বলিউড সুপারস্টার রণবীর সিংয়ের স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর টু’ মুক্তির মাত্র আট দিনে উইন্ডোজ ভেঙে নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে। ১৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে ছাপিয়ে আসার পর থেকেই ছবিটি ধারাবাহিকভাবে পুরনো রেকর্ড ভাঙছে এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে ইতোমধ্যেই ৬২৩ কোটি রুপির বড় মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
প্রাথমিক পারফরম্যান্স দেখে বোঝা যায় দর্শক আগ্রহ অব্যাহত রয়েছে। মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তে ‘ধুরন্ধর টু’ প্রায় ৪৫৪ কোটি রুপি আয় করে শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছিল। রেকর্ড ভাঙার ধারাবাহিকতায় সপ্তম দিনে প্রায় ৪৮ কোটি এবং অষ্টম দিনে প্রায় ৫০ কোটি রুপি সঞ্চয় করে ছবিটি নিজের দাপট বজায় রেখেছে। বক্স অফিস বিশ্লেষকরা বলছেন, এই গতি যদি বজায় থাকে তবে দ্বিতীয় সপ্তাহান্তের শেষ হওয়ার আগেই ছবিটি ৭৫০ কোটির গণ্ডি ছোঁয়ার সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে।
বহু পুরনো রেকর্ডও ‘ধুরন্ধর টু’ ভেঙে দিয়েছে — ভিকি কৌশলের ‘ছাবা’, সানি দেওলের ‘গদর টু’ এবং শাহরুখ খানের ‘পাঠান’-এর মতো মেগাহিটগুলোর আয়ের রেকর্ডও চ্যালেঞ্জিংভাবে অতিক্রম করেছে এই ছবিটি। এই সাফল্যের তালিকায় ছবিটি ভারতের দ্রুততম সময়ে ৬০০ কোটির ক্লাবে নাম লিখিয়েছে।
আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ‘ধুরন্ধর টু’ সাড়া ফেলেছে; বিশ্বজুড়ে গ্রস কালেকশন ইতোমধ্যেই ৯০০ কোটি রুপিকে ছাড়িয়ে গেছে এবং খুব দ্রুতই ১০০০ কোটির মাইলফলক স্পর্শ করার পথে আছে। রণবীর সিংয়ের সঙ্গে ছবিতে দেখা যায় সঞ্জয় দত্ত, আর. মাধবন, অর্জুন রামপাল ও সারা অর্জুনকে — এদের শক্তিশালী অভিনয় দল ও নির্মাতা আদিত্য ধরের সুনিপুণ পরিচালনা চিত্রনাট্যের উত্তেজনা থেকে দর্শককে বারবার প্রেক্ষাগৃহে টানছে।
উল্লেখ্য, ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম কিস্তিও বিশ্বজুড়ে ১৩০০ কোটি রুপি আয় করেছিল। দ্বিতীয় কিস্তি মাত্র আট দিনে যে গতি পেয়েছে, তাতে অনেকে মনে করছেন এটি প্রথম কিস্তির সাফল্যকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা এখন নজর রাখছেন আমির খানের ‘দঙ্গল’-এর সর্বকালীন রেকর্ড ২০৭০ কোটির দিকে—কতদূর ‘ধুরন্ধর টু’ পৌঁছতে পারবে তা দেখাই সময়ের ব্যাপার। সামগ্রিকভাবে বললে, এই মুহূর্তে ‘ধুরন্ধর টু’ প্রেক্ষাগৃহে একচ্ছত্র রাজত্ব কায়েম করেছে।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 

























