০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

সন্ধ্যায় ঢাকা আসছেন মার্কিন নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আজ সন্ধ্যায় ঢাকায় পৌঁছাচ্ছেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে তাঁর আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণের লক্ষ্যে। তিনি কাতার এয়ারওয়েজের একটি বিশেষ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর, মার্কিন দূতাবাসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা পাশাপাশি বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরাও তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবেন। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তিনি চলতি সপ্তাহেই বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে নিজের পরিচয়পত্র (ক্রেডেনশিয়াল) পেশ করবেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘ সময়ের অপেক্ষার অবসান ঘটছে, কারণ এর আগে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবসের পর, এখন তিনি পুরোপুরি দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রস্তুত।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন একজন অভিজ্ঞ ও বেশ পরিচিত মার্কিন ফরেন সার্ভিসের সদস্য। তিনি গত ৯ জানুয়ারি, ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ করেন। মাইকেল জে. রিগাস, দেশটির ব্যবস্থাপনা ও সম্পদ বিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ গ্রহণের পর, তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এর আগে, ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্বপালন করেছেন। বাংলাদেশে কাজ করার পূর্ব অভিজ্ঞতার কারণে, তাঁর এই নিয়োগ ও অবস্থানকে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন।

বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের অধিকারী ক্রিস্টেনসেন ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ম্যানিলা, সান সালভাদর, রিয়াদ ও হো চর মিন শহরগুলোতে মার্কিন মিশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। উল্লেখ্য যে, ঢাকায় সর্বশেষ মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন পিটার হাস, যিনি ২০২৪ সালের এপ্রিলে দায়িত্ব শেষ করে চলে যান। এর পর, কয়েক মাস ধরে ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন রুটিন দায়িত্বে ছিলেন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স। তবে, এখন থেকে ব্রেন্ট ক্রিস্তেনসেন তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। গত সেপ্টেম্বর মাসে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁকে মনোনীত করেন, এবং ডিসেম্বরে মার্কিন সিনেট তাঁর নিয়োগ অনুমোদন দেয়। এই প্রত্যাবর্তন ঘটতে থাকায় দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ ও কৌতূহল জন্ম নিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

সন্ধ্যায় ঢাকা আসছেন মার্কিন নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন আজ সন্ধ্যায় ঢাকায় পৌঁছাচ্ছেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে তাঁর আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব গ্রহণের লক্ষ্যে। তিনি কাতার এয়ারওয়েজের একটি বিশেষ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর, মার্কিন দূতাবাসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা পাশাপাশি বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরাও তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবেন। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তিনি চলতি সপ্তাহেই বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে নিজের পরিচয়পত্র (ক্রেডেনশিয়াল) পেশ করবেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘ সময়ের অপেক্ষার অবসান ঘটছে, কারণ এর আগে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবসের পর, এখন তিনি পুরোপুরি দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রস্তুত।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন একজন অভিজ্ঞ ও বেশ পরিচিত মার্কিন ফরেন সার্ভিসের সদস্য। তিনি গত ৯ জানুয়ারি, ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ করেন। মাইকেল জে. রিগাস, দেশটির ব্যবস্থাপনা ও সম্পদ বিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ গ্রহণের পর, তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এর আগে, ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্বপালন করেছেন। বাংলাদেশে কাজ করার পূর্ব অভিজ্ঞতার কারণে, তাঁর এই নিয়োগ ও অবস্থানকে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন।

বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের অধিকারী ক্রিস্টেনসেন ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক কমান্ডের বৈদেশিক নীতি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ম্যানিলা, সান সালভাদর, রিয়াদ ও হো চর মিন শহরগুলোতে মার্কিন মিশনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। উল্লেখ্য যে, ঢাকায় সর্বশেষ মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন পিটার হাস, যিনি ২০২৪ সালের এপ্রিলে দায়িত্ব শেষ করে চলে যান। এর পর, কয়েক মাস ধরে ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন রুটিন দায়িত্বে ছিলেন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স। তবে, এখন থেকে ব্রেন্ট ক্রিস্তেনসেন তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। গত সেপ্টেম্বর মাসে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁকে মনোনীত করেন, এবং ডিসেম্বরে মার্কিন সিনেট তাঁর নিয়োগ অনুমোদন দেয়। এই প্রত্যাবর্তন ঘটতে থাকায় দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ ও কৌতূহল জন্ম নিয়েছে।