১০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত: বিশ্বজুড়ে খাদ্যদামের উত্থান অপতথ্য রোধে পুরোনো কাঠামোতে আমূল সংস্কার জরুরি: তথ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথমবারের বৈঠক—গঠিত হচ্ছে ‘বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদ’ জ্বালানি সংকটে অফিসঘণ্টা বদল, সন্ধ্যা ৬টার পর মার্কেট বন্ধের নির্দেশ ত্রিমুখী চ্যালেঞ্জে অর্থনীতি: জ্বালানি, মূল্যস্ফীতি ও ডলারের চাপ জ্বালানি সঙ্কটে অফিস সময় বদল — সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা জ্বালানি সাশ্রয়ে রাত ৮টার মধ্যে দোকান-শপিংমল বন্ধের ঘোষণা হরমুজ এড়িয়ে ইয়ানবু থেকে বিকল্প পথে ১ লক্ষ টন তেল চট্টগ্রামে আসছে সাইয়েদ বিন আব্দুল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর যুব কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী নিযুক্ত দেশে ১৩৬টি বিদ্যুৎকেন্দ্র, মোট ক্ষমতা ২৮,৯১৯ মেগাওয়াট: বিদ্যুৎমন্ত্রী

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে আবার সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়েছে: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে আবারও সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। যারা স্বাধীনতার সময় আমাদের মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল, পাকিস্তানবাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল — তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থেকে পরাজিত করতে হবে এবং স্বাধীনতার শক্তিকে এগিয়ে নিতে হবে, এটাই সাফল্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

গতকাল রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

তিনি দলের প্রধান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি গভীর আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘আমরা সবাই অত্যন্ত আশাবাদী; আমাদের নেতা তারেক রহমানের ওপর আমরা প্রচণ্ড ভরসা রাখি। তিনি দেশে ফিরে এসে মানুষের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছেন। দেশ ও জনগণের জন্য তিনি বললেন — ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’।’’

মির্জা ফখরুল বলেন, তারেক রহমান কোনো প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার ডাক দেননি। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘আমি একটি পরিকল্পনা নিয়ে এসেছি, দেশকে গড়ে তুলব’ — এবং সেটাই তাদের প্রত্যাশা ও কর্মপরিকল্পনা।

বনানীর বিশিষ্ট রাজনৈতিক স্মৃতি হিসেবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে কর্মযজ্ঞ শুরু করেছিলেন, তিনি মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে দেশে সম্ভাবনার চিহ্ন দেখিয়েছিলেন। তার যোগ্য পুত্র তারেক রহমান আজ সেই পথ দেখাচ্ছেন।’’

তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অপশক্তিকে পরাজিত করার আহ্বান জানান এবং বলেন, ‘‘চলুন অতীতের تلখতা ভুলে আমরা আমাদের নেতা তারেক রহমানের হাত আরও শক্তিশালী করে সামনে এগিয়ে যাই। শুধু নেতিবাচক অতীত মনে না রেখে অর্জন করে গড়ি সুন্দর ভবিষ্যৎ—আমাদের সন্তানদের জন্য নিরাপদ ও সম্মানজনক ভবিষ্যৎ। বাংলাদেশ যেন মাথা উঁচু করে বিশ্বের দরবারে দাঁড়াতে পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘‘আমরা দীর্ঘ ১৮ বছর নানা নির্যাতন সহ্য করেছি; আমাদের জীবন এবং সংসার বহুাংশে ধ্বংস করা হয়েছে। আমার সহকর্মীবৃন্দের অনেকেই ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দলের বিরুদ্ধে ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছিল, ২০ হাজার তরুণ নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, ইলিয়াস আলীসহ তিন নেতাকে এবং প্রায় ১,৭০০ নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে। তবু আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি our লক্ষ্য রেখে মাথা নত করিনি—লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।’’

শেষে তিনি পুনরায় দেশের মানুষের কাছে অনুরোধ জানান, একসঙ্গে থেকে জাতির উন্নয়ন ও স্বাধীনতার আদর্শকে রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

অপতথ্য রোধে পুরোনো কাঠামোতে আমূল সংস্কার জরুরি: তথ্যমন্ত্রী

স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে আবার সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়েছে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিতঃ ১০:৪১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরে আবারও সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। যারা স্বাধীনতার সময় আমাদের মা-বোনদের সম্ভ্রমহানি ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল, পাকিস্তানবাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল — তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থেকে পরাজিত করতে হবে এবং স্বাধীনতার শক্তিকে এগিয়ে নিতে হবে, এটাই সাফল্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

গতকাল রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিএনপির আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

তিনি দলের প্রধান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি গভীর আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘আমরা সবাই অত্যন্ত আশাবাদী; আমাদের নেতা তারেক রহমানের ওপর আমরা প্রচণ্ড ভরসা রাখি। তিনি দেশে ফিরে এসে মানুষের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছেন। দেশ ও জনগণের জন্য তিনি বললেন — ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’।’’

মির্জা ফখরুল বলেন, তারেক রহমান কোনো প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার ডাক দেননি। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘আমি একটি পরিকল্পনা নিয়ে এসেছি, দেশকে গড়ে তুলব’ — এবং সেটাই তাদের প্রত্যাশা ও কর্মপরিকল্পনা।

বনানীর বিশিষ্ট রাজনৈতিক স্মৃতি হিসেবে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে কর্মযজ্ঞ শুরু করেছিলেন, তিনি মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে দেশে সম্ভাবনার চিহ্ন দেখিয়েছিলেন। তার যোগ্য পুত্র তারেক রহমান আজ সেই পথ দেখাচ্ছেন।’’

তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অপশক্তিকে পরাজিত করার আহ্বান জানান এবং বলেন, ‘‘চলুন অতীতের تلখতা ভুলে আমরা আমাদের নেতা তারেক রহমানের হাত আরও শক্তিশালী করে সামনে এগিয়ে যাই। শুধু নেতিবাচক অতীত মনে না রেখে অর্জন করে গড়ি সুন্দর ভবিষ্যৎ—আমাদের সন্তানদের জন্য নিরাপদ ও সম্মানজনক ভবিষ্যৎ। বাংলাদেশ যেন মাথা উঁচু করে বিশ্বের দরবারে দাঁড়াতে পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘‘আমরা দীর্ঘ ১৮ বছর নানা নির্যাতন সহ্য করেছি; আমাদের জীবন এবং সংসার বহুাংশে ধ্বংস করা হয়েছে। আমার সহকর্মীবৃন্দের অনেকেই ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। দলের বিরুদ্ধে ৬০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছিল, ২০ হাজার তরুণ নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে, ইলিয়াস আলীসহ তিন নেতাকে এবং প্রায় ১,৭০০ নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে। তবু আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি our লক্ষ্য রেখে মাথা নত করিনি—লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি।’’

শেষে তিনি পুনরায় দেশের মানুষের কাছে অনুরোধ জানান, একসঙ্গে থেকে জাতির উন্নয়ন ও স্বাধীনতার আদর্শকে রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।