০৭:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দিতে দেশীয় অ্যাম্বুলেন্স তৈরির উদ্যোগ সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা বাড়ছে, বিজিবি ও স্থানীয়রা প্রতিহত করেছেন ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ বিশেষ সিদ্ধান্তে ৬৫ শতাংশ গ্রাহকের বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তিত: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট ও তিন মাসের বিশেষ অভিযান শুরু কাদুগলির শহীদ ছয় বাংলাদেশিকে নিউইয়র্কে ‘ড্যাগ হ্যামারশোল্ড’ মরণোত্তর পদক অর্থনীতির গতি ফিরাতে রোডশো — বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গ্রিন কনসার্নসের উদ্যোগে তেজগাঁওয়ে রোড ডিভাইডারে বৃক্ষরোপণ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ল — হতাহতের খবর নেই শহীদ জিয়ার সার্ক-ভিত্তিক বহুপাক্ষিক কূটনীতি সরকারের মূল পথ: তথ্যমন্ত্রী

শেয়ারবাজারের উত্থানে বিশ্বজুড়ে লাখপতি ও সম্পদের রেকর্ড বৃদ্ধি

বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারের তীব্র উত্থানের ফলে গত এক বছরে প্রায় ২০ লাখ মানুষ নতুন করে লাখপতির তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। ক্যাপজেমিনির সর্বশেষ ওয়ার্ল্ড ওয়েলথ রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২৫ সালে লাখপতির সংখ্যা ৭.৯ শতাংশ বেড়ে মোট ২ কোটি ৫৩ লাখে পৌঁছেছে। একই সময়ে তাদের সম্মিলিত সম্পদ ৮.৭ শতাংশ বাড়ে এবং তা দাঁড়ায় ৯৮.৩ ট্রিলিয়ন ডলারে — রিপোর্ট অনুযায়ী গত পাঁচ বছরে এটিই সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধির হার। সিএনবিসি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রিপোর্টে লাখপতি হিসেবে সেই ব্যক্তিদের ধরা হয়েছে যাদের বিনিয়োগযোগ্য সম্পদের পরিমাণ (প্রধান আবাসস্থল ও ব্যক্তিগত সামগ্রী বাদে) কমপক্ষে ১ মিলিয়ন ডলার। গবেষণায় দেখা গেছে সাধারণ লাখপতিদের তুলনায় আল্ট্রা-হাই-নেট-ওয়ার্থ (অতিধনী) ব্যক্তিদের সম্পদের প্রবৃদ্ধি আরও বেশি। বিশেষত যাদের বিনিয়োগযোগ্য সম্পদ ৩০ মিলিয়ন ডলারের বেশি, তাদের সংখ্যা ৯.৪ শতাংশ বেড়ে প্রায় ২.৫ লক্ষে পৌঁছেছে। যদিও এই অতিধনীরা মোট লাখপতিদের মাত্র প্রায় ১ শতাংশ, তাদের নিয়ন্ত্রণে আছে লাখপতিদের সম্মিলিত সম্পদের প্রায় ৩৫ শতাংশ।

ভৌগোলিকভাবে নতুন লাখপতি তৈরির প্রতিযোগিতায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে গত বছরে প্রায় ৭৩ লাখ নতুন নয়—নতুন লাখপতি যুক্ত হওয়ায় মোট সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৭ লাখ ৩০ হাজার। আমেরিকার পাশাপাশি এশিয়াতেও সক্রিয় বৃদ্ধি দেখা গেছে; এশিয়ায় লাখপতির সংখ্যা ৯.৪ শতাংশ বাড়ে এবং তা now ৮৩ লাখ ৭০ হাজারে পৌঁছেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ারবাজারের তীব্র উত্থান (প্রতিবেদন অনুসারে প্রায় ৭৬ শতাংশ) ও তাইওয়ানের চিপ শিল্পের পুনরুজ্জীবনের প্রভাব এখানে বড় ভূমিকা পালন করেছে। ইউরোপে লাখপতির সংখ্যা প্রায় ৬.৫ শতাংশ বেড়েছে, কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে এই সংখ্যা ধীরে হ্রাস পেয়ে প্রায় ১.৪ শতাংশ কমেছে।

বিশ্লেষকরাও বলছেন বর্তমান শেয়ারবাজার পরিস্থিতি ধনী ব্যক্তিদের নগদ সঞ্চয়ের চেয়ে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। একই সঙ্গে আধুনিক উচ্চসম্পদশীলরা তাদের সম্পদ পরিচালনার জন্য একক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির ওপর নির্ভর না করে একাধিক বিশেষজ্ঞ ও পরামর্শক সংস্থার সেবা গ্রহণ করছে। এই প্রবণতা বিশ্বে ব্যক্তিগত সম্পদ ব্যবস্থাপনায় একটি পরিবর্তন ইঙ্গিত করছে, তবে সম্পদ সংকেন্দ্রীকরণের খুঁটিনাটি প্রভাব নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা বাড়ছে, বিজিবি ও স্থানীয়রা প্রতিহত করেছেন

শেয়ারবাজারের উত্থানে বিশ্বজুড়ে লাখপতি ও সম্পদের রেকর্ড বৃদ্ধি

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারের তীব্র উত্থানের ফলে গত এক বছরে প্রায় ২০ লাখ মানুষ নতুন করে লাখপতির তালিকায় যুক্ত হয়েছেন। ক্যাপজেমিনির সর্বশেষ ওয়ার্ল্ড ওয়েলথ রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২৫ সালে লাখপতির সংখ্যা ৭.৯ শতাংশ বেড়ে মোট ২ কোটি ৫৩ লাখে পৌঁছেছে। একই সময়ে তাদের সম্মিলিত সম্পদ ৮.৭ শতাংশ বাড়ে এবং তা দাঁড়ায় ৯৮.৩ ট্রিলিয়ন ডলারে — রিপোর্ট অনুযায়ী গত পাঁচ বছরে এটিই সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধির হার। সিএনবিসি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রিপোর্টে লাখপতি হিসেবে সেই ব্যক্তিদের ধরা হয়েছে যাদের বিনিয়োগযোগ্য সম্পদের পরিমাণ (প্রধান আবাসস্থল ও ব্যক্তিগত সামগ্রী বাদে) কমপক্ষে ১ মিলিয়ন ডলার। গবেষণায় দেখা গেছে সাধারণ লাখপতিদের তুলনায় আল্ট্রা-হাই-নেট-ওয়ার্থ (অতিধনী) ব্যক্তিদের সম্পদের প্রবৃদ্ধি আরও বেশি। বিশেষত যাদের বিনিয়োগযোগ্য সম্পদ ৩০ মিলিয়ন ডলারের বেশি, তাদের সংখ্যা ৯.৪ শতাংশ বেড়ে প্রায় ২.৫ লক্ষে পৌঁছেছে। যদিও এই অতিধনীরা মোট লাখপতিদের মাত্র প্রায় ১ শতাংশ, তাদের নিয়ন্ত্রণে আছে লাখপতিদের সম্মিলিত সম্পদের প্রায় ৩৫ শতাংশ।

ভৌগোলিকভাবে নতুন লাখপতি তৈরির প্রতিযোগিতায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে গত বছরে প্রায় ৭৩ লাখ নতুন নয়—নতুন লাখপতি যুক্ত হওয়ায় মোট সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৭ লাখ ৩০ হাজার। আমেরিকার পাশাপাশি এশিয়াতেও সক্রিয় বৃদ্ধি দেখা গেছে; এশিয়ায় লাখপতির সংখ্যা ৯.৪ শতাংশ বাড়ে এবং তা now ৮৩ লাখ ৭০ হাজারে পৌঁছেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার শেয়ারবাজারের তীব্র উত্থান (প্রতিবেদন অনুসারে প্রায় ৭৬ শতাংশ) ও তাইওয়ানের চিপ শিল্পের পুনরুজ্জীবনের প্রভাব এখানে বড় ভূমিকা পালন করেছে। ইউরোপে লাখপতির সংখ্যা প্রায় ৬.৫ শতাংশ বেড়েছে, কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে এই সংখ্যা ধীরে হ্রাস পেয়ে প্রায় ১.৪ শতাংশ কমেছে।

বিশ্লেষকরাও বলছেন বর্তমান শেয়ারবাজার পরিস্থিতি ধনী ব্যক্তিদের নগদ সঞ্চয়ের চেয়ে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। একই সঙ্গে আধুনিক উচ্চসম্পদশীলরা তাদের সম্পদ পরিচালনার জন্য একক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির ওপর নির্ভর না করে একাধিক বিশেষজ্ঞ ও পরামর্শক সংস্থার সেবা গ্রহণ করছে। এই প্রবণতা বিশ্বে ব্যক্তিগত সম্পদ ব্যবস্থাপনায় একটি পরিবর্তন ইঙ্গিত করছে, তবে সম্পদ সংকেন্দ্রীকরণের খুঁটিনাটি প্রভাব নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে।