০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত: বিশ্বজুড়ে খাদ্যদামের উত্থান অপতথ্য রোধে পুরোনো কাঠামোতে আমূল সংস্কার জরুরি: তথ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথমবারের বৈঠক—গঠিত হচ্ছে ‘বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদ’ জ্বালানি সংকটে অফিসঘণ্টা বদল, সন্ধ্যা ৬টার পর মার্কেট বন্ধের নির্দেশ ত্রিমুখী চ্যালেঞ্জে অর্থনীতি: জ্বালানি, মূল্যস্ফীতি ও ডলারের চাপ জ্বালানি সঙ্কটে অফিস সময় বদল — সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা জ্বালানি সাশ্রয়ে রাত ৮টার মধ্যে দোকান-শপিংমল বন্ধের ঘোষণা হরমুজ এড়িয়ে ইয়ানবু থেকে বিকল্প পথে ১ লক্ষ টন তেল চট্টগ্রামে আসছে সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর যুব কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী নিযুক্ত দেশে ১৩৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্র, মোট ক্ষমতা ২৮,৯১৯ মেগাওয়াট: বিদ্যুৎমন্ত্রী

সরকার গঠনের পর নয়াপল্টনে প্রথমবার: তারেক রহমানকে ঘিরে নেতা–কর্মীদের উচ্ছ্বাস

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের পর নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রথমবার উপস্থিত হয়েছেন তারেক রহমান। শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে তার গাড়িবহর দলীয় কার্যালয়ের সামনে পৌঁছলে নেতারা এবং কর্মীরা উল্লাসে ভরে উঠে এবং একসঙ্গে স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সন্ধ্যা সাতটার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও কার্যালয়ে এসে যোগ দেন।

তারেক রহমান গাড়ি থেকে নেমে দরজায় দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে নেতা–কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান এবং পরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। প্রবেশের আগে ও পরে ভিড়-উল্লাস দু’মুখে লক্ষ্যযোগ্য ছিল—স্লোগান, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডে পরিবেশ প্রাণবন্ত ছিল।

বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায় পুরানা পল্টনের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে নয়াপল্টন পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে এবং সড়ক বিভাজকের উপর নেতা–কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। অনেকের হাতে দলীয় ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগান–যুক্ত প্ল্যাকার্ড ছিল।

ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বিচ্ছিন্নভাবে একযোগে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তারা ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম’, ‘ছাত্রদলের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা’সহ নানা ধরনের স্লোগান দিয়েছেন এবং দলে এক ধরনের উৎসবমনা উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

নেতা–কর্মীদের ভিড়ের কারণে নয়াপল্টন এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়; সড়কে গাড়ি এক লাইনে যেতে পারছিলো। একই সঙ্গে নয়াপল্টন, ফকিরাপুল, ভিআইপি রোড ও কাকরাইল এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।

একজন নারী কর্মী বলেন, “দুই বছর আগে আমরা এখানে আসতে পারতাম না—পুলিশে তাড়া, গ্রেপ্তার হতো। আর আজকে…আল্লাহ চাইলে কী না করা যায়।” তার কথায় উচ্ছ্বাস আর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অনুভূতি প্রতিফলিত হচ্ছিল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

অপতথ্য রোধে পুরোনো কাঠামোতে আমূল সংস্কার জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

সরকার গঠনের পর নয়াপল্টনে প্রথমবার: তারেক রহমানকে ঘিরে নেতা–কর্মীদের উচ্ছ্বাস

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের পর নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রথমবার উপস্থিত হয়েছেন তারেক রহমান। শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে তার গাড়িবহর দলীয় কার্যালয়ের সামনে পৌঁছলে নেতারা এবং কর্মীরা উল্লাসে ভরে উঠে এবং একসঙ্গে স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সন্ধ্যা সাতটার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও কার্যালয়ে এসে যোগ দেন।

তারেক রহমান গাড়ি থেকে নেমে দরজায় দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে নেতা–কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান এবং পরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। প্রবেশের আগে ও পরে ভিড়-উল্লাস দু’মুখে লক্ষ্যযোগ্য ছিল—স্লোগান, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডে পরিবেশ প্রাণবন্ত ছিল।

বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায় পুরানা পল্টনের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে নয়াপল্টন পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে এবং সড়ক বিভাজকের উপর নেতা–কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন। অনেকের হাতে দলীয় ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগান–যুক্ত প্ল্যাকার্ড ছিল।

ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বিচ্ছিন্নভাবে একযোগে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তারা ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম’, ‘ছাত্রদলের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা’সহ নানা ধরনের স্লোগান দিয়েছেন এবং দলে এক ধরনের উৎসবমনা উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

নেতা–কর্মীদের ভিড়ের কারণে নয়াপল্টন এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়; সড়কে গাড়ি এক লাইনে যেতে পারছিলো। একই সঙ্গে নয়াপল্টন, ফকিরাপুল, ভিআইপি রোড ও কাকরাইল এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।

একজন নারী কর্মী বলেন, “দুই বছর আগে আমরা এখানে আসতে পারতাম না—পুলিশে তাড়া, গ্রেপ্তার হতো। আর আজকে…আল্লাহ চাইলে কী না করা যায়।” তার কথায় উচ্ছ্বাস আর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অনুভূতি প্রতিফলিত হচ্ছিল।