০৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন

দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছে: আমীর খসরু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ভাবনায় থাকা দেশের ব্যবসায়ীরা যেমন আগ্রহী, একইভাবে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও ভবিষ্যতে দেশে বিনিয়োগের জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, তারা সব সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখেছেন যতক্ষণ না নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের পরে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা অধিক উৎসাহে বিনিয়োগের দিক ব্যস্ত হবেন বলে আশা তারা করেন। সবাই বিজ্ঞপ্তি অপেক্ষায় রয়েছেন কীভাবে পরিস্থিতি এগিয়ে যায়, যাতে তারা নিজেদের পরিকল্পনা কার্যকর করতে পারেন।

গতকাল রোববার, রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই মন্তব্য করেন আমীর খসরু। বৈঠকটি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে হয়। এর আগে, বৈঠকে তারা দেশের অর্থনীতি, বিনিয়োগ পরিস্থিতি এবং রাজধানীর লেবার নীতি বিষয়ক আলোচনা করেন।

আমীর খসরু জানান, সরকার ও ব্যবসায়ী নেতাদের অংশগ্রহণে উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয়: প্রথমটি হলো দেশের এলডিসি অর্থনৈতিক তালিকা থেকে উত্তরণ, এবং দ্বিতীয়টি হলো শ্রমনীতি সংশোধন। তিনি বলেন, বর্তমানে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া বাংলাদেশের জন্য বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে, এই উত্তরণ দুই পক্ষের জন্যই সুবিধাজনক নয়। এর ফলে দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসায় বিনিয়োগে দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্তে ক্ষতি হতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের মাধ্যমে এই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতির একটি চিঠি পাঠানো দরকার।

বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে মূল উদ্বেগ এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের ডিফামেন্ট নিয়ে আলোচনা, পাশাপাশি শ্রমিক সংগঠনের নিয়মে কিছু পরিবর্তন আনার বিষয়ে। তিনি বলেন, বিজিএমইআর নেতৃত্ব মনে করছে, এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য এখনই প্রস্তুত নয় দেশের পোশাকশিল্প, তাই এই উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পর্যন্ত বাড়ানোর পক্ষে তারা। এতে করে, শিল্পটির লক্ষ্য ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সুবিধা হবে বলে তারা আশাবাদী।

সাবেক সময়ের মতো, এ বিষয়ে দলের নেতারা বৈঠকে আলোচনা চালিয়ে যান এবং দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের জন্য অ্যাগ্রেসিভ পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত

দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছে: আমীর খসরু

প্রকাশিতঃ ১০:০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের ভাবনায় থাকা দেশের ব্যবসায়ীরা যেমন আগ্রহী, একইভাবে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও ভবিষ্যতে দেশে বিনিয়োগের জন্য অপেক্ষা করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, তারা সব সিদ্ধান্ত স্থগিত রেখেছেন যতক্ষণ না নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের পরে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা অধিক উৎসাহে বিনিয়োগের দিক ব্যস্ত হবেন বলে আশা তারা করেন। সবাই বিজ্ঞপ্তি অপেক্ষায় রয়েছেন কীভাবে পরিস্থিতি এগিয়ে যায়, যাতে তারা নিজেদের পরিকল্পনা কার্যকর করতে পারেন।

গতকাল রোববার, রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই মন্তব্য করেন আমীর খসরু। বৈঠকটি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে হয়। এর আগে, বৈঠকে তারা দেশের অর্থনীতি, বিনিয়োগ পরিস্থিতি এবং রাজধানীর লেবার নীতি বিষয়ক আলোচনা করেন।

আমীর খসরু জানান, সরকার ও ব্যবসায়ী নেতাদের অংশগ্রহণে উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয়: প্রথমটি হলো দেশের এলডিসি অর্থনৈতিক তালিকা থেকে উত্তরণ, এবং দ্বিতীয়টি হলো শ্রমনীতি সংশোধন। তিনি বলেন, বর্তমানে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া বাংলাদেশের জন্য বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে, এই উত্তরণ দুই পক্ষের জন্যই সুবিধাজনক নয়। এর ফলে দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসায় বিনিয়োগে দীর্ঘমেয়াদি সিদ্ধান্তে ক্ষতি হতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের মাধ্যমে এই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতির একটি চিঠি পাঠানো দরকার।

বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে মূল উদ্বেগ এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের ডিফামেন্ট নিয়ে আলোচনা, পাশাপাশি শ্রমিক সংগঠনের নিয়মে কিছু পরিবর্তন আনার বিষয়ে। তিনি বলেন, বিজিএমইআর নেতৃত্ব মনে করছে, এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য এখনই প্রস্তুত নয় দেশের পোশাকশিল্প, তাই এই উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পর্যন্ত বাড়ানোর পক্ষে তারা। এতে করে, শিল্পটির লক্ষ্য ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সুবিধা হবে বলে তারা আশাবাদী।

সাবেক সময়ের মতো, এ বিষয়ে দলের নেতারা বৈঠকে আলোচনা চালিয়ে যান এবং দেশের অর্থনীতির উন্নয়নে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের জন্য অ্যাগ্রেসিভ পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।