১০:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফরিদপুরে ‘কবর কবিতার শতবর্ষ’ গ্রন্থের প্রকাশনা ও উৎসব

ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে সম্প্রতি এক সম্মানজনক ও উৎসাহজনক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত ‘কবর’ কবিতার শতবর্ষপূর্তি উদযাপিত হয়েছে। এই উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে ‘কবর কবিতার শতবর্ষ’ নামের একটি বিশেষ গ্রন্থ এবং এর মোরক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় শনিবার বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে।

এই বিশেষ গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন কবি, লেখক ও গবেষক ড. মোহাম্মদ আলী খান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আবদুর রশীদ। তিনি গ্রন্থের গুরুত্ব ও বাংলার সাহিত্য জগতে এর অবদানকে সম্মান জানান।

সভাপতির আসনে ছিলেন ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক আলতাফ হোসেন, এবং সঞ্চালক ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মফিজ ইমাম মিলন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ, ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এম. এ. সামাদ, স্বাধীন চিকিৎসক ডা. মাহমুদুল হাসান, ডক্টর কাকলী মুখোপাধ্যায়, অধ্যাপক আব্দুল হালিম ও অন্যান্যগুণী ব্যক্তি।

গ্রন্থের সম্পাদক ড. মোহাম্মদ আলী খান বলেন, কলকাতা থেকে ১৯২৫ সালে ‘কল্লোল’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল ‘কবর’ কবিতা, যা পরে স্কুলের পাঠ্যাভাসে সংযোজন হয়। এই কবিতাটির ইতিহাস বাংলার সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে চলেছে, তরুণ-তরুণীদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে। এটি এক কাল্পনিক but চিরন্তন কবিতা, যা আজও পাঠকদের মনে গভীর প্রভাব ফেলে এবং আবৃত্তি অনুষ্ঠানে মুখরিত করে।

শত বছর পার হলেও, ‘কবর’ কবিতার মহিমা আজও অম্লান, যা সমসাময়িক পাঠক, কবি ও সাহিত্যিকদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। এই শতবর্ষে এসে প্রত্যেকের কাছে এই কবিতা এক প্রিয় ও প্রেরণাদায়ক ধন হয়ে উঠেছে, যা প্রতিবার স্পর্শ করে অন্তরের গভীরে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ফরিদপুরে ‘কবর কবিতার শতবর্ষ’ গ্রন্থের প্রকাশনা ও উৎসব

প্রকাশিতঃ ১১:৫২:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে সম্প্রতি এক সম্মানজনক ও উৎসাহজনক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে পল্লী কবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত ‘কবর’ কবিতার শতবর্ষপূর্তি উদযাপিত হয়েছে। এই উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে ‘কবর কবিতার শতবর্ষ’ নামের একটি বিশেষ গ্রন্থ এবং এর মোরক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় শনিবার বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে।

এই বিশেষ গ্রন্থটি সম্পাদনা করেছেন কবি, লেখক ও গবেষক ড. মোহাম্মদ আলী খান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আবদুর রশীদ। তিনি গ্রন্থের গুরুত্ব ও বাংলার সাহিত্য জগতে এর অবদানকে সম্মান জানান।

সভাপতির আসনে ছিলেন ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক আলতাফ হোসেন, এবং সঞ্চালক ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মফিজ ইমাম মিলন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ, ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্লা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এম. এ. সামাদ, স্বাধীন চিকিৎসক ডা. মাহমুদুল হাসান, ডক্টর কাকলী মুখোপাধ্যায়, অধ্যাপক আব্দুল হালিম ও অন্যান্যগুণী ব্যক্তি।

গ্রন্থের সম্পাদক ড. মোহাম্মদ আলী খান বলেন, কলকাতা থেকে ১৯২৫ সালে ‘কল্লোল’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল ‘কবর’ কবিতা, যা পরে স্কুলের পাঠ্যাভাসে সংযোজন হয়। এই কবিতাটির ইতিহাস বাংলার সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করে চলেছে, তরুণ-তরুণীদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে। এটি এক কাল্পনিক but চিরন্তন কবিতা, যা আজও পাঠকদের মনে গভীর প্রভাব ফেলে এবং আবৃত্তি অনুষ্ঠানে মুখরিত করে।

শত বছর পার হলেও, ‘কবর’ কবিতার মহিমা আজও অম্লান, যা সমসাময়িক পাঠক, কবি ও সাহিত্যিকদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। এই শতবর্ষে এসে প্রত্যেকের কাছে এই কবিতা এক প্রিয় ও প্রেরণাদায়ক ধন হয়ে উঠেছে, যা প্রতিবার স্পর্শ করে অন্তরের গভীরে।