১০:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি ‘গর্হিত ও ন্যক্কারজনক’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বড় মূলধনী কোম্পানির দাপটে পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বগতি

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার রাজধানীর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিমা ও বস্ত্র খাতের শেয়ারে ব্যাপক দরপতনের মধ্যেও প্রধান সূচক ইতিবাচক অবস্থায় বন্ধ হয়েছে। বড় মূলধনী ও মৌলিকভাবে শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সূচককে সমর্থন করে দিনশেষে ঊর্ধ্বগতি নিশ্চিত করেছে। সপ্তাহের আগের তিনদিনের মতো চলতি সপ্তাহের চারদিনই উভয় কৌশলগত বাজারে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেখা গেছে।

লেনদেন শুরুর সময় ডিএসইতে বিধিবদ্ধ কয়েকটি বড় শেয়ারের দাম বাড়ায় সূচক এক পর্যায়ে প্রায় 55 পয়েন্ট পর্যন্ত ওঠে। তবে প্রথম ঘন্টার পরেই বিমা ও বস্ত্র খাতে ব্যাপক দরপতনের প্রভাবে বাজারে নেতিবাচক ছায়া পড়ে এবং অনেক মাঝারি ও ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানেও দরکم দেখা যায়। বিমা খাতে 44টি ও বস্ত্র খাতে 46টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে।

তবুও বাজারের শীর্ষস্থানীয় ও বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর দাম বড় পরিমাণে লাথলে না পড়ায় সূচক দিনের শেষে ইতিবাচক অবস্থানেই স্থিতি পেয়েছে। দিনের শেষে ডিএসইতে 131টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, 218টির দাম কমেছে এবং 51টির দর অপরিবর্তিত ছিল। বাছাই করা 30টি ভালো কোম্পানির মধ্যে 22টির দরের বাড়তি এই প্রবণতাকে সহায়তা করেছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই রকম ধারা বজায় ছিল—বড় শেয়ারের ভিত্তিতে সূচক বেড়ে গেলেও লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক CASPI 91 পয়েন্ট বেড়ে গেলেও লেনদেনের মূল্য গত দিনের তুলনায় কমে দাঁড়ায় 32 কোটি 17 লাখ টাকায়। সিএসইয়ে লেনদেন হওয়া 256টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে 101টির দাম বেড়েছে এবং 125টি প্রতিষ্ঠানের দাম কমেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি মানের অনেক শেয়ারে সংশোধন চললেও বড় মূলধনী ও মৌলভিত্তি দৃঢ় প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ঝোঁকই সূচককে সমর্থন করছে। লেনদেনের পরিমাণ কম হওয়া ও খাতভিত্তিক ভিন্নতাগুলো বাজারকে উঠানামা করিয়ে তুলেছে—কিন্তু সামগ্রিকভাবে বড় কোম্পানির সন্তোষজনক পারফরম্যান্সই এই দিনে সূচককে ইতিবাচক রেখেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

বড় মূলধনী কোম্পানির দাপটে পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বগতি

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার রাজধানীর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিমা ও বস্ত্র খাতের শেয়ারে ব্যাপক দরপতনের মধ্যেও প্রধান সূচক ইতিবাচক অবস্থায় বন্ধ হয়েছে। বড় মূলধনী ও মৌলিকভাবে শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সূচককে সমর্থন করে দিনশেষে ঊর্ধ্বগতি নিশ্চিত করেছে। সপ্তাহের আগের তিনদিনের মতো চলতি সপ্তাহের চারদিনই উভয় কৌশলগত বাজারে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেখা গেছে।

লেনদেন শুরুর সময় ডিএসইতে বিধিবদ্ধ কয়েকটি বড় শেয়ারের দাম বাড়ায় সূচক এক পর্যায়ে প্রায় 55 পয়েন্ট পর্যন্ত ওঠে। তবে প্রথম ঘন্টার পরেই বিমা ও বস্ত্র খাতে ব্যাপক দরপতনের প্রভাবে বাজারে নেতিবাচক ছায়া পড়ে এবং অনেক মাঝারি ও ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানেও দরکم দেখা যায়। বিমা খাতে 44টি ও বস্ত্র খাতে 46টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে।

তবুও বাজারের শীর্ষস্থানীয় ও বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর দাম বড় পরিমাণে লাথলে না পড়ায় সূচক দিনের শেষে ইতিবাচক অবস্থানেই স্থিতি পেয়েছে। দিনের শেষে ডিএসইতে 131টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, 218টির দাম কমেছে এবং 51টির দর অপরিবর্তিত ছিল। বাছাই করা 30টি ভালো কোম্পানির মধ্যে 22টির দরের বাড়তি এই প্রবণতাকে সহায়তা করেছে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই রকম ধারা বজায় ছিল—বড় শেয়ারের ভিত্তিতে সূচক বেড়ে গেলেও লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক CASPI 91 পয়েন্ট বেড়ে গেলেও লেনদেনের মূল্য গত দিনের তুলনায় কমে দাঁড়ায় 32 কোটি 17 লাখ টাকায়। সিএসইয়ে লেনদেন হওয়া 256টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে 101টির দাম বেড়েছে এবং 125টি প্রতিষ্ঠানের দাম কমেছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি মানের অনেক শেয়ারে সংশোধন চললেও বড় মূলধনী ও মৌলভিত্তি দৃঢ় প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ঝোঁকই সূচককে সমর্থন করছে। লেনদেনের পরিমাণ কম হওয়া ও খাতভিত্তিক ভিন্নতাগুলো বাজারকে উঠানামা করিয়ে তুলেছে—কিন্তু সামগ্রিকভাবে বড় কোম্পানির সন্তোষজনক পারফরম্যান্সই এই দিনে সূচককে ইতিবাচক রেখেছে।