০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ঢাকার আদালতে এক কঠিন মামলায় যুক্ত হয়েছেন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা সহ মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়, মামলা সম্পত্তির মামলা না, বরং সাম্প্রতিক ঘটনায় জড়িয়ে রয়েছে মারধর, নির্যাতন এবং হত্যাচেষ্টার মতো গুরুতর অপরাধ। অভিযুক্তরা হলেন- ফাউন্ডেশনের সাইদুর রহমান শাহিদ, সাগর, সিনিয়র ভেরিফিকেশন অফিসার ইফতেখার হোসেন, কর্মকর্তা আফজালু রহমান সায়েম, এক্সিকিউটিভ সদস্য সাবরিনা আফরোজ শ্রাবন্তী, নারায়ণগঞ্জের সোনিয়া আক্তার লুবনা, ফাতেমা আফরিন পায়েল, কর্মকর্তা আলিফ, মেহেদী হাসান প্রিন্স ও জাহিদ।

মামলার বিবরণে জানা যায়, বাদী একজন ‘জুলাই যোদ্ধা’। ২০২৩ সালের ২৭ মে তিনি অনুদান চেয়ে ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে যান। সেখানে তাঁর সঙ্গে পরিচিত একজন কর্মচারী ও অন্যদলীয় সদস্যরা তাকে আলোবিহীন একটি রুমে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে তারা তাঁকে মারধর করে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করে যে, তিনি গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন কিনা বলার জন্য চাপ দেয়। বাদী অভিযোগ করেন, আঘাতের সময় সাইদুর পাইপ দিয়ে তাঁকে মারধর করেন। ফলে তিনি জ্ঞান হারান। জ্ঞান ফিরে আসার পরে আবারও তাকে মারধর করা হয়। আসামিরা ডরে-ধাক্কায় বাদীর মোবাইল কেড়ে নেয় এবং বিএনপি নেতার সাথে ছবি দেখানোর অপরাধে আবারও তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে, যখন জোরপূর্বক বাদীর ডান হাতের ইনজেকশন পুশ করে অচেতন করে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়। পরে আহত অবস্থায় তিনি চিকিৎসা নেন। এই জঘন্য ঘটনাগুলোর জন্য বাদী মামলা করেন এবং পুরো ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ আরো উঠে, অভিযুক্তরা তাঁকে চাপ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভয় দেখানো ও হুমকি দিয়েছে। এই ঘটনার ফলে বাদীর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে, যার জন্য তিনি কঠিন চিকিৎসায় বসবাস করছেন। আইনশৃঙ্খলা ও বিচার বিভাগ এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকার আদালতে এক কঠিন মামলায় যুক্ত হয়েছেন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা সহ মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়, মামলা সম্পত্তির মামলা না, বরং সাম্প্রতিক ঘটনায় জড়িয়ে রয়েছে মারধর, নির্যাতন এবং হত্যাচেষ্টার মতো গুরুতর অপরাধ। অভিযুক্তরা হলেন- ফাউন্ডেশনের সাইদুর রহমান শাহিদ, সাগর, সিনিয়র ভেরিফিকেশন অফিসার ইফতেখার হোসেন, কর্মকর্তা আফজালু রহমান সায়েম, এক্সিকিউটিভ সদস্য সাবরিনা আফরোজ শ্রাবন্তী, নারায়ণগঞ্জের সোনিয়া আক্তার লুবনা, ফাতেমা আফরিন পায়েল, কর্মকর্তা আলিফ, মেহেদী হাসান প্রিন্স ও জাহিদ।

মামলার বিবরণে জানা যায়, বাদী একজন ‘জুলাই যোদ্ধা’। ২০২৩ সালের ২৭ মে তিনি অনুদান চেয়ে ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে যান। সেখানে তাঁর সঙ্গে পরিচিত একজন কর্মচারী ও অন্যদলীয় সদস্যরা তাকে আলোবিহীন একটি রুমে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে তারা তাঁকে মারধর করে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করে যে, তিনি গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন কিনা বলার জন্য চাপ দেয়। বাদী অভিযোগ করেন, আঘাতের সময় সাইদুর পাইপ দিয়ে তাঁকে মারধর করেন। ফলে তিনি জ্ঞান হারান। জ্ঞান ফিরে আসার পরে আবারও তাকে মারধর করা হয়। আসামিরা ডরে-ধাক্কায় বাদীর মোবাইল কেড়ে নেয় এবং বিএনপি নেতার সাথে ছবি দেখানোর অপরাধে আবারও তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে, যখন জোরপূর্বক বাদীর ডান হাতের ইনজেকশন পুশ করে অচেতন করে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়। পরে আহত অবস্থায় তিনি চিকিৎসা নেন। এই জঘন্য ঘটনাগুলোর জন্য বাদী মামলা করেন এবং পুরো ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ আরো উঠে, অভিযুক্তরা তাঁকে চাপ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভয় দেখানো ও হুমকি দিয়েছে। এই ঘটনার ফলে বাদীর স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে, যার জন্য তিনি কঠিন চিকিৎসায় বসবাস করছেন। আইনশৃঙ্খলা ও বিচার বিভাগ এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে।