০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভৈরবে ৯১টি প্রাথমিকে ২৩০০ শিক্ষার্থী পাবেন বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ৯১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোমলমতি শিক্ষার্থীর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি। নমনের্থ্র এই উদ্যোগে টিফিন হিসেবে নিয়মিত পুষ্টিকর বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা বিতরণ করা হবে, যার লক্ষ্য স্কুলে উপস্থিতি বাড়ানো ও শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি দূর করা।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ভৈরব বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাজটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে.এম. মামুনুর রশীদ, যিনি বলেন, “একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে প্রাথমিক 단계 থেকেই শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা অপরিহার্য। অনিয়মিত বা অপুষ্টিকর খাবারের কারণে শিশুরা পড়াশোনায় মনোযোগ হারায়; সরকারের এই স্কুল ফিডিং কর্মসূচি সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে। আমরা খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস করব না।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সানজিদা বেগম, ভৈরব বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রণয় কুমার এবং ভৈরব প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব সোহেলুর রহমান।

কর্মসূচির বাস্তবায়ন ও টিফিন সরবরাহের দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফাস্ট এসএস এন্টারপ্রাইজ, যারা সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে এ কাজটি চালাবেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিসহ আরিফুল হক সুজন বলেন, “ধাপে ধাপে উপজেলা এলাকার প্রতিটি নির্ধারিত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর কাছে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেয়া হবে। খাবারের মান বজায় রাখতে আমরা নিয়মিত তদারকি ও মনিটরিং চালাব।”

স্থানীয় কর্মকর্তা ও শিক্ষাবিদরা আশা করছেন, চালু হওয়া এই কর্মসূচির ফলে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদী পুষ্টি ঘাটতি কমে দেশের মানুষের সামগ্রিক সুস্থতায় সহায়ক হবে। পরিকল্পনাকারীরা আরও জানিয়েছেন, খাদ্য সরবরাহ ও গুণগত মান নিয়ন্ত্রণে অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ চলবে।

প্রতিষ্ঠানটি কিভাবে বিতরণ ও মান নিয়ন্ত্রণ করবে তার সহজবোধ্য পরিকল্পনা থাকায় অভিভাবক ও শিক্ষকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, কর্মসূচি দীর্ঘদিন টিকে থাকবে এবং শিশুদের পুষ্টি, শিক্ষা ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ভৈরবে ৯১টি প্রাথমিকে ২৩০০ শিক্ষার্থী পাবেন বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ৯১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোমলমতি শিক্ষার্থীর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি। নমনের্থ্র এই উদ্যোগে টিফিন হিসেবে নিয়মিত পুষ্টিকর বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা বিতরণ করা হবে, যার লক্ষ্য স্কুলে উপস্থিতি বাড়ানো ও শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি দূর করা।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ভৈরব বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাজটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে.এম. মামুনুর রশীদ, যিনি বলেন, “একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে প্রাথমিক 단계 থেকেই শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা অপরিহার্য। অনিয়মিত বা অপুষ্টিকর খাবারের কারণে শিশুরা পড়াশোনায় মনোযোগ হারায়; সরকারের এই স্কুল ফিডিং কর্মসূচি সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে। আমরা খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস করব না।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সানজিদা বেগম, ভৈরব বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রণয় কুমার এবং ভৈরব প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব সোহেলুর রহমান।

কর্মসূচির বাস্তবায়ন ও টিফিন সরবরাহের দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফাস্ট এসএস এন্টারপ্রাইজ, যারা সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে এ কাজটি চালাবেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিসহ আরিফুল হক সুজন বলেন, “ধাপে ধাপে উপজেলা এলাকার প্রতিটি নির্ধারিত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর কাছে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেয়া হবে। খাবারের মান বজায় রাখতে আমরা নিয়মিত তদারকি ও মনিটরিং চালাব।”

স্থানীয় কর্মকর্তা ও শিক্ষাবিদরা আশা করছেন, চালু হওয়া এই কর্মসূচির ফলে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদী পুষ্টি ঘাটতি কমে দেশের মানুষের সামগ্রিক সুস্থতায় সহায়ক হবে। পরিকল্পনাকারীরা আরও জানিয়েছেন, খাদ্য সরবরাহ ও গুণগত মান নিয়ন্ত্রণে অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ চলবে।

প্রতিষ্ঠানটি কিভাবে বিতরণ ও মান নিয়ন্ত্রণ করবে তার সহজবোধ্য পরিকল্পনা থাকায় অভিভাবক ও শিক্ষকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, কর্মসূচি দীর্ঘদিন টিকে থাকবে এবং শিশুদের পুষ্টি, শিক্ষা ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।