১১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

সরকার ৫০ হাজার টন গ্যাসোলিন ও ৯৫ হাজার টন সার কেনার পরিকল্পনা গ্রহণ

দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে সরকার প্রায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাসোলিন এবং প্রায় ৯৫ হাজার টন সার আমদানির জন্য নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় মঙ্গলবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ৩৮তম সভায়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে প্রস্তাবের ভিত্তিতে জানানো হয়, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার পিটি বুমি সিয়াক পুসাকো যাপিন (বিএসপি) কোম্পানি থেকে ৪১৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকার বিনিময়ে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাসোলিন ৯৫ আনলেডেড (অকটেন) আমদানির প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে।

অপরদিকে, শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকার সৌদি আরবের এসএবিআইসি এগ্রি-নিউট্রিএন্টস কোম্পানি থেকে প্রথম লটে ৩০ হাজার টন বাল্ক গ্রানুলার ইউরিয়া সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ জন্য প্রায় ১৬৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয় হবে, যেখানে প্রতিটন ইউরিয়া সারির মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৪৪৭ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার।

তাছাড়া, আরেকটি প্রস্তাবের ভিত্তিতে, সরকার কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর জন্য প্রায় ১৫২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটন টনের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৪১৪ দশমিক ৮৭ মার্কিন ডলার।

অপর দিকে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) রাশিয়ার জেএসসি ফরেন ইকোনমিক কর্পোরেশন (প্রোডিন্টর্গ) এর সঙ্গে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় চতুর্থ লটের জন্য ৩৫ হাজার টন এমওপি সার কিনবে। এর জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৫৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা, যেখানে প্রতিটন টনের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৩৬১ মার্কিন ডলার।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

সরকার ৫০ হাজার টন গ্যাসোলিন ও ৯৫ হাজার টন সার কেনার পরিকল্পনা গ্রহণ

প্রকাশিতঃ ০৬:১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে সরকার প্রায় ৫০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাসোলিন এবং প্রায় ৯৫ হাজার টন সার আমদানির জন্য নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় মঙ্গলবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ৩৮তম সভায়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে প্রস্তাবের ভিত্তিতে জানানো হয়, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার পিটি বুমি সিয়াক পুসাকো যাপিন (বিএসপি) কোম্পানি থেকে ৪১৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকার বিনিময়ে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাসোলিন ৯৫ আনলেডেড (অকটেন) আমদানির প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে।

অপরদিকে, শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকার সৌদি আরবের এসএবিআইসি এগ্রি-নিউট্রিএন্টস কোম্পানি থেকে প্রথম লটে ৩০ হাজার টন বাল্ক গ্রানুলার ইউরিয়া সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ জন্য প্রায় ১৬৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয় হবে, যেখানে প্রতিটন ইউরিয়া সারির মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৪৪৭ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার।

তাছাড়া, আরেকটি প্রস্তাবের ভিত্তিতে, সরকার কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর জন্য প্রায় ১৫২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটন টনের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৪১৪ দশমিক ৮৭ মার্কিন ডলার।

অপর দিকে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) রাশিয়ার জেএসসি ফরেন ইকোনমিক কর্পোরেশন (প্রোডিন্টর্গ) এর সঙ্গে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় চতুর্থ লটের জন্য ৩৫ হাজার টন এমওপি সার কিনবে। এর জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৫৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা, যেখানে প্রতিটন টনের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৩৬১ মার্কিন ডলার।