০৪:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী একদিনেই দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ

সংস্কারপ্রক্রিয়ার নিজস্বই সংস্কার জরুরি: মঈন খান

চলমান রাজনৈতিক সংস্কারপ্রক্রিয়াটির জন্য নিজের অভ্যন্তরীণ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান। তিনি জানিয়েছেন, এক বছর ধরে চলমান এই সংস্কার প্রক্রিয়া এখনো কোনও কার্যকর সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি। এর মূল কারণ, কমিশন পদ্ধতিতে পরিবর্তন না আসায় স্বচ্ছ ও কার্যকর অগ্রগতি মন্থর হয়ে পড়েছে। তিনি এই কথাগুলো বলেছেন গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের জন্য সংলাপ’ শীর্ষক ব্যক্তিগত আলোচনা অনুষ্ঠানে। এ সময় তিনি আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে বলেন, “আমাদের ওপর জোর করে একনায়কতন্ত্র চাপিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা হয়েছে, যেখানে সবাইকে একেবারে একইরকম চিন্তাধারা মানতে বলাবলি করা হচ্ছে। ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা সেখানে নেই।” তবে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “আজকের দিনেও কি সবাইকে একত্রিত করে গণতন্ত্রের চেতনায় উদযাপন করতে পারব?” তিনি বললেন, “আমি এই ধারণায় বিশ্বাস করি না।” তিনি বলেছেন, “প্রতিটি মানুষের মতান্তরে বৈচিত্র্য থাকা স্বাভাবিক। যদি এই ভেরিয়েশনগুলো গ্রহণ না করা যায়, তাহলে আমি বিশ্বাস করি না যে সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া কাজ করবে। ইতিমধ্যে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ বিষয় নিয়ে আমাদের সহমত হয়েছি, তবে আর বেশি কিছু বিষয়ে ভিন্নমত থাকা স্বাভাবিক। যদি সবাই একমত হওয়ার জন্য চাপ দেয়া হয়, তা হলে আমি সন্দেহের তোড়ে পড়ি—এটা কি আসলেই কিছু আড়াল বা গোপন কারচুপি আছে কিনা।” ইংরেজি এক প্রবাদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ইউনিটি ইন ডাইভারসিটি (বৈচিত্র্যে ঐক্য)।” তিনি আরো যোগ করেন, “সব কাগজে স্বাক্ষর, সবকিছু কার্যকর করা, সংবিধান পরিবর্তন বা নতুন সংবিধান প্রণয়ন—all এসব যদি স্বাভাবিক ও প্রক্রিয়াগতভাবে হয়, তাহলে আমি আপত্তি করব না। তবে জোরপূর্বক কারো ওপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের মনোবৃত্তি কেমন, সেটা সবাই জানেন। তাঁরা একদিকে অধৈর্য আর অন্যদিকে বেশ ইমোশনাল। এই দুটো জিনিস যদি এক সঙ্গে চলে আসে, তাহলে খুবই মারাত্মক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। আর সেটা ইতিমধ্যে ঘটেও গেছে।”

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

সংস্কারপ্রক্রিয়ার নিজস্বই সংস্কার জরুরি: মঈন খান

প্রকাশিতঃ ১০:৫১:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চলমান রাজনৈতিক সংস্কারপ্রক্রিয়াটির জন্য নিজের অভ্যন্তরীণ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান। তিনি জানিয়েছেন, এক বছর ধরে চলমান এই সংস্কার প্রক্রিয়া এখনো কোনও কার্যকর সমাধানে পৌঁছাতে পারেনি। এর মূল কারণ, কমিশন পদ্ধতিতে পরিবর্তন না আসায় স্বচ্ছ ও কার্যকর অগ্রগতি মন্থর হয়ে পড়েছে। তিনি এই কথাগুলো বলেছেন গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের জন্য সংলাপ’ শীর্ষক ব্যক্তিগত আলোচনা অনুষ্ঠানে। এ সময় তিনি আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে বলেন, “আমাদের ওপর জোর করে একনায়কতন্ত্র চাপিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা হয়েছে, যেখানে সবাইকে একেবারে একইরকম চিন্তাধারা মানতে বলাবলি করা হচ্ছে। ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা সেখানে নেই।” তবে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “আজকের দিনেও কি সবাইকে একত্রিত করে গণতন্ত্রের চেতনায় উদযাপন করতে পারব?” তিনি বললেন, “আমি এই ধারণায় বিশ্বাস করি না।” তিনি বলেছেন, “প্রতিটি মানুষের মতান্তরে বৈচিত্র্য থাকা স্বাভাবিক। যদি এই ভেরিয়েশনগুলো গ্রহণ না করা যায়, তাহলে আমি বিশ্বাস করি না যে সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া কাজ করবে। ইতিমধ্যে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ বিষয় নিয়ে আমাদের সহমত হয়েছি, তবে আর বেশি কিছু বিষয়ে ভিন্নমত থাকা স্বাভাবিক। যদি সবাই একমত হওয়ার জন্য চাপ দেয়া হয়, তা হলে আমি সন্দেহের তোড়ে পড়ি—এটা কি আসলেই কিছু আড়াল বা গোপন কারচুপি আছে কিনা।” ইংরেজি এক প্রবাদ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ইউনিটি ইন ডাইভারসিটি (বৈচিত্র্যে ঐক্য)।” তিনি আরো যোগ করেন, “সব কাগজে স্বাক্ষর, সবকিছু কার্যকর করা, সংবিধান পরিবর্তন বা নতুন সংবিধান প্রণয়ন—all এসব যদি স্বাভাবিক ও প্রক্রিয়াগতভাবে হয়, তাহলে আমি আপত্তি করব না। তবে জোরপূর্বক কারো ওপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের মনোবৃত্তি কেমন, সেটা সবাই জানেন। তাঁরা একদিকে অধৈর্য আর অন্যদিকে বেশ ইমোশনাল। এই দুটো জিনিস যদি এক সঙ্গে চলে আসে, তাহলে খুবই মারাত্মক পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। আর সেটা ইতিমধ্যে ঘটেও গেছে।”