১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

সরকার গঠনের পর নয়াপল্টনে প্রথমবার: তারেক রহমানকে ঘিরে নেতা–কর্মীদের উচ্ছ্বাস

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের পর নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রথমবার উপস্থিত হয়েছেন তারেক রহমান। শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে তার গাড়িবহর দলীয় কার্যালয়ের সামনে পৌঁছলে নেতারা এবং কর্মীরা উল্লাসে ভরে উঠে এবং একসঙ্গে স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সন্ধ্যা সাতটার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও কার্যালয়ে এসে যোগ দেন।

তারেক রহমান গাড়ি থেকে নেমে দরজায় দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে নেতা–কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান এবং পরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। প্রবেশের আগে ও পরে ভিড়-উল্লাস দু’মুখে লক্ষ্যযোগ্য ছিল—স্লোগান, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডে পরিবেশ প্রাণবন্ত ছিল।

বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায় পুরানা পল্টনের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে নয়াপল্টন পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে এবং সড়ক বিভাজকের উপর নেতা–কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। অনেকের হাতে দলীয় ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগান–যুক্ত প্ল্যাকার্ড ছিল।

ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বিচ্ছিন্নভাবে একযোগে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তারা ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম’, ‘ছাত্রদলের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা’সহ নানা ধরনের স্লোগান দিয়েছেন এবং দলে এক ধরনের উৎসবমনা উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

নেতা–কর্মীদের ভিড়ের কারণে নয়াপল্টন এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়; সড়কে গাড়ি এক লাইনে যেতে পারছিলো। একই সঙ্গে নয়াপল্টন, ফকিরাপুল, ভিআইপি রোড ও কাকরাইল এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।

একজন নারী কর্মী বলেন, “দুই বছর আগে আমরা এখানে আসতে পারতাম না—পুলিশে তাড়া, গ্রেপ্তার হতো। আর আজকে…আল্লাহ চাইলে কী না করা যায়।” তার কথায় উচ্ছ্বাস আর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অনুভূতি প্রতিফলিত হচ্ছিল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সরকার গঠনের পর নয়াপল্টনে প্রথমবার: তারেক রহমানকে ঘিরে নেতা–কর্মীদের উচ্ছ্বাস

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের পর নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রথমবার উপস্থিত হয়েছেন তারেক রহমান। শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে তার গাড়িবহর দলীয় কার্যালয়ের সামনে পৌঁছলে নেতারা এবং কর্মীরা উল্লাসে ভরে উঠে এবং একসঙ্গে স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সন্ধ্যা সাতটার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও কার্যালয়ে এসে যোগ দেন।

তারেক রহমান গাড়ি থেকে নেমে দরজায় দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে নেতা–কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান এবং পরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। প্রবেশের আগে ও পরে ভিড়-উল্লাস দু’মুখে লক্ষ্যযোগ্য ছিল—স্লোগান, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডে পরিবেশ প্রাণবন্ত ছিল।

বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায় পুরানা পল্টনের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে নয়াপল্টন পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে এবং সড়ক বিভাজকের উপর নেতা–কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। অনেকের হাতে দলীয় ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগান–যুক্ত প্ল্যাকার্ড ছিল।

ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বিচ্ছিন্নভাবে একযোগে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তারা ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম’, ‘ছাত্রদলের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা’সহ নানা ধরনের স্লোগান দিয়েছেন এবং দলে এক ধরনের উৎসবমনা উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

নেতা–কর্মীদের ভিড়ের কারণে নয়াপল্টন এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়; সড়কে গাড়ি এক লাইনে যেতে পারছিলো। একই সঙ্গে নয়াপল্টন, ফকিরাপুল, ভিআইপি রোড ও কাকরাইল এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।

একজন নারী কর্মী বলেন, “দুই বছর আগে আমরা এখানে আসতে পারতাম না—পুলিশে তাড়া, গ্রেপ্তার হতো। আর আজকে…আল্লাহ চাইলে কী না করা যায়।” তার কথায় উচ্ছ্বাস আর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অনুভূতি প্রতিফলিত হচ্ছিল।