০৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
আইওএম সহযোগিতায় তেহরান থেকে ১৮৬ বাংলাদেশিকে ফেরত আনা হয়েছে: শামা ওবায়েদ ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গড়ার ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার সারাদেশে অভিযান: অবৈধভাবে মজুত করা ২ লাখ ৮ হাজার ৬৫০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার প্রধানমন্ত্রী: খেলোয়াড়রা রাজনীতিতে না এসে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গড়ে তুলুন ৩০ এপ্রিল সিলেট থেকে শুরু হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ অবৈধ জ্বালানি তেল মজুত-পাচার রোধে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা মার্চের প্রথম ২৮ দিনে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড: ৩.৩৩ বিলিয়ন ডলার বিদ্যুৎমন্ত্রী ঘোষণা: প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ বাতিল সরকার ১১ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু

মির্জা ফখরুল: স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে আবার সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়েছে

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর আবারও সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। যারা স্বাধীনতার সময় আমাদের মা-बোনদের সম্ভ্রমহানি করেছে, পাকিস্তান বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়েছে এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ড করেছে—এসব অপশক্তিকে সতর্কতার সঙ্গে পরাস্ত করে স্বাধীনতার শক্তিকেই সামনে নিয়ে যেতে হবে, এটাই আমাদের সাফল্য হবে।

এই মন্তব্য তিনি রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে গতকাল মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত আলোচনা সভায় বলেন।

মির্জা ফখরুল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে গভীর আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা সবাই আমাদের নেতা তারেক রহমানের প্রতি প্রবল আশাবাদী। তিনি দেশে এসে মানুষের মধ্যে নতুন উদ্দীপ্তি তৈরি করেছেন। এসে ঘোষণা করেছেন—“I have a plan।”’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, তারেক প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার কথাই বলেননি, বলেছে তিনি একটা পরিকল্পনা নিয়ে এসেছে দেশকে গড়ার জন্য।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে কর্মযজ্ঞ শুরু করেছিলেন, মাত্র সাড়ে তিন বছরে তিনি বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে বিকশিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার যোগ্য পুত্র তারেক রহমান আজ সেই পথ দেখাচ্ছেন—দেশকে সম্ভাবনাময় করে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি সকলকে অনুরোধ করে বলেন, ‘‘আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে অপশক্তিকে পরাজিত করি, আমাদের নেতাকে শক্তিশালী করি এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাই। অতীত ভুলে আমরা আমাদের অর্জনকে সামনে রেখে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ি—বিশেষত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। বাংলাদেশ যেন বিশ্ববাসীর সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’’

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, গত ১৮ বছরে বিএনপি প্রতি ধরণের নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের জীবন ১৮ বছর ধ্বংস করা হয়েছে, তছনছ করা হয়েছে। আমার সহকর্মীরা ভয়াবহভাবে নির্যাতিত ও নিগৃহীত হয়েছেন। আমাদের বিরুদ্ধে ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে, ২০ হাজার তরুণ নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। ইলিয়াস আলীসহ তিনজন নেতা ও ১,৭০০ নেতাকর্মীকে গুম করে ফেলা হয়েছে। তবুও আমরা আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে মাথা নত করিনি; লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।’’

আলোচনা সভায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা নেতাদের আগামি দিনের পরিকল্পনা ও ঐক্যবদ্ধ লড়াই প্রসঙ্গে নানা মন্তব্য করেন। মির্জা ফখরুলের ভাষণে ছিল রাজনৈতিক সতর্কতা, ঐক্যের আহ্বান ও প্রত্যাহারহীন প্রতিজ্ঞার মিশ্রণ, যা তার সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে শক্তি যোগানোর লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গড়ার ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার

মির্জা ফখরুল: স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে আবার সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়েছে

প্রকাশিতঃ ০২:২৭:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর আবারও সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। যারা স্বাধীনতার সময় আমাদের মা-बোনদের সম্ভ্রমহানি করেছে, পাকিস্তান বাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়েছে এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ড করেছে—এসব অপশক্তিকে সতর্কতার সঙ্গে পরাস্ত করে স্বাধীনতার শক্তিকেই সামনে নিয়ে যেতে হবে, এটাই আমাদের সাফল্য হবে।

এই মন্তব্য তিনি রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে গতকাল মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত আলোচনা সভায় বলেন।

মির্জা ফখরুল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে গভীর আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা সবাই আমাদের নেতা তারেক রহমানের প্রতি প্রবল আশাবাদী। তিনি দেশে এসে মানুষের মধ্যে নতুন উদ্দীপ্তি তৈরি করেছেন। এসে ঘোষণা করেছেন—“I have a plan।”’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, তারেক প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার কথাই বলেননি, বলেছে তিনি একটা পরিকল্পনা নিয়ে এসেছে দেশকে গড়ার জন্য।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে কর্মযজ্ঞ শুরু করেছিলেন, মাত্র সাড়ে তিন বছরে তিনি বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে বিকশিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার যোগ্য পুত্র তারেক রহমান আজ সেই পথ দেখাচ্ছেন—দেশকে সম্ভাবনাময় করে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি সকলকে অনুরোধ করে বলেন, ‘‘আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে অপশক্তিকে পরাজিত করি, আমাদের নেতাকে শক্তিশালী করি এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাই। অতীত ভুলে আমরা আমাদের অর্জনকে সামনে রেখে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ি—বিশেষত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য। বাংলাদেশ যেন বিশ্ববাসীর সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’’

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, গত ১৮ বছরে বিএনপি প্রতি ধরণের নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের জীবন ১৮ বছর ধ্বংস করা হয়েছে, তছনছ করা হয়েছে। আমার সহকর্মীরা ভয়াবহভাবে নির্যাতিত ও নিগৃহীত হয়েছেন। আমাদের বিরুদ্ধে ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে, ২০ হাজার তরুণ নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। ইলিয়াস আলীসহ তিনজন নেতা ও ১,৭০০ নেতাকর্মীকে গুম করে ফেলা হয়েছে। তবুও আমরা আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে মাথা নত করিনি; লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।’’

আলোচনা সভায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা নেতাদের আগামি দিনের পরিকল্পনা ও ঐক্যবদ্ধ লড়াই প্রসঙ্গে নানা মন্তব্য করেন। মির্জা ফখরুলের ভাষণে ছিল রাজনৈতিক সতর্কতা, ঐক্যের আহ্বান ও প্রত্যাহারহীন প্রতিজ্ঞার মিশ্রণ, যা তার সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে শক্তি যোগানোর লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়েছে।