০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি ‘গর্হিত ও ন্যক্কারজনক’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রামগঙ্গায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রদের কাছ থেকে টিকা নিবন্ধনের নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিনামূল্যের টাইফয়েড ভ্যাকসিনের নিবন্ধনের নাম করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী সকল শিশু ও কিশোর-কিশোরীকে বিনামূল্যে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হয়। এই প্রত্যাশিত সুবিধা পেতে সকল শিক্ষার্থীকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হয়। গত আগস্ট মাসে ইউএনও কর্তৃক অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় পড়ুয়াদের নিবন্ধন কার্যক্রমের জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু ঘটনাচক্রে, এই নির্দেশনা থাকলেও চরলক্ষ্মী গ্রামের আবদুল ওয়াহেদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে গ্রহণ করে নথিভুক্ত করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের নিবন্ধনের জন্য অনলাইনে প্রচুর খরচ হয় না, যা সাধারণত বিদ্যালয় বহন করে, তবে ওই প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন। অভিভাবকদের একজন বলেন, প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থীর জন্য তিনি মোট ১২ হাজার টাকা আদায় করেছেন। এতে সরকারের দেওয়া অডিট ও উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা কোথায় যায় তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এছাড়া, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সালমা সুলতানা রিমার স্বামী স্থানীয় প্রভাবশালী হিসেবে বিদ্যালয়ে একনায়কতন্ত্র চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে ভয় ও আতঙ্কে অভিভাবকরা বিষয়গুলো প্রকাশ করতে সাহস পাচ্ছেন না, কারণ প্রধান শিক্ষক শিশুদের ফেল করে দেওয়ার হুমকি দেন। প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুক নিজে স্বীকার করেছেন, টাকা নেওয়া হয় কারণ উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে অর্থ দিতে হয়। এই ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার জানিয়েছেন, যদি কেউ সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে টাকা নিতে থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডিজিটাল যুগে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিনামূল্যে টিকা ও নিবন্ধনের ব্যবস্থা থাকলেও, এই ঘটনা রীতিমতো গাফিলতি এবং দুর্নীতি প্রকাশ coherently।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

রামগঙ্গায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রদের কাছ থেকে টিকা নিবন্ধনের নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিতঃ ১০:৫২:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিনামূল্যের টাইফয়েড ভ্যাকসিনের নিবন্ধনের নাম করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী সকল শিশু ও কিশোর-কিশোরীকে বিনামূল্যে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হয়। এই প্রত্যাশিত সুবিধা পেতে সকল শিক্ষার্থীকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হয়। গত আগস্ট মাসে ইউএনও কর্তৃক অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় পড়ুয়াদের নিবন্ধন কার্যক্রমের জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু ঘটনাচক্রে, এই নির্দেশনা থাকলেও চরলক্ষ্মী গ্রামের আবদুল ওয়াহেদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে গ্রহণ করে নথিভুক্ত করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের নিবন্ধনের জন্য অনলাইনে প্রচুর খরচ হয় না, যা সাধারণত বিদ্যালয় বহন করে, তবে ওই প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন। অভিভাবকদের একজন বলেন, প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থীর জন্য তিনি মোট ১২ হাজার টাকা আদায় করেছেন। এতে সরকারের দেওয়া অডিট ও উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা কোথায় যায় তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এছাড়া, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সালমা সুলতানা রিমার স্বামী স্থানীয় প্রভাবশালী হিসেবে বিদ্যালয়ে একনায়কতন্ত্র চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে ভয় ও আতঙ্কে অভিভাবকরা বিষয়গুলো প্রকাশ করতে সাহস পাচ্ছেন না, কারণ প্রধান শিক্ষক শিশুদের ফেল করে দেওয়ার হুমকি দেন। প্রধান শিক্ষক ওমর ফারুক নিজে স্বীকার করেছেন, টাকা নেওয়া হয় কারণ উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে অর্থ দিতে হয়। এই ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার জানিয়েছেন, যদি কেউ সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে টাকা নিতে থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডিজিটাল যুগে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিনামূল্যে টিকা ও নিবন্ধনের ব্যবস্থা থাকলেও, এই ঘটনা রীতিমতো গাফিলতি এবং দুর্নীতি প্রকাশ coherently।