১০:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
নবম পে-স্কেল চূড়ান্ত: বেতন বৈষম্য কমাতে দুই ধাপে বাস্তবায়নই পথে ব্যাংক খাত সংস্কারে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক ক্ষুদ্র জাতি ও সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিং পৌঁছালেন অর্থনীতির সংকট গভীর, স্থিতিশীল করতে লাগবে অন্তত দুই বছর: অর্থমন্ত্রী দালিয়ানে WEF প্ল্যানারি সেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাড়ে চার মাস পর হরমুজ পার হলো পতাকাবাহী জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ ঢাকা ওয়াসার ২০২৪-২৫ বার্ষিক প্রতিবেদন হস্তান্তর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিষিদ্ধ আ.লীগকে ঘিরে ঢাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার চার মাস পর হরমুজ পেরিয়ে এগোচ্ছে জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’

ইউক্রেনীয় ড্রোন নির্মাতারা জাপানে নতুন বাজার খুঁজছেন

ইউরোপের সীমানা পেরিয়ে এখন এশিয়ার বাজারে চোখ দিচ্ছেন ইউক্রেনের ড্রোন নির্মাতারা। তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে বাড়তে থাকা ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং অনেক এশীয় দেশের সামরিক বাজেট বৃদ্ধির মুখেই তারা জাপানকে নতুন লক্ষ্য হিসেবে নিচ্ছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইউক্রেনীয় নির্মাতারা মার্কিন মিত্র দেশগুলোর কাছে সরাসরি ড্রোন বিক্রির পাশাপাশি যৌথ উৎপাদনের সম্ভাবতাও খতিয়ে দেখছেন।

ইউক্রেনের শীর্ষ ড্রোন নির্মাতাদের মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠান ‘ইউফোর্স’-এর প্রধান নির্বাহী ওলেগ রোগিনস্কি গত এপ্রিলে টোকিও সফর করেন। সেখানে তিনি জাপানি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন এবং জাপানের জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজন মেটাতে ব্যাপক সংখ্যক ড্রোন উৎপাদনের প্রস্তাব দেন।

ইউফোর্স ছাড়াও স্কাইটন, জেনারেল চেরি ও সোয়ার্মার মতো কিছু স্বনামধন্য ইউক্রেনীয় প্রতিষ্ঠানও বর্তমানে জাপানে ব্যবসায়িক অংশীদার ও সুযোগ অনুসন্ধান করছে। বিশেষজ্ঞদের কথায়, জাপান যখন দীর্ঘদিনের অস্ত্র রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা শিথিল করছে, তখন সেখানে যৌথ উৎপাদন ও প্রযুক্তি বিনিময়ের নতুন পথ খুলছে।

রুশ আগ্রাসীর বিরুদ্ধে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে লড়াই করে ইউক্রেন যে ড্রোন প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করেছে, তা পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জন্য আকর্ষণীয় বলে মনে করা হয়। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে ইউফোর্সের তৈরি ‘মাগুরা’ নামক সামুদ্রিক ড্রোনকে, যা কৃষ্ণ সাগরে রুশ নৌবাহিনীর বিরুদ্ধে কার্যকর চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।

ওলেগ রোগিনস্কি জানান, পূর্ব এশিয়ার ভৌগোলিক পরিবেশ যতই আলাদা হোক না কেন, ড্রোনের কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা অনেক অংশে অপরিবর্তিত থাকবে। পাশাপাশি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও জাপানের সঙ্গে উন্নত প্রযুক্তি শেয়ারিং প্রসঙ্গে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন।

জেনারেল আভিযানিক ও বাণিজ্যিক সুযোগ খুঁজে নিতে ইউক্রেনীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এখন কৌশলগতভাবে এশিয়ার সম্ভাব্য গ্রাহক ও অংশীদারদের দিকে মনোনিবেশ করছে — যা সামরিক, বাণিজ্যিক এবং কূটনীতিকভাবে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নবম পে-স্কেল চূড়ান্ত: বেতন বৈষম্য কমাতে দুই ধাপে বাস্তবায়নই পথে

ইউক্রেনীয় ড্রোন নির্মাতারা জাপানে নতুন বাজার খুঁজছেন

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

ইউরোপের সীমানা পেরিয়ে এখন এশিয়ার বাজারে চোখ দিচ্ছেন ইউক্রেনের ড্রোন নির্মাতারা। তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে বাড়তে থাকা ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং অনেক এশীয় দেশের সামরিক বাজেট বৃদ্ধির মুখেই তারা জাপানকে নতুন লক্ষ্য হিসেবে নিচ্ছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইউক্রেনীয় নির্মাতারা মার্কিন মিত্র দেশগুলোর কাছে সরাসরি ড্রোন বিক্রির পাশাপাশি যৌথ উৎপাদনের সম্ভাবতাও খতিয়ে দেখছেন।

ইউক্রেনের শীর্ষ ড্রোন নির্মাতাদের মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠান ‘ইউফোর্স’-এর প্রধান নির্বাহী ওলেগ রোগিনস্কি গত এপ্রিলে টোকিও সফর করেন। সেখানে তিনি জাপানি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন এবং জাপানের জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজন মেটাতে ব্যাপক সংখ্যক ড্রোন উৎপাদনের প্রস্তাব দেন।

ইউফোর্স ছাড়াও স্কাইটন, জেনারেল চেরি ও সোয়ার্মার মতো কিছু স্বনামধন্য ইউক্রেনীয় প্রতিষ্ঠানও বর্তমানে জাপানে ব্যবসায়িক অংশীদার ও সুযোগ অনুসন্ধান করছে। বিশেষজ্ঞদের কথায়, জাপান যখন দীর্ঘদিনের অস্ত্র রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা শিথিল করছে, তখন সেখানে যৌথ উৎপাদন ও প্রযুক্তি বিনিময়ের নতুন পথ খুলছে।

রুশ আগ্রাসীর বিরুদ্ধে চার বছরেরও বেশি সময় ধরে লড়াই করে ইউক্রেন যে ড্রোন প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করেছে, তা পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জন্য আকর্ষণীয় বলে মনে করা হয়। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে ইউফোর্সের তৈরি ‘মাগুরা’ নামক সামুদ্রিক ড্রোনকে, যা কৃষ্ণ সাগরে রুশ নৌবাহিনীর বিরুদ্ধে কার্যকর চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।

ওলেগ রোগিনস্কি জানান, পূর্ব এশিয়ার ভৌগোলিক পরিবেশ যতই আলাদা হোক না কেন, ড্রোনের কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা অনেক অংশে অপরিবর্তিত থাকবে। পাশাপাশি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও জাপানের সঙ্গে উন্নত প্রযুক্তি শেয়ারিং প্রসঙ্গে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন।

জেনারেল আভিযানিক ও বাণিজ্যিক সুযোগ খুঁজে নিতে ইউক্রেনীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এখন কৌশলগতভাবে এশিয়ার সম্ভাব্য গ্রাহক ও অংশীদারদের দিকে মনোনিবেশ করছে — যা সামরিক, বাণিজ্যিক এবং কূটনীতিকভাবে নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলার সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে।