০৮:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
নবম পে-স্কেল চূড়ান্ত: বেতন বৈষম্য কমাতে দুই ধাপে বাস্তবায়নই পথে ব্যাংক খাত সংস্কারে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক ক্ষুদ্র জাতি ও সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিং পৌঁছালেন অর্থনীতির সংকট গভীর, স্থিতিশীল করতে লাগবে অন্তত দুই বছর: অর্থমন্ত্রী দালিয়ানে WEF প্ল্যানারি সেশনে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাড়ে চার মাস পর হরমুজ পার হলো পতাকাবাহী জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ ঢাকা ওয়াসার ২০২৪-২৫ বার্ষিক প্রতিবেদন হস্তান্তর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিষিদ্ধ আ.লীগকে ঘিরে ঢাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার চার মাস পর হরমুজ পেরিয়ে এগোচ্ছে জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’

চুয়াডাঙ্গায় মৎস্যকেন্দ্রের গেটে ‘জয় বাংলা’ লেখা বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের রাইসার বিল মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের প্রধান ফটকের পাশে ‘জয় বাংলা’ লেখা একটি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বুধবার (২৪ জুন) সকাল থেকেই ফটকের কাছে সন্দেহজনক কিছুর উপস্থিতি দেখতে পান। বেলা সাড়ে ১০টায় কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ওই বস্তুটি দেখে মৎস্য কমিটির সদস্যদের জানালে তারা দ্রুত দর্শনা থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে সেই বস্তুটি উদ্ধার করে ওই জায়গা থেকে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনার সময়ে আশপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে জায়গাটি ত্যাগ করেন এবং নিরাপত্তার লক্ষ্যে পুলিশকে দ্রুত আহ্বান জানান।

কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশিদসহ কয়েকজন নেতা দাবি করেছেন, উদ্ধার হওয়া বোমা সদৃশ বস্তুটিতে ‘জয় বাংলা’ লেখা রয়েছে। তাদের ধারণা, এটি হতে পারে নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনও রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত নাশকতা বা ত্রাস তৈরির প্রচেষ্টা।

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি বোমা সদৃশ বস্তুক উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেটি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বস্তুর প্রকৃতি ও এতে কারা জড়িত সে বিষয়ে জানতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিষয়ে অনিশ্চিত কিছু বলা যাবে না।’

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া বস্তুটি নিরাপত্তার কারণে তদন্তাত্মক পরীক্ষা শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া স্থানীয়দের অনুরোধ করা হয়েছে পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে রাখার এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানানোর জন্য।

ঘটনার পর এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা সচেতন হলেও অফিস-কলকারখানায় সাধারণত কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকা দেখা গেছে। পুলিশ পুরো ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে কী ধরণের মামলা হবে এবং বস্তুটির প্রকৃত তথ্য জানতে নিয়মিত তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নবম পে-স্কেল চূড়ান্ত: বেতন বৈষম্য কমাতে দুই ধাপে বাস্তবায়নই পথে

চুয়াডাঙ্গায় মৎস্যকেন্দ্রের গেটে ‘জয় বাংলা’ লেখা বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের রাইসার বিল মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের প্রধান ফটকের পাশে ‘জয় বাংলা’ লেখা একটি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বুধবার (২৪ জুন) সকাল থেকেই ফটকের কাছে সন্দেহজনক কিছুর উপস্থিতি দেখতে পান। বেলা সাড়ে ১০টায় কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি ওই বস্তুটি দেখে মৎস্য কমিটির সদস্যদের জানালে তারা দ্রুত দর্শনা থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে সেই বস্তুটি উদ্ধার করে ওই জায়গা থেকে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনার সময়ে আশপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে জায়গাটি ত্যাগ করেন এবং নিরাপত্তার লক্ষ্যে পুলিশকে দ্রুত আহ্বান জানান।

কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশিদসহ কয়েকজন নেতা দাবি করেছেন, উদ্ধার হওয়া বোমা সদৃশ বস্তুটিতে ‘জয় বাংলা’ লেখা রয়েছে। তাদের ধারণা, এটি হতে পারে নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনও রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত নাশকতা বা ত্রাস তৈরির প্রচেষ্টা।

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি বোমা সদৃশ বস্তুক উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেটি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বস্তুর প্রকৃতি ও এতে কারা জড়িত সে বিষয়ে জানতে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিষয়ে অনিশ্চিত কিছু বলা যাবে না।’

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া বস্তুটি নিরাপত্তার কারণে তদন্তাত্মক পরীক্ষা শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া স্থানীয়দের অনুরোধ করা হয়েছে পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে রাখার এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানানোর জন্য।

ঘটনার পর এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা সচেতন হলেও অফিস-কলকারখানায় সাধারণত কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকা দেখা গেছে। পুলিশ পুরো ঘটনায় কারও বিরুদ্ধে কী ধরণের মামলা হবে এবং বস্তুটির প্রকৃত তথ্য জানতে নিয়মিত তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।