১০:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
তথ্যমন্ত্রী: ভূ-রাজনীতি, জ্বালানি ও পরিবেশের জটিল যোগসূত্র তরুণদের অনুধাবন করতে হবে দুদকে আবেদন: আসিফ নজরুল ও মাসুমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনুসন্ধান দাবি কলমে ছদ্মবেশী ‘পেনগান’—রাসেলকে হত্যাচেষ্টায় আইনশৃঙ্খলার উদ্বেগ হামের টিকাদান শুরু ২০ এপ্রিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঘোষণা প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণ করা হবে: প্রধানমন্ত্রী সংসদে পাস সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) ২০২৬ — আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই রাখল বিল অদূরদর্শী সিদ্ধান্তে টিকা কর্মসূচি বিঘ্নিত: ডা. মুশতাকের অভিযোগ ১৮ এপ্রিল থেকে ২০২৬ হজ ফ্লাইট শুরু হবে — ধর্মমন্ত্রী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ ৯টি অধ্যাদেশ বিল হিসেবে সংসদে পাস করোনা ভ্যাকসিনে খরচ ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিনিয়োগ সীমা লঙ্ঘনে রেইস ম্যানেজমেন্টকে ৫৫ লাখ টাকা জরিমানা

আইনে নির্ধারিত বিনিয়োগ সীমা মেনে না চলায় রেইস ম্যানেজমেন্ট পিএলসিকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৫৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। বিএসইসির এনফোর্সমেন্ট বিভাগ গত মাসে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে এবং ৩০ দিনের মধ্যে জরিমানার টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশানুযায়ী রেইস পরিচালিত ১১টি মিউচুয়াল ফান্ড নির্ধারিত বিনিয়োগ মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি। বিএসইসির নিয়ম অনুযায়ী these ফান্ডগুলোকে ২০২২ সালের জুনের মধ্যে অন্তত ৩ শতাংশ অর্থ তালিকাভুক্ত ডেট সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করার নিয়ম ছিল, যা পরে ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তবুও ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্তও ওই ১১টি ফান্ডের বিনিয়োগ ৩ শতাংশের নিচেই ছিল।

এর পাশাপাশি, ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর অন্তত ১ শতাংশ অর্থ তালিকাভুক্ত ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করার শর্ত থাকলেও ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত এসব ফান্ড ট্রেজারি বন্ডে কোনো বিনিয়োগ করে না। ট্রাস্টি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) বিষয়টি বিএসইসিকে জানিয়েছিল, কিন্তু তা মেনে চলা হয়নি।

বিএসইসির শুনানিতে রেইস ম্যানেজমেন্ট বিনিয়োগ সীমা ভাঙার কারণ হিসেবে নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদন্ত, লেনদেনে বিধিনিষেধ, ব্যাংক হিসাব জব্দ ও ফ্লোর প্রাইস আরোপের বিষয় উল্লেখ করে ব্যাখ্যা দেয়। তবে কমিশন এসব ব্যাখ্যাকে গ্রহণযোগ্য না ধরে সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রতিটি ফান্ডের বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকার জরিমানার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে মোট জরিমানার পরিমাণ দাঁড়ায় ৫৫ লাখ টাকা।

বিএসইসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জরিমানার অর্থ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না পরিশোধ করলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্ত মিউচুয়াল ফান্ড রেগুলেশনের কঠোর বাস্তবায়ন ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় নেওয়া পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দুদকে আবেদন: আসিফ নজরুল ও মাসুমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনুসন্ধান দাবি

বিনিয়োগ সীমা লঙ্ঘনে রেইস ম্যানেজমেন্টকে ৫৫ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

আইনে নির্ধারিত বিনিয়োগ সীমা মেনে না চলায় রেইস ম্যানেজমেন্ট পিএলসিকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ৫৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। বিএসইসির এনফোর্সমেন্ট বিভাগ গত মাসে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে এবং ৩০ দিনের মধ্যে জরিমানার টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশানুযায়ী রেইস পরিচালিত ১১টি মিউচুয়াল ফান্ড নির্ধারিত বিনিয়োগ মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি। বিএসইসির নিয়ম অনুযায়ী these ফান্ডগুলোকে ২০২২ সালের জুনের মধ্যে অন্তত ৩ শতাংশ অর্থ তালিকাভুক্ত ডেট সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করার নিয়ম ছিল, যা পরে ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তবুও ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্তও ওই ১১টি ফান্ডের বিনিয়োগ ৩ শতাংশের নিচেই ছিল।

এর পাশাপাশি, ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর অন্তত ১ শতাংশ অর্থ তালিকাভুক্ত ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করার শর্ত থাকলেও ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত এসব ফান্ড ট্রেজারি বন্ডে কোনো বিনিয়োগ করে না। ট্রাস্টি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) বিষয়টি বিএসইসিকে জানিয়েছিল, কিন্তু তা মেনে চলা হয়নি।

বিএসইসির শুনানিতে রেইস ম্যানেজমেন্ট বিনিয়োগ সীমা ভাঙার কারণ হিসেবে নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদন্ত, লেনদেনে বিধিনিষেধ, ব্যাংক হিসাব জব্দ ও ফ্লোর প্রাইস আরোপের বিষয় উল্লেখ করে ব্যাখ্যা দেয়। তবে কমিশন এসব ব্যাখ্যাকে গ্রহণযোগ্য না ধরে সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রতিটি ফান্ডের বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকার জরিমানার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে মোট জরিমানার পরিমাণ দাঁড়ায় ৫৫ লাখ টাকা।

বিএসইসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জরিমানার অর্থ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না পরিশোধ করলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্ত মিউচুয়াল ফান্ড রেগুলেশনের কঠোর বাস্তবায়ন ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় নেওয়া পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।