০৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
তথ্যমন্ত্রী: অপতথ্য প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে ‘বাংলাফ্যাক্ট’ সরকারি তহবিল থেকে বিদেশভ্রমণ ও নতুন গাড়ি ক্রয় বন্ধ ঢাকায় ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের স্থায়ী ভিসা সেন্টার স্থাপনের তৎপরতা শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদফতরে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ইসি: জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা স্থানীয় নির্বাচনে কাজে লাগাতে চায় জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণে তাদাও আন্দোর নকশায় আধুনিক ‘বাংলাদেশ চিলড্রেন লাইব্রেরি’ নির্মাণ অক্টোবর থেকে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটগ্রহণ: তথ্য উপদেষ্টা মানিকগঞ্জে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়ার আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তথ্য উপদেষ্টা: অক্টোবরেই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

ট্রেন্ট ব্রিজে ১২৫ রানে পরাজয়, টি-টোয়েন্টিতে ভারতের কলঙ্কজনক রেকর্ড

ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার ছায়ার মধ্যেই ক্রিকেট কাঁপল আরেকটি হতাশার ঢেউয়েই। ট্রেন্ট ব্রিজে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের হাল ছেড়ে দেওয়ার ছবি ছিল কালের সাক্ষী—গৌতম গম্ভীরের শিষ্যরা ১২৫ রানে হারল, ম্যাচটা হয়ে উঠল স্মরণীয়ভাবে কটু ইতিহাসের এক অধ্যায়।

ইংল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করে ২০১ রানের বড় সংগ্রহ গড়লে তা তাড়া করতে নেমে ভারত সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়। শ্রেয়াস আইয়ারের অধীনে ব্যাট করে ভারতীয় দল ইংলিশ বোলিংয়ের সামনে দরিদ্রভাবে লজ্জিত হয়ে মাত্র ১১.৪ ওভারে ৭৬ রানে অলআউট হয়—এটাই এই ফরম্যাটে তাদের সবচেয়ে দ্রুত ও সবচেয়ে হালকা গুটিয়ে যাওয়ার নীলনকশা।

এই ফলের মাধ্যমে ভারত নতুন করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড লিখল: টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে পরাজিত হওয়ার দাগ। এর আগে সর্বোচ্চ অবনতিটি ছিল ২০১৯ সালে ওয়েলিংটনে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৮০ রানের হার। একই সঙ্গে ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে করা ৭৪ রানের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের পর এটিই ভারতের টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে নীচু এক সংগ্রহ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

কেবল ব্যবধানই নয়, ব্যাটিং লাইনআপের অসংগঠিত ও চরম ব্যর্থতা যে কতটা গভীর তা এই ম্যাচে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠল। নিয়মিত উইকেটে ভাঙন, ভারসাম্যের অভাব এবং ইংলিশ বোলিংয়ের ধারালো পরিকল্পনা ভারতের ব্যাটিংকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে ফেলল।

আরেকটি বিব্রতকর দিক—মাত্র ১১.৪ ওভারেই সব উইকেট হারিয়ে ভারতের সবচেয়ে দ্রুত অলআউট হওয়ার রেকর্ড গড়ল দলটি। পূর্বের দ্রুততম অলআউট রেকর্ডটি ছিল ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৭.২ ওভার।

সব মিলে এই ম্যাচটিও ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসে এক হতাশার দিন হিসেবে ওঠে দাঁড়িয়েছে। সতীর্থদের মনোবল, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে যে প্রশ্ন এসেছে, সেগুলো দ্রুত মেটানো না হলে সামনে আরও কঠিন পরিণতি অপেক্ষা করতে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তথ্যমন্ত্রী: অপতথ্য প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে ‘বাংলাফ্যাক্ট’

ট্রেন্ট ব্রিজে ১২৫ রানে পরাজয়, টি-টোয়েন্টিতে ভারতের কলঙ্কজনক রেকর্ড

প্রকাশিতঃ ০২:২২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার ছায়ার মধ্যেই ক্রিকেট কাঁপল আরেকটি হতাশার ঢেউয়েই। ট্রেন্ট ব্রিজে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের হাল ছেড়ে দেওয়ার ছবি ছিল কালের সাক্ষী—গৌতম গম্ভীরের শিষ্যরা ১২৫ রানে হারল, ম্যাচটা হয়ে উঠল স্মরণীয়ভাবে কটু ইতিহাসের এক অধ্যায়।

ইংল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করে ২০১ রানের বড় সংগ্রহ গড়লে তা তাড়া করতে নেমে ভারত সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসাবশেষে পরিণত হয়। শ্রেয়াস আইয়ারের অধীনে ব্যাট করে ভারতীয় দল ইংলিশ বোলিংয়ের সামনে দরিদ্রভাবে লজ্জিত হয়ে মাত্র ১১.৪ ওভারে ৭৬ রানে অলআউট হয়—এটাই এই ফরম্যাটে তাদের সবচেয়ে দ্রুত ও সবচেয়ে হালকা গুটিয়ে যাওয়ার নীলনকশা।

এই ফলের মাধ্যমে ভারত নতুন করে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড লিখল: টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে পরাজিত হওয়ার দাগ। এর আগে সর্বোচ্চ অবনতিটি ছিল ২০১৯ সালে ওয়েলিংটনে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৮০ রানের হার। একই সঙ্গে ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে করা ৭৪ রানের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহের পর এটিই ভারতের টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে নীচু এক সংগ্রহ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

কেবল ব্যবধানই নয়, ব্যাটিং লাইনআপের অসংগঠিত ও চরম ব্যর্থতা যে কতটা গভীর তা এই ম্যাচে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠল। নিয়মিত উইকেটে ভাঙন, ভারসাম্যের অভাব এবং ইংলিশ বোলিংয়ের ধারালো পরিকল্পনা ভারতের ব্যাটিংকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে ফেলল।

আরেকটি বিব্রতকর দিক—মাত্র ১১.৪ ওভারেই সব উইকেট হারিয়ে ভারতের সবচেয়ে দ্রুত অলআউট হওয়ার রেকর্ড গড়ল দলটি। পূর্বের দ্রুততম অলআউট রেকর্ডটি ছিল ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৭.২ ওভার।

সব মিলে এই ম্যাচটিও ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসে এক হতাশার দিন হিসেবে ওঠে দাঁড়িয়েছে। সতীর্থদের মনোবল, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে যে প্রশ্ন এসেছে, সেগুলো দ্রুত মেটানো না হলে সামনে আরও কঠিন পরিণতি অপেক্ষা করতে পারে।