০২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
হাম টিকাদানে গাফিলতি ধরা গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সীমান্তে বিএসএফের হত্যাকা-মানবাধিকার লঙ্ঘন শ্রীমঙ্গলে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো দেশে ‘মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল’ গড়ার সিদ্ধান্ত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সাংবাদিকরা সবসময় পাশে ছিলেন: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী প্রতিহিংসার মানসিকতা বদলাতে হবে — প্রধানমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বিজিবি মহাপরিচালকের সাক্ষ্যকে ‘গোপন বৈঠক’ বলা ভিত্তিহীন: বিজিবির ব্যাখ্যা অসৌজন্যমূলক আচরণে ভারতের সফর বাতিল করে দেশে ফিরেছেন জাহেদ উর রহমান অমিত শাহের সঙ্গে মহাপরিচালকের সাক্ষাৎ ‘গোপন বৈঠক’ নয়: বিজিবির ব্যাখ্যা দিল্লি বিমানবন্দরে অসৌজন্যমূল্যের প্রতিবাদে ভারত সফর বাতিল করেছেন ডা. জাহেদ উর রহমান

খুমস উপকূলে অন্তত ১৫ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

লিবিয়ার খুমস শহরের উপকূলে অন্তত ১৫ জন অভিবাসীর মরদেহ ভেসে এসে উদ্ধার করা হয়েছে, স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।

লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি চিকিৎসা ও সহায়তা কেন্দ্র জানায়, মরদেহগুলো ত্রিপলি থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার পূর্বে খুমসের উপকূলে সমুদ্রের ঢেউয়ে ভেসে আসে। উদ্ধার হওয়া সব কোশিনরকে দাফন করা হয়েছে; তবে এদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

কেন্দ্রটি তাদের ফেসবুক পেজে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে জানিয়েছে, যেখানে সাদা সুরক্ষামূলক পোশাক পরা চিকিৎসক ও উদ্ধারকারীরা কালো ও সাদা প্লাস্টিক ব্যাগে মরদেহ বহন করতে দেখা গেছে। পোস্টে দাফনের সময় তোলা আরও কয়েকটি ছবিও দেয়া হয়েছে।

খুমস শাখার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব কাজ কেন্দ্রের মাঠপর্যায়ের মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পরিচালনা করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারিত নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।

২০১১ সালের বিদ্রোহের পর থেকে লিবিয়া উত্তর আফ্রিকায় অভিবাসীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে। সংঘাত, সহিংসতা ও দারিদ্র্য থেকে পালিয়ে আসা অনেক মানুষ, বিশেষ করে সাব-সাহারা আফ্রিকার নাগরিকরা ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে লিবিয়া হয়ে যান। এই পথটি মরুভূমি অতিক্রম এবং ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ প্রচেষ্টার কারণে বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক রুটে পরিণত হয়েছে। দুর্বল এবং অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই নৌকা, মানবপাচারী চক্রের সহায়তা—এসবই নিয়মিতভাবে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং মানবিক সংগঠনগুলো ঘন ঘন সতর্ক করে যে, সমুদ্রপারের এই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা ও অবৈধ নৌযাত্রার কারণে চলমান সংকট ও হতাহতের ঘটনা রোধে আন্তর্জাতিকভাবে আরো সমন্বয় ও সহায়তার প্রয়োজন আছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সীমান্তে বিএসএফের হত্যাকা-মানবাধিকার লঙ্ঘন

খুমস উপকূলে অন্তত ১৫ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

লিবিয়ার খুমস শহরের উপকূলে অন্তত ১৫ জন অভিবাসীর মরদেহ ভেসে এসে উদ্ধার করা হয়েছে, স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।

লিবিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি চিকিৎসা ও সহায়তা কেন্দ্র জানায়, মরদেহগুলো ত্রিপলি থেকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার পূর্বে খুমসের উপকূলে সমুদ্রের ঢেউয়ে ভেসে আসে। উদ্ধার হওয়া সব কোশিনরকে দাফন করা হয়েছে; তবে এদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

কেন্দ্রটি তাদের ফেসবুক পেজে কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে জানিয়েছে, যেখানে সাদা সুরক্ষামূলক পোশাক পরা চিকিৎসক ও উদ্ধারকারীরা কালো ও সাদা প্লাস্টিক ব্যাগে মরদেহ বহন করতে দেখা গেছে। পোস্টে দাফনের সময় তোলা আরও কয়েকটি ছবিও দেয়া হয়েছে।

খুমস শাখার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব কাজ কেন্দ্রের মাঠপর্যায়ের মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পরিচালনা করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারিত নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।

২০১১ সালের বিদ্রোহের পর থেকে লিবিয়া উত্তর আফ্রিকায় অভিবাসীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে। সংঘাত, সহিংসতা ও দারিদ্র্য থেকে পালিয়ে আসা অনেক মানুষ, বিশেষ করে সাব-সাহারা আফ্রিকার নাগরিকরা ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে লিবিয়া হয়ে যান। এই পথটি মরুভূমি অতিক্রম এবং ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ প্রচেষ্টার কারণে বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক রুটে পরিণত হয়েছে। দুর্বল এবং অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই নৌকা, মানবপাচারী চক্রের সহায়তা—এসবই নিয়মিতভাবে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং মানবিক সংগঠনগুলো ঘন ঘন সতর্ক করে যে, সমুদ্রপারের এই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা ও অবৈধ নৌযাত্রার কারণে চলমান সংকট ও হতাহতের ঘটনা রোধে আন্তর্জাতিকভাবে আরো সমন্বয় ও সহায়তার প্রয়োজন আছে।