১১:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যাকারী গৃহকর্মী আয়েশা ঝালকাঠি থেকে গ্রেফতার

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চাঞ্চল্যকর মা ও মেয়ের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত গৃহকর্মী আয়েশাকে ঝালকাঠি থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের বিশেষ একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। ঢাকামেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া এবং জনসম্পর্ক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান আজ বুধবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের একটি আবাসিক ভবনের সপ্তম তলায় নির্মমভাবে খুন হয় লায়লা আফরোজ (৪৮) ও তার মেয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিয়া (১৫)। পুলিশ জানায়, অপরাধী হ্যান্ড গ্লাভস পড়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মা এবং মেয়েকে আঘাত করে। নিহত নাফিসার গলায় একাধিক গভীর ক্ষত এবং লায়লার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের পর মঙ্গলবার নিহতদের মরদেহ নাটোরে দাফন করা হয়।

অভিযোগে জানা যায়, ঘটনার দিন সেখানকার সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে দেখা যায়, রাত ৭টার দিকে পরিবারের প্রধান আজিজুল ইসলাম স্কুলে যাওয়ার সময় বাসা থেকে বের হন। এর কিছুক্ষণ পরে, সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে মোটা বোরকা পরা গৃহকর্মী আয়েশা লিফটে করে ওই ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে। হত্যাকাণ্ডের সময়ের কিছু পরে, সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে অংশগ্রহণের পোশাক পরা, মাস্ক পরা এবং স্কুলব্যাগ ঝুলিয়ে ওই ভবন ত্যাগ করে।

নাফিসার বাবা আজিজুল ইসলাম জানান, চার দিন আগে আয়েশাকে ভবনের নিরাপত্তাকর্মীদের মাধ্যমে কাজে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগের সময় তিনি বলেছিলেন, তার বাবা-মা মৃত্যু হয়েছে এবং তিনি দগ্ধ হয়েছেন—এর মতো আবেগপূর্ণ গল্প করে তথ্য এড়িয়ে গিয়েছিলেন। এছাড়া, রোববার বাসার মূল চাবি হারানো বিষয়েও সন্দেহ সৃষ্টি হয়। ঘটনার দিন স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে পরিবারটি দেখেন, বাসায় ফিরে স্ত্রীর ও সন্তানের মরদেহ পড়ে রয়েছে। পুলিশ বলেছে, আটকীয় গৃহকর্মী আয়েশার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যাকারী গৃহকর্মী আয়েশা ঝালকাঠি থেকে গ্রেফতার

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের চাঞ্চল্যকর মা ও মেয়ের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত গৃহকর্মী আয়েশাকে ঝালকাঠি থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের বিশেষ একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। ঢাকামেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া এবং জনসম্পর্ক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান আজ বুধবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের একটি আবাসিক ভবনের সপ্তম তলায় নির্মমভাবে খুন হয় লায়লা আফরোজ (৪৮) ও তার মেয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিয়া (১৫)। পুলিশ জানায়, অপরাধী হ্যান্ড গ্লাভস পড়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মা এবং মেয়েকে আঘাত করে। নিহত নাফিসার গলায় একাধিক গভীর ক্ষত এবং লায়লার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের পর মঙ্গলবার নিহতদের মরদেহ নাটোরে দাফন করা হয়।

অভিযোগে জানা যায়, ঘটনার দিন সেখানকার সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে দেখা যায়, রাত ৭টার দিকে পরিবারের প্রধান আজিজুল ইসলাম স্কুলে যাওয়ার সময় বাসা থেকে বের হন। এর কিছুক্ষণ পরে, সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে মোটা বোরকা পরা গৃহকর্মী আয়েশা লিফটে করে ওই ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে। হত্যাকাণ্ডের সময়ের কিছু পরে, সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে অংশগ্রহণের পোশাক পরা, মাস্ক পরা এবং স্কুলব্যাগ ঝুলিয়ে ওই ভবন ত্যাগ করে।

নাফিসার বাবা আজিজুল ইসলাম জানান, চার দিন আগে আয়েশাকে ভবনের নিরাপত্তাকর্মীদের মাধ্যমে কাজে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগের সময় তিনি বলেছিলেন, তার বাবা-মা মৃত্যু হয়েছে এবং তিনি দগ্ধ হয়েছেন—এর মতো আবেগপূর্ণ গল্প করে তথ্য এড়িয়ে গিয়েছিলেন। এছাড়া, রোববার বাসার মূল চাবি হারানো বিষয়েও সন্দেহ সৃষ্টি হয়। ঘটনার দিন স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে পরিবারটি দেখেন, বাসায় ফিরে স্ত্রীর ও সন্তানের মরদেহ পড়ে রয়েছে। পুলিশ বলেছে, আটকীয় গৃহকর্মী আয়েশার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।