০৯:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকা চেম্বার থেকে ই-রিটার্নের মাধ্যমে আয়কর প্রদান আরও ডিজিটাল ও সহজ করার আহ্বান

আয়কর পরিশোধের জন্য বিদ্যমান বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা দূর করে ই-রিটার্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে আয়কর এবং ভ্যাট প্রদান পদ্ধতিকে আধুনিক ও সহজ করার জন্য দেশের সকল নাগরিক ও ব্যবসায়ী সমাজকে উৎসাহিত করেছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ। শনিবার অনুষ্ঠিত ‘ব্যক্তিগত আয়কর ও ই-রিটার্ন’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তাসকীন আহমেদ বলেন, কর রাজস্বের মাধ্যমে সরকার দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সমাজের বিভিন্ন নিরাপত্তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে আয়কর জিডিপি-র অবদান অন্যান্য দেশের তুলনায় কম থাকায় আমাদের আরো বেশি কর পরিশোধের প্রয়োজন। দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী করার জন্য এটি অপরিহার্য।

তিনি বলেছেন, সরকার আয়কর প্রদান বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি কর প্রদান প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান জটিলতা কমানোর জন্য ই-রিটার্ন ব্যবস্থা চালু করেছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে করদাতা এবং ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে তাদের কর প্রদান করবেন, যা করের ক্ষেত্রে অস্থিরতা এবং দুর্নীতি কমাতে সাহায্য করবে। তিনি জোর দেন, ব্যক্তিগত এবং ব্যবসায়িক করদাতাদের জন্য এই ডিজিটাল পদ্ধতি সহজ, দ্রুত এবং সুবিধাজনক।

অনুষ্ঠানে তিনটি মূল সেশন হয়: আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ই-রিটার্ন বিষয়ক। এতে ঢাকা চেম্বারের ৭০টিরও বেশি সদস্য প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করে। উপস্থিত ছিলেন ডিসিসিআইয়ের উর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী এবং সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের কর ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ, দাপ্তরিক জটিলতা কমে যাবে এবং জনগণের মধ্যে কর প্রদানে আগ্রহ সৃষ্টি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন বক্তারা। এর ফলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে এবং উন্নয়নকাজ আরও দ্রুত এগিয়ে যাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

ঢাকা চেম্বার থেকে ই-রিটার্নের মাধ্যমে আয়কর প্রদান আরও ডিজিটাল ও সহজ করার আহ্বান

প্রকাশিতঃ ১০:৪৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আয়কর পরিশোধের জন্য বিদ্যমান বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা দূর করে ই-রিটার্ন ব্যবস্থার মাধ্যমে আয়কর এবং ভ্যাট প্রদান পদ্ধতিকে আধুনিক ও সহজ করার জন্য দেশের সকল নাগরিক ও ব্যবসায়ী সমাজকে উৎসাহিত করেছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ। শনিবার অনুষ্ঠিত ‘ব্যক্তিগত আয়কর ও ই-রিটার্ন’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে তাসকীন আহমেদ বলেন, কর রাজস্বের মাধ্যমে সরকার দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সমাজের বিভিন্ন নিরাপত্তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে আয়কর জিডিপি-র অবদান অন্যান্য দেশের তুলনায় কম থাকায় আমাদের আরো বেশি কর পরিশোধের প্রয়োজন। দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী করার জন্য এটি অপরিহার্য।

তিনি বলেছেন, সরকার আয়কর প্রদান বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি কর প্রদান প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান জটিলতা কমানোর জন্য ই-রিটার্ন ব্যবস্থা চালু করেছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে করদাতা এবং ব্যবসায়ীরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে তাদের কর প্রদান করবেন, যা করের ক্ষেত্রে অস্থিরতা এবং দুর্নীতি কমাতে সাহায্য করবে। তিনি জোর দেন, ব্যক্তিগত এবং ব্যবসায়িক করদাতাদের জন্য এই ডিজিটাল পদ্ধতি সহজ, দ্রুত এবং সুবিধাজনক।

অনুষ্ঠানে তিনটি মূল সেশন হয়: আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং ই-রিটার্ন বিষয়ক। এতে ঢাকা চেম্বারের ৭০টিরও বেশি সদস্য প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করে। উপস্থিত ছিলেন ডিসিসিআইয়ের উর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী এবং সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের কর ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ, দাপ্তরিক জটিলতা কমে যাবে এবং জনগণের মধ্যে কর প্রদানে আগ্রহ সৃষ্টি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন বক্তারা। এর ফলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে এবং উন্নয়নকাজ আরও দ্রুত এগিয়ে যাবে।