১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ট্রেন্ট ব্রিজে ১২৫ রানে পরাজয়, টি-টোয়েন্টিতে ভারতের কলঙ্কজনক রেকর্ড

ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার ছায়ার মধ্যেই ক্রিকেট কাঁপল আরেকটি হতাশার ঢেউয়েই। ট্রেন্ট ব্রিজে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের হাল ছেড়ে দেওয়ার ছবি ছিল কালের সাক্ষী—গৌতম গম্ভীরের শিষ্যরা ১২৫ রানে হারল, ম্যাচটা হয়ে উঠল স্মরণীয়ভাবে কটু ইতিহাসের এক অধ্যায়।

ইংল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করে ২০১ রানের বড় সংগ্রহ গড়লে তা তাড়া করতে নেমে ভারত সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়। শ্রেয়াস আইয়ারের অধীনে ব্যাট করে ভারতীয় দল ইংলিশ বোলিংয়ের সামনে দরিদ্রভাবে লজ্জিত হয়ে মাত্র ১১.৪ ওভারে ৭৬ রানে অলআউট হয়—এটাই এই ফরম্যাটে তাদের সবচেয়ে দ্রুত ও সবচেয়ে হালকা গুটিয়ে যাওয়ার নীলনকশা।

এই ফলের মাধ্যমে ভারত নতুন করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড লিখল: টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে পরাজিত হওয়ার দাগ। এর আগে সর্বোচ্চ অবনতিটি ছিল ২০১৯ সালে ওয়েলিংটনে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৮০ রানের হার। একই সঙ্গে ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে করা ৭৪ রানের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের পর এটিই ভারতের টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে নীচু এক সংগ্রহ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

কেবল ব্যবধানই নয়, ব্যাটিং লাইনআপের অসংগঠিত ও চরম ব্যর্থতা যে কতটা গভীর তা এই ম্যাচে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠল। নিয়মিত উইকেটে ভাঙন, ভারসাম্যের অভাব এবং ইংলিশ বোলিংয়ের ধারালো পরিকল্পনা ভারতের ব্যাটিংকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে ফেলল।

আরেকটি বিব্রতকর দিক—মাত্র ১১.৪ ওভারেই সব উইকেট হারিয়ে ভারতের সবচেয়ে দ্রুত অলআউট হওয়ার রেকর্ড গড়ল দলটি। পূর্বের দ্রুততম অলআউট রেকর্ডটি ছিল ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৭.২ ওভার।

সব মিলে এই ম্যাচটিও ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসে এক হতাশার দিন হিসেবে ওঠে দাঁড়িয়েছে। সতীর্থদের মনোবল, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে যে প্রশ্ন এসেছে, সেগুলো দ্রুত মেটানো না হলে সামনে আরও কঠিন পরিণতি অপেক্ষা করতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ট্রেন্ট ব্রিজে ১২৫ রানে পরাজয়, টি-টোয়েন্টিতে ভারতের কলঙ্কজনক রেকর্ড

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার ছায়ার মধ্যেই ক্রিকেট কাঁপল আরেকটি হতাশার ঢেউয়েই। ট্রেন্ট ব্রিজে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের হাল ছেড়ে দেওয়ার ছবি ছিল কালের সাক্ষী—গৌতম গম্ভীরের শিষ্যরা ১২৫ রানে হারল, ম্যাচটা হয়ে উঠল স্মরণীয়ভাবে কটু ইতিহাসের এক অধ্যায়।

ইংল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করে ২০১ রানের বড় সংগ্রহ গড়লে তা তাড়া করতে নেমে ভারত সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়। শ্রেয়াস আইয়ারের অধীনে ব্যাট করে ভারতীয় দল ইংলিশ বোলিংয়ের সামনে দরিদ্রভাবে লজ্জিত হয়ে মাত্র ১১.৪ ওভারে ৭৬ রানে অলআউট হয়—এটাই এই ফরম্যাটে তাদের সবচেয়ে দ্রুত ও সবচেয়ে হালকা গুটিয়ে যাওয়ার নীলনকশা।

এই ফলের মাধ্যমে ভারত নতুন করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড লিখল: টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে পরাজিত হওয়ার দাগ। এর আগে সর্বোচ্চ অবনতিটি ছিল ২০১৯ সালে ওয়েলিংটনে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৮০ রানের হার। একই সঙ্গে ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে করা ৭৪ রানের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের পর এটিই ভারতের টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে নীচু এক সংগ্রহ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

কেবল ব্যবধানই নয়, ব্যাটিং লাইনআপের অসংগঠিত ও চরম ব্যর্থতা যে কতটা গভীর তা এই ম্যাচে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠল। নিয়মিত উইকেটে ভাঙন, ভারসাম্যের অভাব এবং ইংলিশ বোলিংয়ের ধারালো পরিকল্পনা ভারতের ব্যাটিংকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে ফেলল।

আরেকটি বিব্রতকর দিক—মাত্র ১১.৪ ওভারেই সব উইকেট হারিয়ে ভারতের সবচেয়ে দ্রুত অলআউট হওয়ার রেকর্ড গড়ল দলটি। পূর্বের দ্রুততম অলআউট রেকর্ডটি ছিল ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৭.২ ওভার।

সব মিলে এই ম্যাচটিও ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসে এক হতাশার দিন হিসেবে ওঠে দাঁড়িয়েছে। সতীর্থদের মনোবল, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে যে প্রশ্ন এসেছে, সেগুলো দ্রুত মেটানো না হলে সামনে আরও কঠিন পরিণতি অপেক্ষা করতে পারে।