০৩:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

সিইএএবি সভাপতির মন্তব্য: চীনা বিনিয়োগে রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ার বড় সম্ভাবনা

চীনা বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও শিল্পের সক্ষমতা 활용 করে দ্রুতই বাংলাদেশের রপ্তানি মুকুটে আরো নতুন অংশ যুক্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন চীনা এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (সিইএএবি)-এর সভাপতি হান কুন। বাসসের সাথে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, অবকাঠামো, বিদ্যুৎ এবং তৈরি পোশাকসহ মূল খাতে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে বিনিয়োগ করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৮ হাজার মেগাওয়াটের বেসরকারি বিনিয়োগ হয়েছে, যার প্রায় ৫৪ শতাংশই চীনা কোম্পানির। এর ফলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন ক্ষমতা বেড়ে গেছে ২৭ থেকে ২৮ গিগাওয়াটে, যা দেশের শিল্পায়ন ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

হান কুন আরও বলেন, সুদর্শন শ্রমব্যয়, উন্নত অবকাঠামো ও ভৌগোলিক সুবিধার কারণে বাংলাদেশ এখন রপ্তানিমুখী শিল্পকেন্দ্র হিসেবে নিজেকে উন্নীত করতে পারছে। তিনি চীন–বাংলাদেশ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান, যা এই রূপান্তরের জন্য খুবই জরুরি।

তার মতে, যদি ট্যারিফ ও নীতিমালা সমন্বয় করা হয়, তাহলে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো উৎপাদন খাৎ বাংলাদেশে স্থানান্তর করে দুনিয়ার বাজারে আরও বেশি রপ্তানি করতে পারবে। চীনের মোট উৎপাদন ক্ষমতার প্রায় ৩০ শতাংশ বর্তমানে বিশ্বব্যাপী কাজ করছে, আর এ অংশ যদি বাংলাদেশে আসে, তাহলে দেশের রপ্তানি ও শিল্পকৌশল আরও বিপুলভাবে বেড়ে যাবে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, নীতিগত স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যদ্বাণীর সক্ষমতা বিনিয়োগকারীদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। এখানে নীতির অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন বড় প্রকল্পের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় এবং বিনিয়োগের পরিবেশকে নেতিবাচক করে তোলে।

হান কুন জানান, বর্তমানে সিইএএবির প্রায় ২৫০টি সদস্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার অর্ধেক অবকাঠামো ও প্রায় ৩০ শতাংশ রফতানি, এমআরজি ও টেক্সটাইল খাতে কাজ করে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও রপ্তানিমুখী সরবরাহ চেইন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে।

ভবিষ্যতে যে ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা বাড়বে, তা হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন— অবকাঠামো ও বিদ্যুৎ aside, নতুন শক্তি, ডিজিটাল অর্থনীতি, লজিস্টিকস ও উৎপাদন খাতেও চীনাদের বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়ছে।

তিনি যোগ করেন, ‘সঠিক নীতিগত সহায়তা পেলে বাংলাদেশ এশিয়ার অন্যতম রপ্তানি ও শিল্পকেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে সব দিক থেকে।’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

সিইএএবি সভাপতির মন্তব্য: চীনা বিনিয়োগে রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ার বড় সম্ভাবনা

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

চীনা বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও শিল্পের সক্ষমতা 활용 করে দ্রুতই বাংলাদেশের রপ্তানি মুকুটে আরো নতুন অংশ যুক্ত হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন চীনা এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (সিইএএবি)-এর সভাপতি হান কুন। বাসসের সাথে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, অবকাঠামো, বিদ্যুৎ এবং তৈরি পোশাকসহ মূল খাতে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে বিনিয়োগ করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৮ হাজার মেগাওয়াটের বেসরকারি বিনিয়োগ হয়েছে, যার প্রায় ৫৪ শতাংশই চীনা কোম্পানির। এর ফলে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন ক্ষমতা বেড়ে গেছে ২৭ থেকে ২৮ গিগাওয়াটে, যা দেশের শিল্পায়ন ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

হান কুন আরও বলেন, সুদর্শন শ্রমব্যয়, উন্নত অবকাঠামো ও ভৌগোলিক সুবিধার কারণে বাংলাদেশ এখন রপ্তানিমুখী শিল্পকেন্দ্র হিসেবে নিজেকে উন্নীত করতে পারছে। তিনি চীন–বাংলাদেশ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান, যা এই রূপান্তরের জন্য খুবই জরুরি।

তার মতে, যদি ট্যারিফ ও নীতিমালা সমন্বয় করা হয়, তাহলে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো উৎপাদন খাৎ বাংলাদেশে স্থানান্তর করে দুনিয়ার বাজারে আরও বেশি রপ্তানি করতে পারবে। চীনের মোট উৎপাদন ক্ষমতার প্রায় ৩০ শতাংশ বর্তমানে বিশ্বব্যাপী কাজ করছে, আর এ অংশ যদি বাংলাদেশে আসে, তাহলে দেশের রপ্তানি ও শিল্পকৌশল আরও বিপুলভাবে বেড়ে যাবে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, নীতিগত স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যদ্বাণীর সক্ষমতা বিনিয়োগকারীদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। এখানে নীতির অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন বড় প্রকল্পের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় এবং বিনিয়োগের পরিবেশকে নেতিবাচক করে তোলে।

হান কুন জানান, বর্তমানে সিইএএবির প্রায় ২৫০টি সদস্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার অর্ধেক অবকাঠামো ও প্রায় ৩০ শতাংশ রফতানি, এমআরজি ও টেক্সটাইল খাতে কাজ করে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও রপ্তানিমুখী সরবরাহ চেইন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে।

ভবিষ্যতে যে ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা বাড়বে, তা হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন— অবকাঠামো ও বিদ্যুৎ aside, নতুন শক্তি, ডিজিটাল অর্থনীতি, লজিস্টিকস ও উৎপাদন খাতেও চীনাদের বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়ছে।

তিনি যোগ করেন, ‘সঠিক নীতিগত সহায়তা পেলে বাংলাদেশ এশিয়ার অন্যতম রপ্তানি ও শিল্পকেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে সব দিক থেকে।’