০৯:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

মিয়ানমারে নির্বাচনের আগে বিরোধীদের ওপর মামলা ও দমনপীড়ন বৃদ্ধি

মিয়ানমারে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের মুখে বিরোধীদের ওপর রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়ছে। সামরিক জান্তা সরকার নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দুই শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করেছে। এই নির্বাচন, যা আগামী ২৮ ডিসেম্বর থেকে তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হবে, আন্তর্জাতিক জনমত থেকে সমালোচনার মুখোমুখি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২১ সালে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখলকে বৈধতা দেওয়ার জন্য এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া সাজানো হয়েছে। জান্তা সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নির্বাচনী প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে ১৪০টির বেশি মামলায় ২২৯ জনকে শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে আন্দোলনকারীরা, শিল্পীরা, শিশু ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা রয়েছেন।

নতুন নির্বাচনী আইনে ভোট বর্জন বা নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচনী বিরোধী প্রচার, উসকানি বা প্রচারপত্র বিতরণে ৩ থেকে ১০ বছর কারাদণ্ড বা কিছু ক্ষেত্রে মারাত্মক দণ্ডের বিধান রয়েছে। ইতিমধ্যে মান্দালয় শহরে নির্বাচনে বর্জনের ডাক দের বিপক্ষে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অনুসারে, কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের কারাদণ্ড ৪৯ বছর পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বিশ্ব এই পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেও জান্তা সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই নির্বাচন তার দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং বিদেশিদের মতামতকে তারা গুরুত্ব দেয় না। অং সান সু চির দল, ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি), ইতিমধ্যেই বিলুপ্ত করা হয়েছে, যার কারণে তারা এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না। সু চি বর্তমানে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। পরিস্থিতির আরও জটিল হওয়ার কারণে জান্তা সরকার ডিসেম্বরের শেষের পর ১১ জানুয়ারি ও ২৫ জানুয়ারি এই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরো দুই ধাপে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

মিয়ানমারে নির্বাচনের আগে বিরোধীদের ওপর মামলা ও দমনপীড়ন বৃদ্ধি

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

মিয়ানমারে আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের মুখে বিরোধীদের ওপর রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়ছে। সামরিক জান্তা সরকার নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দুই শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করেছে। এই নির্বাচন, যা আগামী ২৮ ডিসেম্বর থেকে তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হবে, আন্তর্জাতিক জনমত থেকে সমালোচনার মুখোমুখি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২১ সালে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখলকে বৈধতা দেওয়ার জন্য এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া সাজানো হয়েছে। জান্তা সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নির্বাচনী প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে ১৪০টির বেশি মামলায় ২২৯ জনকে শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে আন্দোলনকারীরা, শিল্পীরা, শিশু ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা রয়েছেন।

নতুন নির্বাচনী আইনে ভোট বর্জন বা নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে নির্বাচনী বিরোধী প্রচার, উসকানি বা প্রচারপত্র বিতরণে ৩ থেকে ১০ বছর কারাদণ্ড বা কিছু ক্ষেত্রে মারাত্মক দণ্ডের বিধান রয়েছে। ইতিমধ্যে মান্দালয় শহরে নির্বাচনে বর্জনের ডাক দের বিপক্ষে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অনুসারে, কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের কারাদণ্ড ৪৯ বছর পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বিশ্ব এই পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করলেও জান্তা সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এই নির্বাচন তার দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং বিদেশিদের মতামতকে তারা গুরুত্ব দেয় না। অং সান সু চির দল, ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি), ইতিমধ্যেই বিলুপ্ত করা হয়েছে, যার কারণে তারা এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না। সু চি বর্তমানে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। পরিস্থিতির আরও জটিল হওয়ার কারণে জান্তা সরকার ডিসেম্বরের শেষের পর ১১ জানুয়ারি ও ২৫ জানুয়ারি এই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরো দুই ধাপে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা করেছে।