১২:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
হামে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু; সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ২১,৪৬৭ সময় টেলিভিশন ১৬ বছরে: সঠিক সংবাদ ও বস্তুনিষ্ঠতায় অঙ্গীকার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ: ভারত প্রক্রিয়া গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছে হজযাত্রীদের খাদেম আমরা; সেবা করতে না পারলে পদত্যাগ করা উচিত: ধর্মমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই হজ ফ্লাইট উদ্বোধন করবেন চট্টগ্রামে আসছে ১ লাখ ৪১ হাজার টন ডিজেল, চারটি ট্যাংকার আগামীকাল ও রবিবার পৌঁছাবে চলতি ও আগামী মাসে দেশে আসছে আরও ১৬ কার্গো এলএনজি ৭ নভেম্বর পুনরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ঘোষণা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়ান ওয়াওয়ের সৌজন্য সাক্ষাৎ টাইমের ‘বিশ্বের সেরা ১০০’ তালিকায় জায়গা পেয়ে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন

মিয়ানমারে উচ্চ বিদ্যালয়ে বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৯ শিক্ষার্থী নিহত

মিয়ানমারের পশ্চিম রাখাইন রাজ্যে জাতিগত সংখ্যালঘু সশস্ত্র গোষ্ঠীর বরাত দিয়ে জান্তা বাহিনীর বিমান হামলায় শিশুসহ কমপক্ষে ১৯ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এই হৃদয় বিদারক ঘটনাটি শনিবার বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ঘটনাটি রাখাইনের জন্য চলমান সংঘর্ষের এক নিষ্ঠুর দিক। অং সান সু চির বেসামরিক সরকারের পতনের পর ২০২১ সালে মিয়ানমারে যে রক্তক্ষয়ী অস্থিরতা শুরু হয়, তারই এক অংশ এই সংঘর্ষ। এর মধ্যে নতুন করে আরও ঝড় ওঠে রাখাইন অঞ্চলে যেখানে সেনাবাহিনী এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে।

এএফপি জানিয়েছে, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে তারা বলেন, শুক্রবার মধ্যরাতে কিয়াউকতাও শহরের দুটি বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বিমান হামলা চালানো হয়। এতে ১৫ থেকে ২১ বছর বয়সী ১৯ জন শিক্ষার্থী নিহত ও আরও ২২ জন আহত হয়।

বিবৃতিতে তারা আরও বলেছে, ‘নিরীহ শিক্ষার্থীদের এই হত্যাকাণ্ডের জন্য আমরা নিহতের পরিবারের জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি।’ যদিও এই হামলার জন্য তারা জান্তাকে দায়ী করেছে, কিন্তু জান্তা বা সরকারপক্ষের কোনো বক্তব্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম ‘মিয়ানমার নাও’ জানিয়েছে, একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ঘুমাচ্ছিলেন এমন সময় জান্তা বাহিনীর বিমান দুটি ৫০০ পাউন্ড ওজনের বোমা ফেলে। এই নৃশংস হামলাকে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো নিন্দা জানিয়েছে।

অ্যান ইউনিসেফ এক বিবৃতিতে এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি একটি পৈশাচিক ও বিভৎস ঘটনা।

এএফপি জানিয়েছে, কিয়াউকতাওয়ের আশপাশের এলাকাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি, কারণ সেখানে ইন্টারনেট ও ফোন সেবা বন্ধ রয়েছে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বিভিন্ন ফ্রন্টে তাদের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বিমান হামলা ও কামান দিয়ে আঘাত চালিয়ে আসছে, এর ফলে ব্যাপক নিরাপত্তা ঝুঁকি বিরাজ করছে। জাতিগত সংখ্যালঘু ও সাধারণ জনগণের জীবনে এই সংঘাতের কুপ্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সময় টেলিভিশন ১৬ বছরে: সঠিক সংবাদ ও বস্তুনিষ্ঠতায় অঙ্গীকার

মিয়ানমারে উচ্চ বিদ্যালয়ে বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৯ শিক্ষার্থী নিহত

প্রকাশিতঃ ১০:৫৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মিয়ানমারের পশ্চিম রাখাইন রাজ্যে জাতিগত সংখ্যালঘু সশস্ত্র গোষ্ঠীর বরাত দিয়ে জান্তা বাহিনীর বিমান হামলায় শিশুসহ কমপক্ষে ১৯ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এই হৃদয় বিদারক ঘটনাটি শনিবার বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ঘটনাটি রাখাইনের জন্য চলমান সংঘর্ষের এক নিষ্ঠুর দিক। অং সান সু চির বেসামরিক সরকারের পতনের পর ২০২১ সালে মিয়ানমারে যে রক্তক্ষয়ী অস্থিরতা শুরু হয়, তারই এক অংশ এই সংঘর্ষ। এর মধ্যে নতুন করে আরও ঝড় ওঠে রাখাইন অঞ্চলে যেখানে সেনাবাহিনী এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে।

এএফপি জানিয়েছে, প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে তারা বলেন, শুক্রবার মধ্যরাতে কিয়াউকতাও শহরের দুটি বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বিমান হামলা চালানো হয়। এতে ১৫ থেকে ২১ বছর বয়সী ১৯ জন শিক্ষার্থী নিহত ও আরও ২২ জন আহত হয়।

বিবৃতিতে তারা আরও বলেছে, ‘নিরীহ শিক্ষার্থীদের এই হত্যাকাণ্ডের জন্য আমরা নিহতের পরিবারের জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি।’ যদিও এই হামলার জন্য তারা জান্তাকে দায়ী করেছে, কিন্তু জান্তা বা সরকারপক্ষের কোনো বক্তব্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম ‘মিয়ানমার নাও’ জানিয়েছে, একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ঘুমাচ্ছিলেন এমন সময় জান্তা বাহিনীর বিমান দুটি ৫০০ পাউন্ড ওজনের বোমা ফেলে। এই নৃশংস হামলাকে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো নিন্দা জানিয়েছে।

অ্যান ইউনিসেফ এক বিবৃতিতে এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি একটি পৈশাচিক ও বিভৎস ঘটনা।

এএফপি জানিয়েছে, কিয়াউকতাওয়ের আশপাশের এলাকাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি, কারণ সেখানে ইন্টারনেট ও ফোন সেবা বন্ধ রয়েছে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বিভিন্ন ফ্রন্টে তাদের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বিমান হামলা ও কামান দিয়ে আঘাত চালিয়ে আসছে, এর ফলে ব্যাপক নিরাপত্তা ঝুঁকি বিরাজ করছে। জাতিগত সংখ্যালঘু ও সাধারণ জনগণের জীবনে এই সংঘাতের কুপ্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে।