০৯:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জে ঈদের নামাজের পর দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৩০ জন আহত

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের ঠিক পরেই দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটেছে। শনিবার (২১ মার্চ) বেলা প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে দুই ঘণ্টার মতো চলে এই তুমুল সংঘাত। ঘটনায় উভয় পক্ষ মিলিয়ে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত হয় গ্রামে আব্দুর রবের কলেজপড়ুয়া মেয়ে এবং ভাগনির ছবি ও ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে। এ ঘটনাকে নিয়ে ফিরোজ মিয়া পক্ষের কয়েকজন যুবকের সঙ্গে বিরোধ গড়িয়ে ওঠে এবং পূর্বে থেকেই উত্তেজনা চলে আসছিল। ঈদের নামাজ শেষে সেই উত্তেজনা দ্রুত ঘর পেড়ে, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

ঘটনা জানিয়ে জরুরি ভিত্তিতে গোপলার বাজার পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোনায়েম মিয়া সংবাদিকে ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তিনি জানান, নারীর সম্মানহানি ও দাঙ্গায় জড়িত দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তদন্ত চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয় নেতারা গ্রামবাসীর প্রতি শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপরাধ তদন্তকারীর দল কাজ করছে। আহতদের স্বাস্থ্যের আপডেট ও ঘটনার তদন্তের পর ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

যমুনায় তারেক রহমানের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন ড. ইউনূস

হবিগঞ্জে ঈদের নামাজের পর দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৩০ জন আহত

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের ঠিক পরেই দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটেছে। শনিবার (২১ মার্চ) বেলা প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে দুই ঘণ্টার মতো চলে এই তুমুল সংঘাত। ঘটনায় উভয় পক্ষ মিলিয়ে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত হয় গ্রামে আব্দুর রবের কলেজপড়ুয়া মেয়ে এবং ভাগনির ছবি ও ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে। এ ঘটনাকে নিয়ে ফিরোজ মিয়া পক্ষের কয়েকজন যুবকের সঙ্গে বিরোধ গড়িয়ে ওঠে এবং পূর্বে থেকেই উত্তেজনা চলে আসছিল। ঈদের নামাজ শেষে সেই উত্তেজনা দ্রুত ঘর পেড়ে, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

ঘটনা জানিয়ে জরুরি ভিত্তিতে গোপলার বাজার পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোনায়েম মিয়া সংবাদিকে ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তিনি জানান, নারীর সম্মানহানি ও দাঙ্গায় জড়িত দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তদন্ত চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয় নেতারা গ্রামবাসীর প্রতি শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য অপরাধ তদন্তকারীর দল কাজ করছে। আহতদের স্বাস্থ্যের আপডেট ও ঘটনার তদন্তের পর ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।