১১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

গোপালগঞ্জ-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের দুজন প্রার্থী মনোনয়ন গ্রহণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনে গণঅধিকার পরিষদ থেকে দুজন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। তারা হলেন আবুল বসার ও কাজী রনি। আবুল বসার গণঅধিকার পরিষদের কোটালীপাড়া উপজেলা শাখার আহবায়ক এবং তিনি কোটালীপাড়া উপজেলার মাঝবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী এবং দলের নেতা হিসেবে পরিচিত। কাজী রনি ঢাকা মহানগর উত্তরের দায়িত্বে থাকা গণঅধিকার পরিষদের এক সক্রিয় নেতা, পেশায় একজন ব্যাংকার। তিনি কোটালীপাড়া উপজেলার কুরপালা গ্রামের মৃত. কাজী নজরুল ইসলামের সন্তান।

আবুল বসার জানান, গণঅধিকার পরিষদ জনগণের জন্য কাজ করে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক দল। তিনি বলেন, এই আসনটি ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত হলেও, আমি আশাবাদী যে গোপালগঞ্জের ভোটাররা তাদের মূল্যবান ভোটের মাধ্যমে গণঅধিকার পরিষদকে সমর্থন করবে। তিনি আরও বলেন, যদি দল তাঁকে মনোনয়ন দেয়, তিনি তার উপস্থিতি ও প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে দলের সম্মান বজায় রাখবেন।

উল্লেখ্য, গণঅধিকার পরিষদ দেশের একজন নির্ভরযোগ্য ভোটার দলের অংশ হিসাবে বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে লিফলেট বিতরণ এবং জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতামূলক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত। আগামী নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী হিসেবে আবুল বসার ও কাজী রনির মনোনয়ন যদি নিশ্চিত হয়, তারা তা নিয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ।

গত বছরের আগস্টে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর থেকে গোপালগঞ্জের এই কোটালীপাড়া আসনে বিভিন্ন দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে জোরদার প্রচারণা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থীরা উপজেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ভিড় করছেন, ভোটারদের মনোভাব জানার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নতুন মাত্রা নিয়েছে, যেখানে প্রতিটি দল নিজেদের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

গোপালগঞ্জ-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের দুজন প্রার্থী মনোনয়ন গ্রহণ

প্রকাশিতঃ ১০:৪৭:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনে গণঅধিকার পরিষদ থেকে দুজন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। তারা হলেন আবুল বসার ও কাজী রনি। আবুল বসার গণঅধিকার পরিষদের কোটালীপাড়া উপজেলা শাখার আহবায়ক এবং তিনি কোটালীপাড়া উপজেলার মাঝবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী এবং দলের নেতা হিসেবে পরিচিত। কাজী রনি ঢাকা মহানগর উত্তরের দায়িত্বে থাকা গণঅধিকার পরিষদের এক সক্রিয় নেতা, পেশায় একজন ব্যাংকার। তিনি কোটালীপাড়া উপজেলার কুরপালা গ্রামের মৃত. কাজী নজরুল ইসলামের সন্তান।

আবুল বসার জানান, গণঅধিকার পরিষদ জনগণের জন্য কাজ করে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক দল। তিনি বলেন, এই আসনটি ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত হলেও, আমি আশাবাদী যে গোপালগঞ্জের ভোটাররা তাদের মূল্যবান ভোটের মাধ্যমে গণঅধিকার পরিষদকে সমর্থন করবে। তিনি আরও বলেন, যদি দল তাঁকে মনোনয়ন দেয়, তিনি তার উপস্থিতি ও প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে দলের সম্মান বজায় রাখবেন।

উল্লেখ্য, গণঅধিকার পরিষদ দেশের একজন নির্ভরযোগ্য ভোটার দলের অংশ হিসাবে বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে লিফলেট বিতরণ এবং জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতামূলক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত। আগামী নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদের মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী হিসেবে আবুল বসার ও কাজী রনির মনোনয়ন যদি নিশ্চিত হয়, তারা তা নিয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ।

গত বছরের আগস্টে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর থেকে গোপালগঞ্জের এই কোটালীপাড়া আসনে বিভিন্ন দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে জোরদার প্রচারণা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থীরা উপজেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ভিড় করছেন, ভোটারদের মনোভাব জানার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নতুন মাত্রা নিয়েছে, যেখানে প্রতিটি দল নিজেদের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে।