০৮:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
আইওএম সহযোগিতায় তেহরান থেকে ১৮৬ বাংলাদেশিকে ফেরত আনা হয়েছে: শামা ওবায়েদ ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গড়ার ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার সারাদেশে অভিযান: অবৈধভাবে মজুত করা ২ লাখ ৮ হাজার ৬৫০ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার প্রধানমন্ত্রী: খেলোয়াড়রা রাজনীতিতে না এসে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গড়ে তুলুন ৩০ এপ্রিল সিলেট থেকে শুরু হচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ অবৈধ জ্বালানি তেল মজুত-পাচার রোধে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা মার্চের প্রথম ২৮ দিনে রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড: ৩.৩৩ বিলিয়ন ডলার বিদ্যুৎমন্ত্রী ঘোষণা: প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ বাতিল সরকার ১১ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ করেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু

সরকার গঠনের পর প্রথমবার নয়াপল্টনে তারেক রহমান; কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নেতা–কর্মীদের উচ্ছ্বাস

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর শনিবার সন্ধ্যায় প্রথমবার নয়াপল্টনের বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হন তারেক রহমান। তার গাড়িবহর সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে কার্যালয়ের সামনে পৌঁছলে সেখানে সমবেত নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন এবং সাতটার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও সেখানে পৌঁছান। তারেক রহমান কার্যালয় প্রাঙ্গণে পৌঁছলে গাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে তিনি হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান এবং এরপর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢোকেন।

বিকেলে পুরানা পল্টনের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে নয়াপল্টন পর্যন্ত সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের দুপাশে এবং বিভাজকের ওপর অবস্থান নিয়েছেন পদে–পদে নেতা ও কর্মীরা। তাদের হাতে দলীয় ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগানবাহী প্ল্যাকার্ড ছিল। ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ প্রায় সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সদস্যরা বিচ্ছিন্নভাবে একাধিক স্লোগান দেন; তারা ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম’, ‘ছাত্রদলের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা’সহ নানা ধরণের কণ্ঠস্বর উচ্চারণ করছিলেন।

নেতা–কর্মীদের ভিড়ে নয়াপল্টন এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়; অনেক সময় এক লাইনে চলতে বাধ্য হতে হয় যানবাহনগুলোকে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন, ফকিরাপুল, ভিআইপি রোড ও কাকরাইল এলাকায় কড়াকড়ি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।

একজন নারী কর্মী বলেন, “দুই বছর আগেও আমরা এখানে আসতে পারতাম না; তখন পুলিশে তাড়া করা হতো, গ্রেফতার করা হতো। আর আজ—আল্লাহ চাইলে কী না পারে।” এই বক্তব্যে কার্যালয় প্রাঙ্গণে উপস্থিতদের মধ্যে আবেগ ও আশা মিশ্রিত উৎসাহ পড়েছিল।

সারা ঘটনাচক্রে নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস, ব্যানার–স্লোগান ও কড়াকড়ি নিরাপত্তার মধ্যে নয়াপল্টনের এলাকা কার্যত রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর ও জনধারার মিলনস্থলে পরিণত হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে গড়ার ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার

সরকার গঠনের পর প্রথমবার নয়াপল্টনে তারেক রহমান; কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নেতা–কর্মীদের উচ্ছ্বাস

প্রকাশিতঃ ০২:২৭:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর শনিবার সন্ধ্যায় প্রথমবার নয়াপল্টনের বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হন তারেক রহমান। তার গাড়িবহর সন্ধ্যা ৭টা ২৩ মিনিটে কার্যালয়ের সামনে পৌঁছলে সেখানে সমবেত নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন এবং সাতটার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও সেখানে পৌঁছান। তারেক রহমান কার্যালয় প্রাঙ্গণে পৌঁছলে গাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে তিনি হাত নেড়ে নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান এবং এরপর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢোকেন।

বিকেলে পুরানা পল্টনের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে নয়াপল্টন পর্যন্ত সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের দুপাশে এবং বিভাজকের ওপর অবস্থান নিয়েছেন পদে–পদে নেতা ও কর্মীরা। তাদের হাতে দলীয় ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগানবাহী প্ল্যাকার্ড ছিল। ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ প্রায় সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সদস্যরা বিচ্ছিন্নভাবে একাধিক স্লোগান দেন; তারা ‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম’, ‘ছাত্রদলের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা’সহ নানা ধরণের কণ্ঠস্বর উচ্চারণ করছিলেন।

নেতা–কর্মীদের ভিড়ে নয়াপল্টন এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়; অনেক সময় এক লাইনে চলতে বাধ্য হতে হয় যানবাহনগুলোকে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন, ফকিরাপুল, ভিআইপি রোড ও কাকরাইল এলাকায় কড়াকড়ি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন পয়েন্টে সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।

একজন নারী কর্মী বলেন, “দুই বছর আগেও আমরা এখানে আসতে পারতাম না; তখন পুলিশে তাড়া করা হতো, গ্রেফতার করা হতো। আর আজ—আল্লাহ চাইলে কী না পারে।” এই বক্তব্যে কার্যালয় প্রাঙ্গণে উপস্থিতদের মধ্যে আবেগ ও আশা মিশ্রিত উৎসাহ পড়েছিল।

সারা ঘটনাচক্রে নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস, ব্যানার–স্লোগান ও কড়াকড়ি নিরাপত্তার মধ্যে নয়াপল্টনের এলাকা কার্যত রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর ও জনধারার মিলনস্থলে পরিণত হয়।