০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

সূচকের পতনের পরও মূলধন বাড়ল দেড় হাজার কোটি টাকা, অধিকাংশ শেয়ারের দরপতন

দেশের শেয়ারবাজারের প্রধান কেন্দ্র, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দরপতন সত্ত্বেও মোট মূলধন এবং লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজার হচ্ছে এমন এক পরিস্থিতি যেখানে সূচক সামান্য পতন হলেও বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় থেকে অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন।

বাজারের সূচকের দিকে তাকালে দেখা যায়, দিনের শুরুতে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনার আকাক্সক্ষা থাকায় সূচক কিছুটা বৃদ্ধির দিকে গিয়েছিল। তবে বিকেলের দিকে বিক্রির চাপ বাড়তে থাকায় দাম হারাতে থাকে। ফলে, প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭.৫২ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ৪ হাজার ৯৫৮.৯৮ পয়েন্টে অবস্থান নেয়। প্রথম ১৭ মিনিটে সূচক কিছুটা বাড়লেও, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই গতি শ্লথ হয়ে এসে শেষ পর্যন্ত নেতিবাচক ধারায় চলে যায়। অন্যদিকে, ডিএসইএস সূচক ১.৮৭ পয়েন্ট কমে ৯৯৫.৯২ পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকলেও, ব্যতিক্রমধর্মীভাবে ডিএস৩০ সূচক ৪.৫০ পয়েন্ট বেড়ে ১৯১২.৭১ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে।

আচরণ বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই দিন ডিএসইর ৩৯০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শুধুমাত্র ১০২টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে, ২২০টির শেয়ারের দর কমেছে এবং ৬৮টির দর অপরিবর্তিত ছিল। যদিও সূচকের সামান্য পতন ঘটেছে, তবে মোট বাজার মূলধন এবং লেনদেনের পরিমাণে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।

গত বুধবারের তুলনায়, বৃহস্পতিবার ডিএসইর মোট মূলধন ১৫৯৪ কোটি টাকা বেড়ে ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৪৪০ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে, দিনের লেনদেনের মোট পরিমাণ ৩৬৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ৩৭৯ কোটি ৮০ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার প্রমাণ দেয়। এই সব তথ্য থেকে বোঝা যায়, শেয়ার বাজারের এই সাময়িক পতনের পরেও বিনিয়োগকারীরা অর্থনীতির প্রতি আস্থাশীল এবং তারা সক্রিয়ভাবে বাজারে অংশগ্রহণ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

সূচকের পতনের পরও মূলধন বাড়ল দেড় হাজার কোটি টাকা, অধিকাংশ শেয়ারের দরপতন

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের শেয়ারবাজারের প্রধান কেন্দ্র, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দরপতন সত্ত্বেও মোট মূলধন এবং লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজার হচ্ছে এমন এক পরিস্থিতি যেখানে সূচক সামান্য পতন হলেও বিনিয়োগকারীরা সক্রিয় থেকে অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন।

বাজারের সূচকের দিকে তাকালে দেখা যায়, দিনের শুরুতে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনার আকাক্সক্ষা থাকায় সূচক কিছুটা বৃদ্ধির দিকে গিয়েছিল। তবে বিকেলের দিকে বিক্রির চাপ বাড়তে থাকায় দাম হারাতে থাকে। ফলে, প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭.৫২ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ৪ হাজার ৯৫৮.৯৮ পয়েন্টে অবস্থান নেয়। প্রথম ১৭ মিনিটে সূচক কিছুটা বাড়লেও, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই গতি শ্লথ হয়ে এসে শেষ পর্যন্ত নেতিবাচক ধারায় চলে যায়। অন্যদিকে, ডিএসইএস সূচক ১.৮৭ পয়েন্ট কমে ৯৯৫.৯২ পয়েন্টে দাঁড়িয়ে থাকলেও, ব্যতিক্রমধর্মীভাবে ডিএস৩০ সূচক ৪.৫০ পয়েন্ট বেড়ে ১৯১২.৭১ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে।

আচরণ বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই দিন ডিএসইর ৩৯০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শুধুমাত্র ১০২টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে, ২২০টির শেয়ারের দর কমেছে এবং ৬৮টির দর অপরিবর্তিত ছিল। যদিও সূচকের সামান্য পতন ঘটেছে, তবে মোট বাজার মূলধন এবং লেনদেনের পরিমাণে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।

গত বুধবারের তুলনায়, বৃহস্পতিবার ডিএসইর মোট মূলধন ১৫৯৪ কোটি টাকা বেড়ে ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৪৪০ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে, দিনের লেনদেনের মোট পরিমাণ ৩৬৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ৩৭৯ কোটি ৮০ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার প্রমাণ দেয়। এই সব তথ্য থেকে বোঝা যায়, শেয়ার বাজারের এই সাময়িক পতনের পরেও বিনিয়োগকারীরা অর্থনীতির প্রতি আস্থাশীল এবং তারা সক্রিয়ভাবে বাজারে অংশগ্রহণ চালিয়ে যাচ্ছেন।