০১:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মামদানির শপথ ১ জানুয়ারি, পাশে থাকবেন স্যান্ডার্স

নিউইয়র্ক সিটির নতুন মেয়র হিসেবে আগামী ১ জানুয়ারি শপথ নিতে যাচ্ছেন জোহরান মামদানী। এর মাধ্যমে তিনি সিটি প্রশাসনের নেতৃত্ব গ্রহণ করবেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকবেন যুক্তরাষ্ট্রের স্বতন্ত্র সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স, যিনি শুরু থেকেই মামদানির রাজনৈতিক যাত্রায় তার অটুট সমর্থন ও পাশে ছিলেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, শপথ অনুষ্ঠানে স্যান্ডার্সকে একসঙ্গে দেখা যাবে মামদানির সঙ্গে, যেখানে তারা গর্বের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের স্থানটি এখনো গোপন রাখা হয়েছে, তবে ধারণা করা হচ্ছে, শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি নির্ভরযোগ্য স্থানে এটি হবে। এই গণশপথ অনুষ্ঠানটি মূলত একটি বৃহৎ সমাগমের পরিকল্পনা, যেখানে আশেপাশের প্রায় ৪০ হাজার সমর্থক উপস্থিত থাকার আশা করা হচ্ছে। তবে সেই দিনের এক দিন আগে, অর্থাৎ উন্মুক্ত অনুষ্ঠানের প্রায় ১৩ ঘণ্টা আগে, একটি ঘরোয়া ও নিরাপদ পরিবেশে মামদানির শপথ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। এই অনুষ্ঠানটি হবে এমন এক স্থান where বিস্তারিত জানা যায়নি। ক্রিসমাস বা নববর্ষের কাছাকাছি সময়ে, মধ্যরাতের দিকে, নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশা জেমসের উপস্থিতিতে মামদানিকে সংবিধান ও স্থানীয় আইনসমূহের প্রতি তার অঙ্গীকার ব্যক্ত করতে দেখা যাবে। তিনি নিশ্চিত করবেন যে, তিনি সংবিধান ও নিউইয়র্কের সনদসমূহের প্রতি সবসময় বিশ্বস্ত থাকবেন ও তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন। এই দিনের একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বলেন, তিনি যদি শপথ ভাষণে ভাষণ দেওয়ার সুযোগ পান, তবে সেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের অবনতির বিষয়টি তুলে ধরবেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, আজকের সরকার শ্রমজীবী মানুষদের জন্য আদর্শ নয়, বরং তারা প্রধানত ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে। স্যান্ডার্স আরও বলেন, ‘জোহরানের উপর এখন এক কঠিন দায়িত্ব এসে পড়েছে। তিনি প্রমাণ করেন যে, সরকার কেবল ধনী শ্রেণির জন্যই নয়, শ্রমজীবী পরিবারের স্বার্থে কাজ করতে পারে।’ এই সমস্যাগুলোর সমাধানে মামদানিকে সমর্থনে উজ্জীবিত করতে এখন থেকেই রাজনৈতিক জায়গায় সক্রিয়তা বাড়ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

মামদানির শপথ ১ জানুয়ারি, পাশে থাকবেন স্যান্ডার্স

প্রকাশিতঃ ১১:৫৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

নিউইয়র্ক সিটির নতুন মেয়র হিসেবে আগামী ১ জানুয়ারি শপথ নিতে যাচ্ছেন জোহরান মামদানী। এর মাধ্যমে তিনি সিটি প্রশাসনের নেতৃত্ব গ্রহণ করবেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকবেন যুক্তরাষ্ট্রের স্বতন্ত্র সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স, যিনি শুরু থেকেই মামদানির রাজনৈতিক যাত্রায় তার অটুট সমর্থন ও পাশে ছিলেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, শপথ অনুষ্ঠানে স্যান্ডার্সকে একসঙ্গে দেখা যাবে মামদানির সঙ্গে, যেখানে তারা গর্বের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের স্থানটি এখনো গোপন রাখা হয়েছে, তবে ধারণা করা হচ্ছে, শহরের কেন্দ্রস্থলে একটি নির্ভরযোগ্য স্থানে এটি হবে। এই গণশপথ অনুষ্ঠানটি মূলত একটি বৃহৎ সমাগমের পরিকল্পনা, যেখানে আশেপাশের প্রায় ৪০ হাজার সমর্থক উপস্থিত থাকার আশা করা হচ্ছে। তবে সেই দিনের এক দিন আগে, অর্থাৎ উন্মুক্ত অনুষ্ঠানের প্রায় ১৩ ঘণ্টা আগে, একটি ঘরোয়া ও নিরাপদ পরিবেশে মামদানির শপথ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। এই অনুষ্ঠানটি হবে এমন এক স্থান where বিস্তারিত জানা যায়নি। ক্রিসমাস বা নববর্ষের কাছাকাছি সময়ে, মধ্যরাতের দিকে, নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশা জেমসের উপস্থিতিতে মামদানিকে সংবিধান ও স্থানীয় আইনসমূহের প্রতি তার অঙ্গীকার ব্যক্ত করতে দেখা যাবে। তিনি নিশ্চিত করবেন যে, তিনি সংবিধান ও নিউইয়র্কের সনদসমূহের প্রতি সবসময় বিশ্বস্ত থাকবেন ও তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন। এই দিনের একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বলেন, তিনি যদি শপথ ভাষণে ভাষণ দেওয়ার সুযোগ পান, তবে সেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের অবনতির বিষয়টি তুলে ধরবেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, আজকের সরকার শ্রমজীবী মানুষদের জন্য আদর্শ নয়, বরং তারা প্রধানত ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে। স্যান্ডার্স আরও বলেন, ‘জোহরানের উপর এখন এক কঠিন দায়িত্ব এসে পড়েছে। তিনি প্রমাণ করেন যে, সরকার কেবল ধনী শ্রেণির জন্যই নয়, শ্রমজীবী পরিবারের স্বার্থে কাজ করতে পারে।’ এই সমস্যাগুলোর সমাধানে মামদানিকে সমর্থনে উজ্জীবিত করতে এখন থেকেই রাজনৈতিক জায়গায় সক্রিয়তা বাড়ছে।