০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

ইরাকের আইন আল-আসাদ ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনারা প্রত্যাহার, নিয়ন্ত্রণ ইরাকি বাহিনীর হাতে

ইরাকের আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে অবশেষে মার্কিন সেনারা তাদের অবস্থান প্রত্যাহার করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ এখন সম্পূর্ণরূপে.Transfer হয়েছে ইরাকি সেনাবাহিনীর হাতে। মার্কিন বাহিনী এবং তাদের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটের অন্যান্য দেশের সেনারা এই সামরিক স্থাপনাটি ত্যাগ করেছে। ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্কিন ও জোট বাহিনী সরে যাওয়ার পর, এই কেন্দ্রীয় ও কৌশলগত ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে ইরাকি সেনাবাহিনীর কাছে চলে এসেছে। এটি শুধু একটি সামরিক পদক্ষেপ নয়, বরং এটি একটি বড় রাজনৈতিক বার্তা যে, আন্তর্জাতিক শক্তির উপস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে এই দেশে। এই ঘাঁটি ইসলামি রাজনীতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে রেখেছে। ২০২০ সালে, ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধে ইরান আইন আল-আসাদ ঘাঁটিতে নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল। এতে ঘাঁটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেখানে থাকা মার্কিন সেনাদের অনেকেই মানসিক বা শারীরিক আঘাতে আক্রান্ত হন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই সামরিক ঘাঁটি। এই প্রত্যাহার মূলত ২০২৪ সালে ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সেনা ফেরত নেওয়ার চুক্তির অংশ। ইরাকের একজন কর্নেল নিশ্চিত করেছেন যে, এখনও লজিস্টিক ও রসদ সরবরাহের কাজ কিছু বাকি থাকায় কিছু সেনা এখনও সেখানে রয়েছেন। তবে, কাজ শেষ হলে তারা ঘাঁটি ছেড়ে চলে যাবেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুমান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে শত শত সেনা সরিয়ে নেওয়া হবে এবং ২০২৬ সালের মধ্যে পুরো ঘাঁটি ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই ঘটনার মাধ্যমে ইরাকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির এক যুগের অবসান ঘটল এবং এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

ইরাকের আইন আল-আসাদ ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনারা প্রত্যাহার, নিয়ন্ত্রণ ইরাকি বাহিনীর হাতে

প্রকাশিতঃ ১১:৫৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

ইরাকের আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে অবশেষে মার্কিন সেনারা তাদের অবস্থান প্রত্যাহার করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ এখন সম্পূর্ণরূপে.Transfer হয়েছে ইরাকি সেনাবাহিনীর হাতে। মার্কিন বাহিনী এবং তাদের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটের অন্যান্য দেশের সেনারা এই সামরিক স্থাপনাটি ত্যাগ করেছে। ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্কিন ও জোট বাহিনী সরে যাওয়ার পর, এই কেন্দ্রীয় ও কৌশলগত ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে ইরাকি সেনাবাহিনীর কাছে চলে এসেছে। এটি শুধু একটি সামরিক পদক্ষেপ নয়, বরং এটি একটি বড় রাজনৈতিক বার্তা যে, আন্তর্জাতিক শক্তির উপস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে এই দেশে। এই ঘাঁটি ইসলামি রাজনীতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে রেখেছে। ২০২০ সালে, ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধে ইরান আইন আল-আসাদ ঘাঁটিতে নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল। এতে ঘাঁটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেখানে থাকা মার্কিন সেনাদের অনেকেই মানসিক বা শারীরিক আঘাতে আক্রান্ত হন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই সামরিক ঘাঁটি। এই প্রত্যাহার মূলত ২০২৪ সালে ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সেনা ফেরত নেওয়ার চুক্তির অংশ। ইরাকের একজন কর্নেল নিশ্চিত করেছেন যে, এখনও লজিস্টিক ও রসদ সরবরাহের কাজ কিছু বাকি থাকায় কিছু সেনা এখনও সেখানে রয়েছেন। তবে, কাজ শেষ হলে তারা ঘাঁটি ছেড়ে চলে যাবেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুমান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে শত শত সেনা সরিয়ে নেওয়া হবে এবং ২০২৬ সালের মধ্যে পুরো ঘাঁটি ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই ঘটনার মাধ্যমে ইরাকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির এক যুগের অবসান ঘটল এবং এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।