০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরাকের আইন আল-আসাদ ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনারা প্রত্যাহার, নিয়ন্ত্রণ ইরাকি বাহিনীর হাতে

ইরাকের আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে অবশেষে মার্কিন সেনারা তাদের অবস্থান প্রত্যাহার করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ এখন সম্পূর্ণরূপে.Transfer হয়েছে ইরাকি সেনাবাহিনীর হাতে। মার্কিন বাহিনী এবং তাদের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটের অন্যান্য দেশের সেনারা এই সামরিক স্থাপনাটি ত্যাগ করেছে। ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্কিন ও জোট বাহিনী সরে যাওয়ার পর, এই কেন্দ্রীয় ও কৌশলগত ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে ইরাকি সেনাবাহিনীর কাছে চলে এসেছে। এটি শুধু একটি সামরিক পদক্ষেপ নয়, বরং এটি একটি বড় রাজনৈতিক বার্তা যে, আন্তর্জাতিক শক্তির উপস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে এই দেশে। এই ঘাঁটি ইসলামি রাজনীতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে রেখেছে। ২০২০ সালে, ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধে ইরান আইন আল-আসাদ ঘাঁটিতে নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল। এতে ঘাঁটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেখানে থাকা মার্কিন সেনাদের অনেকেই মানসিক বা শারীরিক আঘাতে আক্রান্ত হন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই সামরিক ঘাঁটি। এই প্রত্যাহার মূলত ২০২৪ সালে ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সেনা ফেরত নেওয়ার চুক্তির অংশ। ইরাকের একজন কর্নেল নিশ্চিত করেছেন যে, এখনও লজিস্টিক ও রসদ সরবরাহের কাজ কিছু বাকি থাকায় কিছু সেনা এখনও সেখানে রয়েছেন। তবে, কাজ শেষ হলে তারা ঘাঁটি ছেড়ে চলে যাবেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুমান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে শত শত সেনা সরিয়ে নেওয়া হবে এবং ২০২৬ সালের মধ্যে পুরো ঘাঁটি ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই ঘটনার মাধ্যমে ইরাকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির এক যুগের অবসান ঘটল এবং এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ইরাকের আইন আল-আসাদ ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনারা প্রত্যাহার, নিয়ন্ত্রণ ইরাকি বাহিনীর হাতে

প্রকাশিতঃ ১১:৫৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

ইরাকের আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে অবশেষে মার্কিন সেনারা তাদের অবস্থান প্রত্যাহার করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ এখন সম্পূর্ণরূপে.Transfer হয়েছে ইরাকি সেনাবাহিনীর হাতে। মার্কিন বাহিনী এবং তাদের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোটের অন্যান্য দেশের সেনারা এই সামরিক স্থাপনাটি ত্যাগ করেছে। ইরাকের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্কিন ও জোট বাহিনী সরে যাওয়ার পর, এই কেন্দ্রীয় ও কৌশলগত ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণরূপে ইরাকি সেনাবাহিনীর কাছে চলে এসেছে। এটি শুধু একটি সামরিক পদক্ষেপ নয়, বরং এটি একটি বড় রাজনৈতিক বার্তা যে, আন্তর্জাতিক শক্তির উপস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে এই দেশে। এই ঘাঁটি ইসলামি রাজনীতির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে রেখেছে। ২০২০ সালে, ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন ড্রোন হামলায় ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধে ইরান আইন আল-আসাদ ঘাঁটিতে নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল। এতে ঘাঁটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সেখানে থাকা মার্কিন সেনাদের অনেকেই মানসিক বা শারীরিক আঘাতে আক্রান্ত হন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই সামরিক ঘাঁটি। এই প্রত্যাহার মূলত ২০২৪ সালে ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত সেনা ফেরত নেওয়ার চুক্তির অংশ। ইরাকের একজন কর্নেল নিশ্চিত করেছেন যে, এখনও লজিস্টিক ও রসদ সরবরাহের কাজ কিছু বাকি থাকায় কিছু সেনা এখনও সেখানে রয়েছেন। তবে, কাজ শেষ হলে তারা ঘাঁটি ছেড়ে চলে যাবেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুমান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে শত শত সেনা সরিয়ে নেওয়া হবে এবং ২০২৬ সালের মধ্যে পুরো ঘাঁটি ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এই ঘটনার মাধ্যমে ইরাকে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির এক যুগের অবসান ঘটল এবং এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।