১১:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় পৌঁছেছেন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতি নিতে আজ (১২ জানুয়ারি, সোমবার) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকা পৌঁছেছেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। কাতার এয়ারওয়েজের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাঁকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানায় ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা। এই দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে দীর্ঘ সময়ের পরে ঢাকার মার্কিন মিশনে একজন পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেওয়া হলো, যা বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এই সপ্তাহেই তাঁর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করবেন। এর অংশ হিসেবে তিনি ভবিষ্যত দুই দিন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বৈঠক করবেন। এরপর, আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি), তিনি বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে নিজের পরিচয়পত্র বা ক্রেডেনশিয়াল পেশ করবেন। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তিনি বাংলাদেশের মর্যাদা ও আইনি কর্তৃত্ব নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করবেন।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরে অনুষ্ঠিত এক শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ক্রিস্টেনসেন formalভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বোস্টন ভিত্তিক এই উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল জে. রিগাস তাঁকে আনুষ্ঠানিক শপথবাক্য পাঠ করেন। এরপর মার্কিন দূতাবাস একটি বার্তায় তাঁকে বাংলাদেশে উপস্থিতির জন্য স্বাগত জানায়। এর আগেও যথেষ্ট আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর, কারণ তিনি ১৭তম রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের দায়িত্বে ছিলেন।

নিজের পুনরায় বাংলাদেশে ফেরার অনুভূতি প্রকাশ করে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, তিনি এই দেশের প্রেক্ষাপট ও পরিবেশের সঙ্গে খুব কাছ থেকে পরিচিত। আবারও এই প্রিয় জনপদে ফিরে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি আরও জানালেন, ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের দক্ষ দলকে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও দৃঢ় করতে চান। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশ্বজনীন লক্ষ্য অর্জন ও একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ বিশ্ব গড়তে বাংলাদেশের অংশীদারিত্বই তাঁর প্রধান দায়িত্ব। এই নিয়োগের খবর দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলেই ব্যাপক আলোচনা ও প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় পৌঁছেছেন

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতি নিতে আজ (১২ জানুয়ারি, সোমবার) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকা পৌঁছেছেন ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। কাতার এয়ারওয়েজের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাঁকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানায় ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা। এই দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে দীর্ঘ সময়ের পরে ঢাকার মার্কিন মিশনে একজন পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেওয়া হলো, যা বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এই সপ্তাহেই তাঁর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করবেন। এর অংশ হিসেবে তিনি ভবিষ্যত দুই দিন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বৈঠক করবেন। এরপর, আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি), তিনি বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে নিজের পরিচয়পত্র বা ক্রেডেনশিয়াল পেশ করবেন। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তিনি বাংলাদেশের মর্যাদা ও আইনি কর্তৃত্ব নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব পালন শুরু করবেন।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরে অনুষ্ঠিত এক শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ক্রিস্টেনসেন formalভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বোস্টন ভিত্তিক এই উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকেল জে. রিগাস তাঁকে আনুষ্ঠানিক শপথবাক্য পাঠ করেন। এরপর মার্কিন দূতাবাস একটি বার্তায় তাঁকে বাংলাদেশে উপস্থিতির জন্য স্বাগত জানায়। এর আগেও যথেষ্ট আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর, কারণ তিনি ১৭তম রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের দায়িত্বে ছিলেন।

নিজের পুনরায় বাংলাদেশে ফেরার অনুভূতি প্রকাশ করে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, তিনি এই দেশের প্রেক্ষাপট ও পরিবেশের সঙ্গে খুব কাছ থেকে পরিচিত। আবারও এই প্রিয় জনপদে ফিরে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি আরও জানালেন, ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের আমেরিকান ও স্থানীয় কর্মীদের দক্ষ দলকে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও দৃঢ় করতে চান। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশ্বজনীন লক্ষ্য অর্জন ও একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ বিশ্ব গড়তে বাংলাদেশের অংশীদারিত্বই তাঁর প্রধান দায়িত্ব। এই নিয়োগের খবর দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলেই ব্যাপক আলোচনা ও প্রত্যাশা সৃষ্টি করেছে।