০৫:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

এনবিআর এর মোবাইল শুল্ক কমানোর ঘোষণা: ৬০ শতাংশ ছাড়

দেশের বাজারে মোবাইল ফোনের দাম কমিয়ে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন ঘোষণার অনুযায়ী, মোবাইল ফোন আমদানি ক্ষেত্রে কাস্টমস অক্ষের হার ২৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে, আন্তর্জাতিক মোবাইল আমদানির ওপর আগের তুলনায় শুল্কের হার প্রায় ৬০ শতাংশ কমে গেছে। আজ মঙ্গলবার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।

শুল্ক কমানোর এই সিদ্ধান্তের ফলে সরাসরি মূল্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, সংস্থার ধারণা, ফলে মোবাইল ফোনের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে আসবে। পাশাপাশি, স্থানীয় মোবাইল উৎপাদনকারী শিল্পের জন্যেও এই সিদ্ধান্তে সুরক্ষার আঙ্গুল উঠেছে। বিদেশ থেকে আসা মোবাইল ফোনের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে, মোবাইলের যন্ত্রাংশ এবং উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রেও শুল্কের হার কমানো হয়েছে। যারা দেশে মোবাইল সংযোজন করেন তাদের জন্য কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এই দুটি নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নেওয়া এই পদক্ষেপগুলো দেশের প্রযুক্তি খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্লেষণমূলক তথ্য অনুযায়ী, এই শুল্ক হ্রাসের ফলে ভোক্তা পর্যায়ে বড় ধরনের স্বস্তি আসবে। উদাহরণস্বরূপ, উচ্চ মূল্যমানের বিদেশি স্মার্টফোন ৩০ হাজার টাকা হলে এর দাম প্রায় ৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এছাড়াও, দেশে সংযোজিত বা উৎপাদিত ফোনের দামও গড়ে ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত কমবে। সরকারের আশা, এই শুল্ক ছাড়ের মাধ্যমে বাজারে বিভিন্ন ধরণের মোবাইলের দামের হ্রাস আরও ব্যাপকভাবে ঘটবে, ফলে সাধারণ ক্রেতারা সহজে স্মার্টফোন কিনতে পারবে। মূল লক্ষ্য হল প্রযুক্তি পণ্যগুলো আরও সাশ্রয়ী মূল্যে পৌঁছে দেওয়া, যাতে দেশের জনগণ উপকৃত হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

এনবিআর এর মোবাইল শুল্ক কমানোর ঘোষণা: ৬০ শতাংশ ছাড়

প্রকাশিতঃ ১১:৫০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের বাজারে মোবাইল ফোনের দাম কমিয়ে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন ঘোষণার অনুযায়ী, মোবাইল ফোন আমদানি ক্ষেত্রে কাস্টমস অক্ষের হার ২৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে, আন্তর্জাতিক মোবাইল আমদানির ওপর আগের তুলনায় শুল্কের হার প্রায় ৬০ শতাংশ কমে গেছে। আজ মঙ্গলবার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।

শুল্ক কমানোর এই সিদ্ধান্তের ফলে সরাসরি মূল্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, সংস্থার ধারণা, ফলে মোবাইল ফোনের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে নেমে আসবে। পাশাপাশি, স্থানীয় মোবাইল উৎপাদনকারী শিল্পের জন্যেও এই সিদ্ধান্তে সুরক্ষার আঙ্গুল উঠেছে। বিদেশ থেকে আসা মোবাইল ফোনের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে, মোবাইলের যন্ত্রাংশ এবং উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রেও শুল্কের হার কমানো হয়েছে। যারা দেশে মোবাইল সংযোজন করেন তাদের জন্য কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এই দুটি নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নেওয়া এই পদক্ষেপগুলো দেশের প্রযুক্তি খাতের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশ্লেষণমূলক তথ্য অনুযায়ী, এই শুল্ক হ্রাসের ফলে ভোক্তা পর্যায়ে বড় ধরনের স্বস্তি আসবে। উদাহরণস্বরূপ, উচ্চ মূল্যমানের বিদেশি স্মার্টফোন ৩০ হাজার টাকা হলে এর দাম প্রায় ৫ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এছাড়াও, দেশে সংযোজিত বা উৎপাদিত ফোনের দামও গড়ে ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত কমবে। সরকারের আশা, এই শুল্ক ছাড়ের মাধ্যমে বাজারে বিভিন্ন ধরণের মোবাইলের দামের হ্রাস আরও ব্যাপকভাবে ঘটবে, ফলে সাধারণ ক্রেতারা সহজে স্মার্টফোন কিনতে পারবে। মূল লক্ষ্য হল প্রযুক্তি পণ্যগুলো আরও সাশ্রয়ী মূল্যে পৌঁছে দেওয়া, যাতে দেশের জনগণ উপকৃত হয়।