০৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে আবার সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়েছে: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে আবারও সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। যারা স্বাধীনতার সময় আমাদের মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল, পাকিস্তানবাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল — তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থেকে পরাজিত করতে হবে এবং স্বাধীনতার শক্তিকে এগিয়ে নিতে হবে, এটাই সাফল্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

গতকাল রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

তিনি দলের প্রধান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি গভীর আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘আমরা সবাই অত্যন্ত আশাবাদী; আমাদের নেতা তারেক রহমানের ওপর আমরা প্রচণ্ড ভরসা রাখি। তিনি দেশে ফিরে এসে মানুষের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছেন। দেশ ও জনগণের জন্য তিনি বললেন — ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’।’’

মির্জা ফখরুল বলেন, তারেক রহমান কোনো প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার ডাক দেননি। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘আমি একটি পরিকল্পনা নিয়ে এসেছি, দেশকে গড়ে তুলব’ — এবং সেটাই তাদের প্রত্যাশা ও কর্মপরিকল্পনা।

বনানীর বিশিষ্ট রাজনৈতিক স্মৃতি হিসেবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে কর্মযজ্ঞ শুরু করেছিলেন, তিনি মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে দেশে সম্ভাবনার চিহ্ন দেখিয়েছিলেন। তার যোগ্য পুত্র তারেক রহমান আজ সেই পথ দেখাচ্ছেন।’’

তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অপশক্তিকে পরাজিত করার আহ্বান জানান এবং বলেন, ‘‘চলুন অতীতের تلখতা ভুলে আমরা আমাদের নেতা তারেক রহমানের হাত আরও শক্তিশালী করে সামনে এগিয়ে যাই। শুধু নেতিবাচক অতীত মনে না রেখে অর্জন করে গড়ি সুন্দর ভবিষ্যৎ—আমাদের সন্তানদের জন্য নিরাপদ ও সম্মানজনক ভবিষ্যৎ। বাংলাদেশ যেন মাথা উঁচু করে বিশ্বের দরবারে দাঁড়াতে পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘‘আমরা দীর্ঘ ১৮ বছর নানা নির্যাতন সহ্য করেছি; আমাদের জীবন এবং সংসার বহুাংশে ধ্বংস করা হয়েছে। আমার সহকর্মীবৃন্দের অনেকেই ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দলের বিরুদ্ধে ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছিল, ২০ হাজার তরুণ নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, ইলিয়াস আলীসহ তিন নেতাকে এবং প্রায় ১,৭০০ নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে। তবু আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি our লক্ষ্য রেখে মাথা নত করিনি—লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।’’

শেষে তিনি পুনরায় দেশের মানুষের কাছে অনুরোধ জানান, একসঙ্গে থেকে জাতির উন্নয়ন ও স্বাধীনতার আদর্শকে রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে আবার সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়েছে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে আবারও সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। যারা স্বাধীনতার সময় আমাদের মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল, পাকিস্তানবাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল — তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থেকে পরাজিত করতে হবে এবং স্বাধীনতার শক্তিকে এগিয়ে নিতে হবে, এটাই সাফল্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

গতকাল রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

তিনি দলের প্রধান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি গভীর আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘আমরা সবাই অত্যন্ত আশাবাদী; আমাদের নেতা তারেক রহমানের ওপর আমরা প্রচণ্ড ভরসা রাখি। তিনি দেশে ফিরে এসে মানুষের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছেন। দেশ ও জনগণের জন্য তিনি বললেন — ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’।’’

মির্জা ফখরুল বলেন, তারেক রহমান কোনো প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার ডাক দেননি। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘আমি একটি পরিকল্পনা নিয়ে এসেছি, দেশকে গড়ে তুলব’ — এবং সেটাই তাদের প্রত্যাশা ও কর্মপরিকল্পনা।

বনানীর বিশিষ্ট রাজনৈতিক স্মৃতি হিসেবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে কর্মযজ্ঞ শুরু করেছিলেন, তিনি মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে দেশে সম্ভাবনার চিহ্ন দেখিয়েছিলেন। তার যোগ্য পুত্র তারেক রহমান আজ সেই পথ দেখাচ্ছেন।’’

তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অপশক্তিকে পরাজিত করার আহ্বান জানান এবং বলেন, ‘‘চলুন অতীতের تلখতা ভুলে আমরা আমাদের নেতা তারেক রহমানের হাত আরও শক্তিশালী করে সামনে এগিয়ে যাই। শুধু নেতিবাচক অতীত মনে না রেখে অর্জন করে গড়ি সুন্দর ভবিষ্যৎ—আমাদের সন্তানদের জন্য নিরাপদ ও সম্মানজনক ভবিষ্যৎ। বাংলাদেশ যেন মাথা উঁচু করে বিশ্বের দরবারে দাঁড়াতে পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘‘আমরা দীর্ঘ ১৮ বছর নানা নির্যাতন সহ্য করেছি; আমাদের জীবন এবং সংসার বহুাংশে ধ্বংস করা হয়েছে। আমার সহকর্মীবৃন্দের অনেকেই ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দলের বিরুদ্ধে ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছিল, ২০ হাজার তরুণ নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, ইলিয়াস আলীসহ তিন নেতাকে এবং প্রায় ১,৭০০ নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে। তবু আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি our লক্ষ্য রেখে মাথা নত করিনি—লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।’’

শেষে তিনি পুনরায় দেশের মানুষের কাছে অনুরোধ জানান, একসঙ্গে থেকে জাতির উন্নয়ন ও স্বাধীনতার আদর্শকে রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।