১০:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
চিফ হুইপ নূরুল ইসলামের সঙ্গে আমেরিকান কূটনীতিক স্টুয়ার্ট জেমসের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রত্যেক নাগরিকের সম্মানসহ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত: ঢাকায় ৯৭২ ফ্লাইট বাতিল একনেকে ৫টি প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ধরা ৪৮৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক: সহযোগিতা ও পাইপলাইন ডিলে নিয়ে আলোচনা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে আমাকে কখনও ডাকেননি: সাবেক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দেশ গঠনে সব ধর্মাবলম্বীর ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী হাম-রুবেলা প্রতিরোধে ১৮ জেলা, ৩০ উপজেলায় জরুরি টিকাদান শুরু দুর্যোগ প্রতিরোধে আরও ১২৮টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ভৈরবে ৯১টি প্রাথমিকে ২৩০০ শিক্ষার্থী পাবেন বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ৯১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোমলমতি শিক্ষার্থীর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি। নমনের্থ্র এই উদ্যোগে টিফিন হিসেবে নিয়মিত পুষ্টিকর বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা বিতরণ করা হবে, যার লক্ষ্য স্কুলে উপস্থিতি বাড়ানো ও শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি দূর করা।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ভৈরব বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাজটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে.এম. মামুনুর রশীদ, যিনি বলেন, “একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে প্রাথমিক 단계 থেকেই শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা অপরিহার্য। অনিয়মিত বা অপুষ্টিকর খাবারের কারণে শিশুরা পড়াশোনায় মনোযোগ হারায়; সরকারের এই স্কুল ফিডিং কর্মসূচি সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে। আমরা খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস করব না।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সানজিদা বেগম, ভৈরব বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রণয় কুমার এবং ভৈরব প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব সোহেলুর রহমান।

কর্মসূচির বাস্তবায়ন ও টিফিন সরবরাহের দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফাস্ট এসএস এন্টারপ্রাইজ, যারা সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে এ কাজটি চালাবেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিসহ আরিফুল হক সুজন বলেন, “ধাপে ধাপে উপজেলা এলাকার প্রতিটি নির্ধারিত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর কাছে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেয়া হবে। খাবারের মান বজায় রাখতে আমরা নিয়মিত তদারকি ও মনিটরিং চালাব।”

স্থানীয় কর্মকর্তা ও শিক্ষাবিদরা আশা করছেন, চালু হওয়া এই কর্মসূচির ফলে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদী পুষ্টি ঘাটতি কমে দেশের মানুষের সামগ্রিক সুস্থতায় সহায়ক হবে। পরিকল্পনাকারীরা আরও জানিয়েছেন, খাদ্য সরবরাহ ও গুণগত মান নিয়ন্ত্রণে অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ চলবে।

প্রতিষ্ঠানটি কিভাবে বিতরণ ও মান নিয়ন্ত্রণ করবে তার সহজবোধ্য পরিকল্পনা থাকায় অভিভাবক ও শিক্ষকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, কর্মসূচি দীর্ঘদিন টিকে থাকবে এবং শিশুদের পুষ্টি, শিক্ষা ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ নূরুল ইসলামের সঙ্গে আমেরিকান কূটনীতিক স্টুয়ার্ট জেমসের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ভৈরবে ৯১টি প্রাথমিকে ২৩০০ শিক্ষার্থী পাবেন বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা

প্রকাশিতঃ ০৭:২৪:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ৯১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২ হাজার ৩০০ কোমলমতি শিক্ষার্থীর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি। নমনের্থ্র এই উদ্যোগে টিফিন হিসেবে নিয়মিত পুষ্টিকর বনরুটি, সিদ্ধ ডিম ও কলা বিতরণ করা হবে, যার লক্ষ্য স্কুলে উপস্থিতি বাড়ানো ও শিশুদের পুষ্টির ঘাটতি দূর করা।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ভৈরব বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাজটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে.এম. মামুনুর রশীদ, যিনি বলেন, “একটি সুস্থ, সবল ও মেধাবী জাতি গঠনে প্রাথমিক 단계 থেকেই শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা অপরিহার্য। অনিয়মিত বা অপুষ্টিকর খাবারের কারণে শিশুরা পড়াশোনায় মনোযোগ হারায়; সরকারের এই স্কুল ফিডিং কর্মসূচি সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে। আমরা খাবারের মান নিয়ে কোনো আপস করব না।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সানজিদা বেগম, ভৈরব বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রণয় কুমার এবং ভৈরব প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব সোহেলুর রহমান।

কর্মসূচির বাস্তবায়ন ও টিফিন সরবরাহের দায়িত্ব পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ফাস্ট এসএস এন্টারপ্রাইজ, যারা সরকারি টেন্ডারের মাধ্যমে এ কাজটি চালাবেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিসহ আরিফুল হক সুজন বলেন, “ধাপে ধাপে উপজেলা এলাকার প্রতিটি নির্ধারিত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর কাছে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেয়া হবে। খাবারের মান বজায় রাখতে আমরা নিয়মিত তদারকি ও মনিটরিং চালাব।”

স্থানীয় কর্মকর্তা ও শিক্ষাবিদরা আশা করছেন, চালু হওয়া এই কর্মসূচির ফলে বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদী পুষ্টি ঘাটতি কমে দেশের মানুষের সামগ্রিক সুস্থতায় সহায়ক হবে। পরিকল্পনাকারীরা আরও জানিয়েছেন, খাদ্য সরবরাহ ও গুণগত মান নিয়ন্ত্রণে অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ চলবে।

প্রতিষ্ঠানটি কিভাবে বিতরণ ও মান নিয়ন্ত্রণ করবে তার সহজবোধ্য পরিকল্পনা থাকায় অভিভাবক ও শিক্ষকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, কর্মসূচি দীর্ঘদিন টিকে থাকবে এবং শিশুদের পুষ্টি, শিক্ষা ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।