০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ভৈরবে ৯১টি প্রাথমিকে ২৩০০ শিক্ষার্থী পাবেন বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ৯১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোমলমতি শিক্ষার্থীর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি। নমনের্থ্র এই উদ্যোগে টিফিন হিসেবে নিয়মিত পুষ্টিকর বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা বিতরণ করা হবে, যার লক্ষ্য স্কুলে উপস্থিতি বাড়ানো ও শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি দূর করা।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ভৈরব বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাজটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে.এম. মামুনুর রশীদ, যিনি বলেন, “একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে প্রাথমিক 단계 থেকেই শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা অপরিহার্য। অনিয়মিত বা অপুষ্টিকর খাবারের কারণে শিশুরা পড়াশোনায় মনোযোগ হারায়; সরকারের এই স্কুল ফিডিং কর্মসূচি সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে। আমরা খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস করব না।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সানজিদা বেগম, ভৈরব বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রণয় কুমার এবং ভৈরব প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব সোহেলুর রহমান।

কর্মসূচির বাস্তবায়ন ও টিফিন সরবরাহের দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফাস্ট এসএস এন্টারপ্রাইজ, যারা সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে এ কাজটি চালাবেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিসহ আরিফুল হক সুজন বলেন, “ধাপে ধাপে উপজেলা এলাকার প্রতিটি নির্ধারিত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর কাছে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেয়া হবে। খাবারের মান বজায় রাখতে আমরা নিয়মিত তদারকি ও মনিটরিং চালাব।”

স্থানীয় কর্মকর্তা ও শিক্ষাবিদরা আশা করছেন, চালু হওয়া এই কর্মসূচির ফলে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদী পুষ্টি ঘাটতি কমে দেশের মানুষের সামগ্রিক সুস্থতায় সহায়ক হবে। পরিকল্পনাকারীরা আরও জানিয়েছেন, খাদ্য সরবরাহ ও গুণগত মান নিয়ন্ত্রণে অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ চলবে।

প্রতিষ্ঠানটি কিভাবে বিতরণ ও মান নিয়ন্ত্রণ করবে তার সহজবোধ্য পরিকল্পনা থাকায় অভিভাবক ও শিক্ষকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, কর্মসূচি দীর্ঘদিন টিকে থাকবে এবং শিশুদের পুষ্টি, শিক্ষা ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ভৈরবে ৯১টি প্রাথমিকে ২৩০০ শিক্ষার্থী পাবেন বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ৯১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোমলমতি শিক্ষার্থীর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি। নমনের্থ্র এই উদ্যোগে টিফিন হিসেবে নিয়মিত পুষ্টিকর বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা বিতরণ করা হবে, যার লক্ষ্য স্কুলে উপস্থিতি বাড়ানো ও শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি দূর করা।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ভৈরব বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাজটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে.এম. মামুনুর রশীদ, যিনি বলেন, “একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে প্রাথমিক 단계 থেকেই শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা অপরিহার্য। অনিয়মিত বা অপুষ্টিকর খাবারের কারণে শিশুরা পড়াশোনায় মনোযোগ হারায়; সরকারের এই স্কুল ফিডিং কর্মসূচি সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে। আমরা খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস করব না।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সানজিদা বেগম, ভৈরব বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রণয় কুমার এবং ভৈরব প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব সোহেলুর রহমান।

কর্মসূচির বাস্তবায়ন ও টিফিন সরবরাহের দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফাস্ট এসএস এন্টারপ্রাইজ, যারা সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে এ কাজটি চালাবেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিসহ আরিফুল হক সুজন বলেন, “ধাপে ধাপে উপজেলা এলাকার প্রতিটি নির্ধারিত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর কাছে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেয়া হবে। খাবারের মান বজায় রাখতে আমরা নিয়মিত তদারকি ও মনিটরিং চালাব।”

স্থানীয় কর্মকর্তা ও শিক্ষাবিদরা আশা করছেন, চালু হওয়া এই কর্মসূচির ফলে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদী পুষ্টি ঘাটতি কমে দেশের মানুষের সামগ্রিক সুস্থতায় সহায়ক হবে। পরিকল্পনাকারীরা আরও জানিয়েছেন, খাদ্য সরবরাহ ও গুণগত মান নিয়ন্ত্রণে অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ চলবে।

প্রতিষ্ঠানটি কিভাবে বিতরণ ও মান নিয়ন্ত্রণ করবে তার সহজবোধ্য পরিকল্পনা থাকায় অভিভাবক ও শিক্ষকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, কর্মসূচি দীর্ঘদিন টিকে থাকবে এবং শিশুদের পুষ্টি, শিক্ষা ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।