চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের এক হাজারেরও বেশি স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বা কার্যক্রম আগেভাগে শেষ করে শিক্ষার্থীদের বাড়ি পাঠানো হয়েছে। রাশে বাড়তে থাকা তাপমাত্রা ও শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে নেওয়া হয়েছে এই জরুরি সিদ্ধান্ত।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী দক্ষিণ ইংল্যান্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে বুধবার (২৪ জুন) তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছেছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন আর্দ্রতার কারণে ‘‘ফিলিং’’ বা অনুভূত তাপমাত্রা আরও বেশি হতে পারে, ফলে বাইরে থাকা মানুষদের জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্বস্তিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।
চরম গরমের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায় কর্তৃপক্ষ জনগণকে অপ্রয়োজনীয় বাইরে যাত্রা ও ভিড় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং ক্রনিক অসুস্থদের জন্য অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। দক্ষিণ ইংল্যান্ডে জারি করা তাপ সতর্কতা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং আবহাওয়াবিদরা বলছেন এই তীব্রতা কিছুদিন স্থায়ী থাকতে পারে।
অনেক স্কুল জানিয়েছে, শ্রেণিকক্ষগুলোতে নিরাপদ তাপমাত্রা বজায় রাখা সম্ভব নয়—এজন্যই শিক্ষার্থীদের আগেভাগে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে বা কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আরও পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তা।
তাপপ্রবাহের প্রভাব শুধু শিক্ষা খাতেই সীমাবদ্ধ নেই; পরিবহন ও অন্যান্য জনসেবাও প্রভাবিত হচ্ছে। রেল ও সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা গরমে বিঘ্নিত হতে পারে এবং বাইরের কর্মস্থলে কর্মীদের কর্মক্ষমতা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে। অভিজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইউরোপে এই ধরনের চরম তাপপ্রবাহ ভবিষ্যতে আরও ঘন_frequency ও তীব্র হতে পারে, তাই দীর্ঘমেয়াদী প্রস্তুতি ও মনিটরিং জরুরি।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দ্রুত দিতে বলেছে। সাধারণ মানুষকে পানি খাওয়া, ছায়ায় থাকা এবং অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
শ্রীমঙ্গল২৪ ডেস্ক 























