়ল রাজধানীতে ঈদ জামাতে সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করবে ডিএমপি সদরঘাট লঞ্চ সংঘর্ষ: তদন্তে ৬ সদস্যের কমিটি গঠন জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে নামাজ পড়বেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত; ২২ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক সদরঘাটে লঞ্চ চাপায় দুই যাত্রী নিহত, দুজন নিখোঁজ পাটুরিয়া নৌপথ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন নৌ প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান পাটুরিয়া নৌপথ পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান সদরঘাটে লঞ্চের ধাক্কায় দুইজন নিহত, দুই আহত ও দুই নিখোঁজ

নীলসাগর ট্রেন দুর্ঘটনা: বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থল পরিদর্শন

বগুড়ার আদমদীঘিতে নীলসাগর আন্তঃনগর ট্রেনের লাইনচ্যুত দুর্ঘটনাস্থল বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ ও বগুড়া জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের একটি দল পরিদর্শন করেছেন। সকাল প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের বাগবাড়ী দক্ষিণপাড়ায় তারা দুর্ঘটনাস্থল দেখে উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কাজের অগ্রগতি সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন।

পরিদর্শনকালে দলের সঙ্গে ছিলেন বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি শাহজাহান আলী, জেলা প্রশাসক তৌশিকুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ, আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগম এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দীন তালুকদারসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মীরা। তারা现场ে জরুরি উদ্ধারকর্ম, ট্র্যাক মেরামত ও যাত্রীদের সেবা প্রদানে সর্তকতা অবলম্বনের নির্দেশ দেন।

ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর প্রায় দুইটার দিকে, যখন ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নীলসাগর আন্তঃনগর ট্রেনটি সান্তাহার জংশন স্টেশনের নিকটবর্তী বাগবাড়ী এলাকায় লাইনচ্যুত হয়। ঘটনাস্থল সূত্রে জানা যায়, ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয় এবং এতে শতাধিক যাত্রী আহত হন।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। পরে ঈশ্বরদী ও পার্বতীপুর থেকে দুটি রিলিফ ট্রেন এনে উদ্ধারকাজ আরো জোরদার করা হয়। আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল ও নিকটস্থ চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

ঘটনার তদন্তে সান্তাহার সহকারী স্টেশন মাস্টার শহিদুল ইসলাম রঞ্জুকে সাময়িক বরখास्त করা হয়েছে এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি দুর্ঘটনার কারণ ও দায়িত্বশীলতা নির্ধারণের জন্য তদন্ত চালাবে বলে রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ওই দিনই লাইনচ্যুত বগিগুলো সরিয়ে নেওয়ার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে এবং এখন রেললাইন মেরামতের কাজ চলছে। সান্তাহার স্টেশন মাস্টার খাতিজা খাতুন ও সান্তাহার রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পথ) আফজাল হোসেন জানিয়েছেন, রেললাইন মেরামত দ্রুত সম্পন্ন করা হলে খুব শিগগিরই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হবে।

অফিস থেকেই কর্তৃপক্ষ অব্যাহতভাবে দুর্ঘটনা ও পুনরুদ্ধার কাজ পর্যবেক্ষণ করছে এবং যাত্রীদের সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ঈদে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‍্যাবের তৎপরতা বাড়ল

নীলসাগর ট্রেন দুর্ঘটনা: বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থল পরিদর্শন

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

বগুড়ার আদমদীঘিতে নীলসাগর আন্তঃনগর ট্রেনের লাইনচ্যুত দুর্ঘটনাস্থল বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ. ন. ম. বজলুর রশীদ ও বগুড়া জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের একটি দল পরিদর্শন করেছেন। সকাল প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের বাগবাড়ী দক্ষিণপাড়ায় তারা দুর্ঘটনাস্থল দেখে উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কাজের অগ্রগতি সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন।

পরিদর্শনকালে দলের সঙ্গে ছিলেন বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মহিত তালুকদার, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি শাহজাহান আলী, জেলা প্রশাসক তৌশিকুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ, আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা বেগম এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দীন তালুকদারসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মীরা। তারা现场ে জরুরি উদ্ধারকর্ম, ট্র্যাক মেরামত ও যাত্রীদের সেবা প্রদানে সর্তকতা অবলম্বনের নির্দেশ দেন।

ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর প্রায় দুইটার দিকে, যখন ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নীলসাগর আন্তঃনগর ট্রেনটি সান্তাহার জংশন স্টেশনের নিকটবর্তী বাগবাড়ী এলাকায় লাইনচ্যুত হয়। ঘটনাস্থল সূত্রে জানা যায়, ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয় এবং এতে শতাধিক যাত্রী আহত হন।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। পরে ঈশ্বরদী ও পার্বতীপুর থেকে দুটি রিলিফ ট্রেন এনে উদ্ধারকাজ আরো জোরদার করা হয়। আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল ও নিকটস্থ চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

ঘটনার তদন্তে সান্তাহার সহকারী স্টেশন মাস্টার শহিদুল ইসলাম রঞ্জুকে সাময়িক বরখास्त করা হয়েছে এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি দুর্ঘটনার কারণ ও দায়িত্বশীলতা নির্ধারণের জন্য তদন্ত চালাবে বলে রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ওই দিনই লাইনচ্যুত বগিগুলো সরিয়ে নেওয়ার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে এবং এখন রেললাইন মেরামতের কাজ চলছে। সান্তাহার স্টেশন মাস্টার খাতিজা খাতুন ও সান্তাহার রেলওয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (পথ) আফজাল হোসেন জানিয়েছেন, রেললাইন মেরামত দ্রুত সম্পন্ন করা হলে খুব শিগগিরই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হবে।

অফিস থেকেই কর্তৃপক্ষ অব্যাহতভাবে দুর্ঘটনা ও পুনরুদ্ধার কাজ পর্যবেক্ষণ করছে এবং যাত্রীদের সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।