০৪:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মিয়ানমারে উচ্চ বিদ্যালয়ে বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৯ শিক্ষার্থী নিহত

মিয়ানমারের পশ্চিম রাখাইন রাজ্যে জাতিগত সংখ্যালঘু সশস্ত্র গোষ্ঠীর বরাত দিয়ে জান্তা বাহিনীর বিমান হামলায় শিশুসহ কমপক্ষে ১৯ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এই হৃদয় বিদারক ঘটনাটি শনিবার বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ঘটনাটি রাখাইনের জন্য চলমান সংঘর্ষের এক নিষ্ঠুর দিক। অং সান সু চির বেসামরিক সরকারের পতনের পর ২০২১ সালে মিয়ানমারে যে রক্তক্ষয়ী অস্থিরতা শুরু হয়, তারই এক অংশ এই সংঘর্ষ। এর মধ্যে নতুন করে আরও ঝড় ওঠে রাখাইন অঞ্চলে যেখানে সেনাবাহিনী এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে।

এএফপি জানিয়েছে, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে তারা বলেন, শুক্রবার মধ্যরাতে কিয়াউকতাও শহরের দুটি বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বিমান হামলা চালানো হয়। এতে ১৫ থেকে ২১ বছর বয়সী ১৯ জন শিক্ষার্থী নিহত ও আরও ২২ জন আহত হয়।

বিবৃতিতে তারা আরও বলেছে, ‘নিরীহ শিক্ষার্থীদের এই হত্যাকাণ্ডের জন্য আমরা নিহতের পরিবারের জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি।’ যদিও এই হামলার জন্য তারা জান্তাকে দায়ী করেছে, কিন্তু জান্তা বা সরকারপক্ষের কোনো বক্তব্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম ‘মিয়ানমার নাও’ জানিয়েছে, একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ঘুমাচ্ছিলেন এমন সময় জান্তা বাহিনীর বিমান দুটি ৫০০ পাউন্ড ওজনের বোমা ফেলে। এই নৃশংস হামলাকে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো নিন্দা জানিয়েছে।

অ্যান ইউনিসেফ এক বিবৃতিতে এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি একটি পৈশাচিক ও বিভৎস ঘটনা।

এএফপি জানিয়েছে, কিয়াউকতাওয়ের আশপাশের এলাকাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি, কারণ সেখানে ইন্টারনেট ও ফোন সেবা বন্ধ রয়েছে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বিভিন্ন ফ্রন্টে তাদের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বিমান হামলা ও কামান দিয়ে আঘাত চালিয়ে আসছে, এর ফলে ব্যাপক নিরাপত্তা ঝুঁকি বিরাজ করছে। জাতিগত সংখ্যালঘু ও সাধারণ জনগণের জীবনে এই সংঘাতের কুপ্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মিয়ানমারে উচ্চ বিদ্যালয়ে বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৯ শিক্ষার্থী নিহত

প্রকাশিতঃ ১০:৫৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মিয়ানমারের পশ্চিম রাখাইন রাজ্যে জাতিগত সংখ্যালঘু সশস্ত্র গোষ্ঠীর বরাত দিয়ে জান্তা বাহিনীর বিমান হামলায় শিশুসহ কমপক্ষে ১৯ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এই হৃদয় বিদারক ঘটনাটি শনিবার বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ঘটনাটি রাখাইনের জন্য চলমান সংঘর্ষের এক নিষ্ঠুর দিক। অং সান সু চির বেসামরিক সরকারের পতনের পর ২০২১ সালে মিয়ানমারে যে রক্তক্ষয়ী অস্থিরতা শুরু হয়, তারই এক অংশ এই সংঘর্ষ। এর মধ্যে নতুন করে আরও ঝড় ওঠে রাখাইন অঞ্চলে যেখানে সেনাবাহিনী এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে।

এএফপি জানিয়েছে, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে তারা বলেন, শুক্রবার মধ্যরাতে কিয়াউকতাও শহরের দুটি বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বিমান হামলা চালানো হয়। এতে ১৫ থেকে ২১ বছর বয়সী ১৯ জন শিক্ষার্থী নিহত ও আরও ২২ জন আহত হয়।

বিবৃতিতে তারা আরও বলেছে, ‘নিরীহ শিক্ষার্থীদের এই হত্যাকাণ্ডের জন্য আমরা নিহতের পরিবারের জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি।’ যদিও এই হামলার জন্য তারা জান্তাকে দায়ী করেছে, কিন্তু জান্তা বা সরকারপক্ষের কোনো বক্তব্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম ‘মিয়ানমার নাও’ জানিয়েছে, একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ঘুমাচ্ছিলেন এমন সময় জান্তা বাহিনীর বিমান দুটি ৫০০ পাউন্ড ওজনের বোমা ফেলে। এই নৃশংস হামলাকে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো নিন্দা জানিয়েছে।

অ্যান ইউনিসেফ এক বিবৃতিতে এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি একটি পৈশাচিক ও বিভৎস ঘটনা।

এএফপি জানিয়েছে, কিয়াউকতাওয়ের আশপাশের এলাকাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি, কারণ সেখানে ইন্টারনেট ও ফোন সেবা বন্ধ রয়েছে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বিভিন্ন ফ্রন্টে তাদের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বিমান হামলা ও কামান দিয়ে আঘাত চালিয়ে আসছে, এর ফলে ব্যাপক নিরাপত্তা ঝুঁকি বিরাজ করছে। জাতিগত সংখ্যালঘু ও সাধারণ জনগণের জীবনে এই সংঘাতের কুপ্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে।