০৮:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা: ভিসা থাকলেও প্রবেশ নিশ্চিত নয় র‍্যাবের ১২তম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আহসান হাবীব পলাশ ডিপো থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহের নতুন সময়সূচি — সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৩টা ডব্লিউটিও সংস্কারে মৌলিক নীতি অক্ষুণ্ণ রাখতে সতর্কতার আহ্বান খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির প্রধানমন্ত্রী সোমবার ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে তারেক রহমানের শোক চট্টগ্রামে তিন জাহাজে ১ লাখ ৯৩ হাজার টন এলএনজি আসছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ‘একাত্তর আগে, বাকি সব পরে’ — মুক্তিযুদ্ধকে অন্য ইতিহাসের সঙ্গে মেলাবেন না ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব: বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: একাত্তরকে অন্য কোনো ইতিহাসের সঙ্গে মিলানো যাবে না

ওটিটি মাতিয়ে বড়পর্দায় ত্রাস: ‘রাক্ষস’-এ ভিলেন সোহেল মণ্ডল

দুই দশকের চলচ্চিত্র ও মঞ্চজীবনে বারবার নিজেকে ভেঙে গড়েছেন সোহেল মণ্ডল। মঞ্চনাটক থেকে শুরু হওয়া তার যাত্রা নাটক, সিনেমা ও ওটিটি—সব মঞ্চ পেরিয়ে এবার বড়পর্দায় এক নতুন ও ভয়াবহ অবতারে হাজির করেছেন তাকে। তরুণ নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয়ের ডার্ক-থ্রিলার ‘রাক্ষস’-এ দুর্দান্ত ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শক এবং সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ঈদের দিন সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকেই সোহেল মণ্ডলের অভিনয়ের প্রশংসা কাটছেই না। প্রচারণার অংশ হিসেবে সোহেল উপস্থিত থেকে সরাসরি দর্শকের প্রতিক্রিয়া পেয়েছেন এবং সংবর্ধনা নিয়েছেন—যা তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। দর্শকরা যখন হলে গিয়ে তার চরিত্রটি নিয়ে বিশ্লেষণ করছেন এবং বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করছেন, তখন একজন অভিনেতা হিসেবে তিনি তৃপ্তি ও আনন্দ পাচ্ছেন বলে জানান।

ওটিটি প্ল্যাটফর্মে সুপরিচিত হয়ে বড়পর্দায় এই ধরনের বিধ্বংসী উপস্থিতি ঢালিউডে একটি নতুন ধরনের শক্তিশালী খলনায়কের আগমনকে চিহ্নিত করছে। কেবল অনলাইন দর্শক নয়, বাণিজ্যিক প্রেক্ষাগৃহেও এই চরিত্রের গ্রহণযোগ্যতা সোহেলের অভিনয়দক্ষতার বহুমাত্রিক পরিচয় দিয়েছে।

এই চরিত্রে ঢোকার জন্য সোহেল দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করছিলেন। পরিচালক চরিত্রের গভীরতা বুঝিয়ে দেওয়ার পর থেকে তিনি নিজেকে সেই ছাঁচে ঢালতে শুরু করেন। মেকআপ আর্টিস্ট ও কস্টিউম ডিজাইনারদের সহায়তা ছাড়া এই ভৌতিক লুক বাস্তবায়ন সম্ভব হতো না—তাদের অবদান নিয়ে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সবার সম্মিলিত পরিশ্রমেই পর্দায় ‘রাক্ষস’-এর রহস্যময় ও আতঙ্কজাগানো খল চরিত্রটি জীবন্ত হয়েছে।

এটি সোহেলের বাণিজ্যিক ছবিতে নেতিবাচক চরিত্রের প্রথম কাজ নয়—২০১৬ সালের ‘মুসাফির’-এও তাকে নেতিবাচক ভূমিকায় দেখা গেছে। তবু প্রায় এক দশকের বিরতির পর বড়পর্দায় ফেরার এই রূপটি আগের চরিত্রের তুলনায় স্বরূপে ভিন্ন এবং পরিসরে অনেক বেশি বিস্তৃত, তিনি মনে করেন। দীর্ঘসময় ধরে বাণিজ্যিক ধারায় কাজের সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন এবং মেহেদী হাসান হৃদয় তাকে যেই সুযোগটি দিয়েছেন তার জন্য সোহেল বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ।

ভবিষ্যতে আবারও নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিজেকে কোনো নির্দিষ্ট ছকে বাঁধতে চান না। একজন শিল্পী হিসেবে নানা রকম চরিত্রে কাজ করতে আগ্রহী; যা তার শিল্পীসত্তাকে তৃপ্ত করবে সেটিই গ্রহণ করবেন—নায়ক হোক, খলনায়ক হোক বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।

এই মুহূর্তে ‘রাক্ষস’-এর অভাবনীয় সাফল্য উপভোগ করছেন সোহেল এবং আশা রাখছেন ছবিটি ঢালিউডে বৈচিত্র্যময় চরিত্রের মূল্যমান আরও মজবুত করবে। তরুণত্ব ও অভিজ্ঞতার মিশেলে এখন তিনি বড়পর্দার একটি শক্তিশালী নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

র‍্যাবের ১২তম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আহসান হাবীব পলাশ

ওটিটি মাতিয়ে বড়পর্দায় ত্রাস: ‘রাক্ষস’-এ ভিলেন সোহেল মণ্ডল

প্রকাশিতঃ ০২:২১:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

দুই দশকের চলচ্চিত্র ও মঞ্চজীবনে বারবার নিজেকে ভেঙে গড়েছেন সোহেল মণ্ডল। মঞ্চনাটক থেকে শুরু হওয়া তার যাত্রা নাটক, সিনেমা ও ওটিটি—সব মঞ্চ পেরিয়ে এবার বড়পর্দায় এক নতুন ও ভয়াবহ অবতারে হাজির করেছেন তাকে। তরুণ নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয়ের ডার্ক-থ্রিলার ‘রাক্ষস’-এ দুর্দান্ত ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শক এবং সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

ঈদের দিন সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর থেকেই সোহেল মণ্ডলের অভিনয়ের প্রশংসা কাটছেই না। প্রচারণার অংশ হিসেবে সোহেল উপস্থিত থেকে সরাসরি দর্শকের প্রতিক্রিয়া পেয়েছেন এবং সংবর্ধনা নিয়েছেন—যা তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। দর্শকরা যখন হলে গিয়ে তার চরিত্রটি নিয়ে বিশ্লেষণ করছেন এবং বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করছেন, তখন একজন অভিনেতা হিসেবে তিনি তৃপ্তি ও আনন্দ পাচ্ছেন বলে জানান।

ওটিটি প্ল্যাটফর্মে সুপরিচিত হয়ে বড়পর্দায় এই ধরনের বিধ্বংসী উপস্থিতি ঢালিউডে একটি নতুন ধরনের শক্তিশালী খলনায়কের আগমনকে চিহ্নিত করছে। কেবল অনলাইন দর্শক নয়, বাণিজ্যিক প্রেক্ষাগৃহেও এই চরিত্রের গ্রহণযোগ্যতা সোহেলের অভিনয়দক্ষতার বহুমাত্রিক পরিচয় দিয়েছে।

এই চরিত্রে ঢোকার জন্য সোহেল দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে নিজেকে প্রস্তুত করছিলেন। পরিচালক চরিত্রের গভীরতা বুঝিয়ে দেওয়ার পর থেকে তিনি নিজেকে সেই ছাঁচে ঢালতে শুরু করেন। মেকআপ আর্টিস্ট ও কস্টিউম ডিজাইনারদের সহায়তা ছাড়া এই ভৌতিক লুক বাস্তবায়ন সম্ভব হতো না—তাদের অবদান নিয়ে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সবার সম্মিলিত পরিশ্রমেই পর্দায় ‘রাক্ষস’-এর রহস্যময় ও আতঙ্কজাগানো খল চরিত্রটি জীবন্ত হয়েছে।

এটি সোহেলের বাণিজ্যিক ছবিতে নেতিবাচক চরিত্রের প্রথম কাজ নয়—২০১৬ সালের ‘মুসাফির’-এও তাকে নেতিবাচক ভূমিকায় দেখা গেছে। তবু প্রায় এক দশকের বিরতির পর বড়পর্দায় ফেরার এই রূপটি আগের চরিত্রের তুলনায় স্বরূপে ভিন্ন এবং পরিসরে অনেক বেশি বিস্তৃত, তিনি মনে করেন। দীর্ঘসময় ধরে বাণিজ্যিক ধারায় কাজের সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন এবং মেহেদী হাসান হৃদয় তাকে যেই সুযোগটি দিয়েছেন তার জন্য সোহেল বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ।

ভবিষ্যতে আবারও নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিজেকে কোনো নির্দিষ্ট ছকে বাঁধতে চান না। একজন শিল্পী হিসেবে নানা রকম চরিত্রে কাজ করতে আগ্রহী; যা তার শিল্পীসত্তাকে তৃপ্ত করবে সেটিই গ্রহণ করবেন—নায়ক হোক, খলনায়ক হোক বা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।

এই মুহূর্তে ‘রাক্ষস’-এর অভাবনীয় সাফল্য উপভোগ করছেন সোহেল এবং আশা রাখছেন ছবিটি ঢালিউডে বৈচিত্র্যময় চরিত্রের মূল্যমান আরও মজবুত করবে। তরুণত্ব ও অভিজ্ঞতার মিশেলে এখন তিনি বড়পর্দার একটি শক্তিশালী নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছেন।