০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

শিবচরে ৬০ বছরের বৃদ্ধা রেনু বেগম হত্যার আসামীর আদালতে স্বীকারোক্তি

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের কাচিকাটা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে ৬০ বছরের বৃদ্ধা রেনু বেগমের গলাকাটা রক্তাক্ত লাশ ২১ সেপ্টেম্বর শিবচর থানা পুলিশ উদ্ধার করে। এই হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ ও মোটিভ শনাক্তে আইনশৃংখলা বাহিনী নিরবচ্ছিন্ন কাজ চালাতে থাকে। গোয়েন্দা সূত্রের মাধ্যমে ও প্রযুক্তির সাহায্যে দ্রুত সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত র‍্যাব-৮ (সিপিসি), মাদারীপুরের একটি বিশেষ টিম, এবং শিবচর থানা পুলিশের সহযোগিতায় পাচ্চর এলাকার এক অভিযানে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গী আসামি কাজী মাহমুদ রাসেল সবুজকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারির পর তদন্তে জানা যায়, সবুজ একাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। সে স্বীকার করে, মূলতঃ তাকে ও তার স্ত্রীকে চোরের অপবাদ দেয়া হয়—এই অপবাদই তাকে হত্যা করার জন্য অনুপ্রেরণা দেয়। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালের সময় সবুজের পাচ্চরস্থ বাসায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা হাসুয়া বা কাঁচি উদ্ধার করে পুলিশ। কাঠের নিচে লুকানো এই ছুরির পাশাপাশি রেনু বেগমের বাসা থেকে চুরি হওয়া একটি রাইস কুকার ও অন্যান্য লুটের মালামাল উদ্ধার করা হয়। আরেকটি মোবাইল ফোন (সামসাং বাটন ফোন) ও একটি স্মার্ট ফোন (রিয়েলমি) হত্যা মামলার সাথে যুক্ত থাকার প্রমাণ হিসেবে একই সময়ে উদ্ধার করা হয়। অবশ্যই, রেনু বেগমের কানের স্বর্ণের দুল, যা হত্যাকাণ্ডের পরে নিয়ে যায় আসামি সবুজ, তা ১৪ হাজার টাকায় শিবচরের একটি গয়লার দোকানে বিক্রি করে। তদন্তের মাধ্যমে জানা গেছে, সবুজ স্বর্ণের দুলও দোকান থেকে উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও, হত্যাকাণ্ডের পর লুটের মালামাল হিসেবে ব্যবহার করা মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগও উদ্ধার করে পুলিশ। সবুজের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে বিষয় নিশ্চিত হয় পুলিশ। শুক্রবার বিকালে তাকে বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে। সেখানে সে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। এই ব্যাপারে মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অবস) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম নিশ্চিত করেছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

শিবচরে ৬০ বছরের বৃদ্ধা রেনু বেগম হত্যার আসামীর আদালতে স্বীকারোক্তি

প্রকাশিতঃ ১০:০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের কাচিকাটা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে ৬০ বছরের বৃদ্ধা রেনু বেগমের গলাকাটা রক্তাক্ত লাশ ২১ সেপ্টেম্বর শিবচর থানা পুলিশ উদ্ধার করে। এই হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ ও মোটিভ শনাক্তে আইনশৃংখলা বাহিনী নিরবচ্ছিন্ন কাজ চালাতে থাকে। গোয়েন্দা সূত্রের মাধ্যমে ও প্রযুক্তির সাহায্যে দ্রুত সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত র‍্যাব-৮ (সিপিসি), মাদারীপুরের একটি বিশেষ টিম, এবং শিবচর থানা পুলিশের সহযোগিতায় পাচ্চর এলাকার এক অভিযানে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গী আসামি কাজী মাহমুদ রাসেল সবুজকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারির পর তদন্তে জানা যায়, সবুজ একাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। সে স্বীকার করে, মূলতঃ তাকে ও তার স্ত্রীকে চোরের অপবাদ দেয়া হয়—এই অপবাদই তাকে হত্যা করার জন্য অনুপ্রেরণা দেয়। শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালের সময় সবুজের পাচ্চরস্থ বাসায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা হাসুয়া বা কাঁচি উদ্ধার করে পুলিশ। কাঠের নিচে লুকানো এই ছুরির পাশাপাশি রেনু বেগমের বাসা থেকে চুরি হওয়া একটি রাইস কুকার ও অন্যান্য লুটের মালামাল উদ্ধার করা হয়। আরেকটি মোবাইল ফোন (সামসাং বাটন ফোন) ও একটি স্মার্ট ফোন (রিয়েলমি) হত্যা মামলার সাথে যুক্ত থাকার প্রমাণ হিসেবে একই সময়ে উদ্ধার করা হয়। অবশ্যই, রেনু বেগমের কানের স্বর্ণের দুল, যা হত্যাকাণ্ডের পরে নিয়ে যায় আসামি সবুজ, তা ১৪ হাজার টাকায় শিবচরের একটি গয়লার দোকানে বিক্রি করে। তদন্তের মাধ্যমে জানা গেছে, সবুজ স্বর্ণের দুলও দোকান থেকে উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও, হত্যাকাণ্ডের পর লুটের মালামাল হিসেবে ব্যবহার করা মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগও উদ্ধার করে পুলিশ। সবুজের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে বিষয় নিশ্চিত হয় পুলিশ। শুক্রবার বিকালে তাকে বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে। সেখানে সে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। এই ব্যাপারে মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অবস) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম নিশ্চিত করেছেন।