০২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সরকার গঠনের পর নয়াপল্টনে প্রথমবার: তারেক রহমানকে ঘিরে নেতা–কর্মীদের উচ্ছ্বাস

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের পর নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রথমবার উপস্থিত হয়েছেন তারেক রহমান। শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে তার গাড়িবহর দলীয় কার্যালয়ের সামনে পৌঁছলে নেতারা এবং কর্মীরা উল্লাসে ভরে উঠে এবং একসঙ্গে স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সন্ধ্যা সাতটার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও কার্যালয়ে এসে যোগ দেন।

তারেক রহমান গাড়ি থেকে নেমে দরজায় দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে নেতা–কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান এবং পরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। প্রবেশের আগে ও পরে ভিড়-উল্লাস দু’মুখে লক্ষ্যযোগ্য ছিল—স্লোগান, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডে পরিবেশ প্রাণবন্ত ছিল।

বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায় পুরানা পল্টনের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে নয়াপল্টন পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে এবং সড়ক বিভাজকের উপর নেতা–কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। অনেকের হাতে দলীয় ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগান–যুক্ত প্ল্যাকার্ড ছিল।

ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বিচ্ছিন্নভাবে একযোগে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তারা ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম’, ‘ছাত্রদলের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা’সহ নানা ধরনের স্লোগান দিয়েছেন এবং দলে এক ধরনের উৎসবমনা উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

নেতা–কর্মীদের ভিড়ের কারণে নয়াপল্টন এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়; সড়কে গাড়ি এক লাইনে যেতে পারছিলো। একই সঙ্গে নয়াপল্টন, ফকিরাপুল, ভিআইপি রোড ও কাকরাইল এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।

একজন নারী কর্মী বলেন, “দুই বছর আগে আমরা এখানে আসতে পারতাম না—পুলিশে তাড়া, গ্রেপ্তার হতো। আর আজকে…আল্লাহ চাইলে কী না করা যায়।” তার কথায় উচ্ছ্বাস আর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অনুভূতি প্রতিফলিত হচ্ছিল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সরকার গঠনের পর নয়াপল্টনে প্রথমবার: তারেক রহমানকে ঘিরে নেতা–কর্মীদের উচ্ছ্বাস

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের পর নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রথমবার উপস্থিত হয়েছেন তারেক রহমান। শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে তার গাড়িবহর দলীয় কার্যালয়ের সামনে পৌঁছলে নেতারা এবং কর্মীরা উল্লাসে ভরে উঠে এবং একসঙ্গে স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সন্ধ্যা সাতটার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও কার্যালয়ে এসে যোগ দেন।

তারেক রহমান গাড়ি থেকে নেমে দরজায় দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে নেতা–কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান এবং পরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। প্রবেশের আগে ও পরে ভিড়-উল্লাস দু’মুখে লক্ষ্যযোগ্য ছিল—স্লোগান, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডে পরিবেশ প্রাণবন্ত ছিল।

বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায় পুরানা পল্টনের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে নয়াপল্টন পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে এবং সড়ক বিভাজকের উপর নেতা–কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। অনেকের হাতে দলীয় ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগান–যুক্ত প্ল্যাকার্ড ছিল।

ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বিচ্ছিন্নভাবে একযোগে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তারা ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম’, ‘ছাত্রদলের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা’সহ নানা ধরনের স্লোগান দিয়েছেন এবং দলে এক ধরনের উৎসবমনা উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

নেতা–কর্মীদের ভিড়ের কারণে নয়াপল্টন এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়; সড়কে গাড়ি এক লাইনে যেতে পারছিলো। একই সঙ্গে নয়াপল্টন, ফকিরাপুল, ভিআইপি রোড ও কাকরাইল এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।

একজন নারী কর্মী বলেন, “দুই বছর আগে আমরা এখানে আসতে পারতাম না—পুলিশে তাড়া, গ্রেপ্তার হতো। আর আজকে…আল্লাহ চাইলে কী না করা যায়।” তার কথায় উচ্ছ্বাস আর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অনুভূতি প্রতিফলিত হচ্ছিল।